Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    ‘জোর করে ঢুকে ফাইল-ডিভাইস নিয়ে বেরিয়ে গেছেন…’, IPAC কাণ্ডে মমতার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে তোপ

    2 hours ago

    বাংলা হান্ট ডেস্কঃ IPAC অফিসে ইডি-র তল্লাশি ঘিরে যে বিতর্ক শুরু হয়েছিল, তা এখন সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) অব্দি গড়িয়েছে। অভিযোগ, তদন্ত চলার সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেখানে গিয়ে হস্তক্ষেপ করেছেন এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফাইল ও ডিভাইস নিয়ে বেরিয়ে এসেছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই শুরু হয়েছে আইনি লড়াই, যেখানে কেন্দ্রীয় সংস্থা ও রাজ্য সরকারের অবস্থান একেবারে বিপরীত।

    IPAC মামলায় সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) গুরুত্বপূর্ণ শুনানি

    সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) এই মামলার শুনানিতে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বলেন, ইডি যখন আইপ্যাক অফিসে তল্লাশি চালাচ্ছিল, তখনই মুখ্যমন্ত্রী সেখানে পৌঁছে যান। অভিযোগ, তিনি কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি ও ডিজিটাল ডিভাইস নিয়ে বেরিয়ে আসেন, যা তদন্তে কাজে লাগতে পারত। এর আগেই বিচারপতি পি কে মিশ্র মন্তব্য করেছিলেন, কোনও মুখ্যমন্ত্রী যদি সরাসরি তদন্তে ঢুকে পড়েন, তাহলে সেটা গণতন্ত্রের জন্য ভালো লক্ষণ নয়। সেই প্রসঙ্গেই তুষার মেহতা বলেন, এতে ED-র কাজ বাধা পেয়েছে।

    তিনি আরও দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গে আইন-শৃঙ্খলার অবস্থা খারাপ। তাঁর কথায়, আইনের শাসন সংবিধানের মৌলিক অধিকার, আর সেটাই এখানে লঙ্ঘিত হয়েছে। আদালতে তিনি এই বিষয়টি প্রমাণ করতে চান। তুষার মেহতা জানান, কয়লা কেলেঙ্কারিতে প্রায় ২৭০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। সেই মামলায় ED তদন্ত করছে। তাঁর মতে, ED অফিসাররাও দেশের নাগরিক, তাই তাঁদের নিরাপত্তা এবং কাজের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা দরকার।

    তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, সিসিটিভি ক্যামেরার স্টোরেজ ডিভাইস এবং আইপ্যাক কর্মীদের মোবাইল পর্যন্ত নিয়ে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বেআইনি কয়লা পাচারের টাকা হাওয়ালার মাধ্যমে গোয়া হয়ে আইপ্যাক পর্যন্ত এসেছে বলেও দাবি করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ED অফিসাররা অনুরোধ করলেও তদন্তে হস্তক্ষেপ না করতে, তা মানা হয়নি। বরং জোর করে ঢুকে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরে উল্টে ED অফিসারদের বিরুদ্ধেই এফআইআর করা হয়।

    হাই কোর্টের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, সেখানে ঠিকভাবে শুনানির পরিবেশ ছিল না। অভিযোগ, শাসক দলের লোকজন কোর্টে গিয়ে গোলমাল করেছে। যদিও বিচারপতি জানতে চান, এই বিষয়টির সঙ্গে মামলার আসল প্রশ্নের সম্পর্ক কী।

    Supreme Court issues stern message no change of mind after sseparation agreement

    আরও পড়ুনঃ নাগরিক অধিকার খর্ব! বাইক নিষেধাজ্ঞা নিয়ে কড়া প্রশ্ন হাই কোর্টের, কমিশনের কাছে রিপোর্ট তলব

    এছাড়া আগের একটি ঘটনার কথাও তুলে ধরেন তুষার মেহতা। তিনি বলেন, সিবিআই অভিযানের সময়ও মুখ্যমন্ত্রী হস্তক্ষেপ করেছিলেন এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়েছিল।
    সব মিলিয়ে, এই মামলায় এখন বড় প্রশ্ন তদন্তে হস্তক্ষেপ হয়েছিল কি না এবং তা কতটা আইনসম্মত। সেই সিদ্ধান্তই নেবে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)।

    Click here to Read More
    Previous Article
    চারবার EVM বদল, তবুও বিকল!" কড়া রোদে ভোটারদের ভোগান্তিতে মেজাজ হারালেন Adhir Ranjan Choudhury
    Next Article
    নাগরিক অধিকার খর্ব! বাইক নিষেধাজ্ঞা নিয়ে কড়া প্রশ্ন হাই কোর্টের, কমিশনের কাছে রিপোর্ট তলব

    Related পশ্চিমবঙ্গ Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment