Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    কিছু হলেই পরমাণু যুদ্ধের হুমকি! সেই পাকিস্তানেই এক বছরে তৈরি হল না একটাও পারমাণবিক হাতিয়ার

    1 day ago

    বাংলাহান্ট ডেস্ক: বাংলায় একটা প্রবাদ আছে, ‘যে মেঘ যত গর্জায় তত বর্ষায় না’। পাকিস্তানের (Pakistan) অবস্থাও ঠিক খানিকটা সেরকমই। কথায় কথায় ভারতকে যে পাকিস্তান পরমাণু হামলার ভয় দেখায় সে পাকিস্তানে গত একবছরে তৈরিই হল না কোনও পারমাণবিক হাতিয়ার! পারমাণবিক শক্তির নিরিখে দক্ষিণ এশিয়ার কৌশলগত সমীকরণে নতুন তথ্য সামনে আনল সুইডেনের গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (সিপ্রি)। ২০২৬ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত এক বছরে পাকিস্তান তার পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডারে কোনও নতুন ওয়ারহেড যোগ করেনি। ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত পাকিস্তানের পারমাণবিক ওয়ারহেডের সংখ্যা ১৭০-এই স্থির ছিল। দীর্ঘদিন ধরে পারমাণবিক শক্তির প্রদর্শন এবং হুমকির রাজনীতিতে সক্রিয় ইসলামাবাদের জন্য এই পরিসংখ্যান যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তবে একই সময়ে ভারত ও চীন নিজেদের পারমাণবিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করায় আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে।

    পাকিস্তানে (Pakistan) এক বছরে তৈরি হল না একটাও পারমাণবিক হাতিয়ার

    সিপ্রির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ভারতের হাতে ছিল ১৮০টি পারমাণবিক ওয়ারহেড। এক বছরের মধ্যে সেই সংখ্যা বেড়ে ১৯০-এ পৌঁছেছে। অর্থাৎ, ভারত তার অস্ত্রভাণ্ডারে ১০টি নতুন ওয়ারহেড যুক্ত করেছে। অন্যদিকে, চিন আরও দ্রুতগতিতে পারমাণবিক শক্তি বাড়িয়েছে। ২০২৫ সালে দেশটির হাতে যেখানে ৬০০টি ওয়ারহেড ছিল, ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬২০-তে। ফলে মাত্র এক বছরের ব্যবধানে বেজিং ২০টি নতুন পারমাণবিক ওয়ারহেড যুক্ত করেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, চীন শুধু সংখ্যার নিরিখেই নয়, ক্ষেপণাস্ত্র ও পরমাণু প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকীকরণেও দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে। আগামী কয়েক বছরে দেশটির পারমাণবিক শক্তি আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলেও অনুমান করা হয়েছে (Pakistan)।

    আরও পড়ুন: পবিত্র কাশীধামে নতুন আকর্ষণ! তৈরি হচ্ছে বিশ্বের উচ্চতম শিবলিঙ্গ, রয়েছে আরও চমক

    প্রতিবেদনে ভারতের পারমাণবিক কৌশল সম্পর্কেও গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ তুলে ধরা হয়েছে। সিপ্রির মতে, ভারতের নিরাপত্তা পরিকল্পনা এখনও পাকিস্তানের সঙ্গে দীর্ঘদিনের কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বিতার দ্বারা প্রভাবিত হলেও বর্তমানে চিনের উত্থানকে মাথায় রেখেই নতুন প্রজন্মের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি উন্নয়নের দিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এমন ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কাজ চলছে, যা চিনের যেকোনও অংশে আঘাত হানতে সক্ষম। ফলে ভারতের পারমাণবিক আধুনিকীকরণ এখন শুধু প্রতিবেশী পাকিস্তানকে কেন্দ্র করে নয়, বরং বৃহত্তর আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যের অংশ হয়ে উঠছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত চিনের হাতে ৬২০টি, ভারতের হাতে ১৯০টি এবং পাকিস্তানের হাতে ১৭০টি পারমাণবিক ওয়ারহেড রয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

    মোতায়েন অবস্থায় থাকা পারমাণবিক অস্ত্রের ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য পার্থক্য দেখা গিয়েছে। সিপ্রির হিসাব অনুযায়ী, চিনের ৩৪টি এবং ভারতের ১২টি ওয়ারহেড সক্রিয় মোতায়েন অবস্থায় রয়েছে। পাকিস্তানের ক্ষেত্রে এমন কোনও মোতায়েনকৃত ওয়ারহেডের তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। তবে এর অর্থ এই নয় যে দেশটি পারমাণবিক কর্মসূচিতে স্থবির হয়ে পড়েছে। বরং সিপ্রি জানিয়েছে, পাকিস্তান নতুন ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা তৈরি, পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং অস্ত্র সংরক্ষণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। সেই কারণে আগামী এক দশকের মধ্যে দেশটির পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেতে পারে বলেও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে ২০২৫ সালের মে মাসে সংঘটিত ভারত-পাকিস্তান সংঘাত ‘অপারেশন সিন্ধুর’-এর উল্লেখও করা হয়েছে, যেখানে উভয় দেশই পরিস্থিতিকে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে পরিণত হওয়া থেকে আটকাতে সচেষ্ট ছিল।

    Not a single nuclear weapon was produced in Pakistan in a year.

    আরও পড়ুন: রাহুল দ্রাবিড়কে ছুঁয়ে ফেললেন শুভমান গিল! ভারতীয় অধিনায়ক গড়লেন এই বিরল নজির

    বিশ্ব পরিস্থিতির দিক থেকেও প্রতিবেদনে উদ্বেগজনক ছবি উঠে এসেছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত বিশ্বে মোট পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যা ছিল ১২ হাজার ১৮৭। এর মধ্যে ৯ হাজার ৭৪৫টি সামরিক মজুত ভাণ্ডারে সংরক্ষিত এবং ৪ হাজার ১২টি বিভিন্ন ক্ষেপণাস্ত্র ও যুদ্ধবিমানে মোতায়েন ছিল। সিপ্রির পরিচালক করিম হাগাগ সতর্ক করে বলেছেন, দ্রুত পরিবর্তনশীল সামরিক প্রযুক্তি, ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক উত্তেজনা এবং অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত চুক্তিগুলির দুর্বল হয়ে পড়া বিশ্বকে আরও অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তাঁর মতে, ভারতের জন্য পাকিস্তান এখনও তাৎক্ষণিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ হলেও দীর্ঘমেয়াদে সবচেয়ে বড় কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে চীনই সামনে উঠে আসছে। ফলে আগামী দিনে এশিয়ার নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা নীতিতে পারমাণবিক শক্তির ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে (Pakistan)।

    Click here to Read More
    Previous Article
    রাহুল দ্রাবিড়কে ছুঁয়ে ফেললেন শুভমান গিল! ভারতীয় অধিনায়ক গড়লেন এই বিরল নজির
    Next Article
    “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও জানেন না, তার দল কোথায় ভাঙছে, কিভাবে ভাঙছে”- দেবজিৎ সরকার

    Related আন্তর্জাতিক Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment