Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    সংস্থাগুলির ওপর চাপানো মাসুল সম্পূর্ণ বেআইনি! এইচ-১ বি ভিসার ক্ষেত্রেও আদালতে ধাক্কা খেলেন ট্রাম্প

    1 day ago

    বাংলাহান্ট ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন ও কর্মসংস্থান নীতিতে বড় ধাক্কা দিল আমেরিকার আদালত। এইচ-১বি ভিসা (H-1B Visa) সংক্রান্ত একটি বিতর্কিত সিদ্ধান্তকে বেআইনি ঘোষণা করে তা বাতিল করে দিয়েছে ফেডারেল আদালত। ট্রাম্প প্রশাসন বিদেশি কর্মীদের নিয়োগের ক্ষেত্রে মার্কিন সংস্থাগুলির উপর অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা চাপানোর যে উদ্যোগ নিয়েছিল, আদালতের রায়ে তা কার্যত ভেস্তে গেল। বিচারকের পর্যবেক্ষণ, প্রেসিডেন্টের একতরফাভাবে এমন কর আরোপ করার সাংবিধানিক ক্ষমতা নেই এবং এ ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকার শুধুমাত্র কংগ্রেসের হাতে ন্যস্ত।

    এইচ-১ বি ভিসার (H-1B Visa) ক্ষেত্রেও আদালতে ধাক্কা খেলেন ট্রাম্প:

    এইচ-১বি ভিসা হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি জনপ্রিয় অ-অভিবাসী কর্মভিসা, যার মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন পেশাদাররা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য আমেরিকায় কাজ করার সুযোগ পান। বিশেষত তথ্যপ্রযুক্তি, প্রকৌশল, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং গবেষণার মতো ক্ষেত্রে এই ভিসার ব্যাপক ব্যবহার হয়। গত বছরের সেপ্টেম্বরে ট্রাম্প প্রশাসন ঘোষণা করেছিল যে বিদেশি কর্মী নিয়োগ করতে চাইলে সংশ্লিষ্ট মার্কিন সংস্থাকে এইচ-১বি ভিসার (H-1B Visa) আবেদনের সময় এক লক্ষ ডলার পর্যন্ত জমা দিতে হবে। ভারতীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ ৯৫ লক্ষ টাকারও বেশি। এই সিদ্ধান্তের ফলে প্রযুক্তি সংস্থাগুলির মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে, কারণ তাঁদের নিয়োগ ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

    আরও পড়ুন: ইউনেস্কোর নাম ভাঙিয়ে দুর্গাপুজোর ভিআইপি টিকিট বিক্রি? অভিযোগ দায়ের ইন্দ্রনীল সেন ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে

    ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে বস্টনের একটি ফেডারেল আদালতে মামলা দায়ের করা হয়। মামলার শুনানি শেষে বিচারক লিও সোরোকিন ৪২ পাতার রায়ে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এইচ-১বি ভিসা আবেদনের উপর অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা চাপানো একটি বেআইনি করের শামিল। তাঁর মতে, মার্কিন সংবিধান অনুযায়ী নতুন কর আরোপ বা অভিবাসন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত পরিবর্তনের ক্ষমতা কংগ্রেসের হাতে থাকে। প্রেসিডেন্ট এককভাবে সেই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন না। বিচারক আরও বলেন, ট্রাম্পের উপর এমন কোনও দায়িত্ব বা কর্তৃত্ব অর্পিত ছিল না, যার ভিত্তিতে তিনি এই ধরনের আর্থিক শর্ত চাপাতে পারেন।

    এই রায়কে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন অভিবাসন বিশেষজ্ঞ এবং শিল্পমহলের প্রতিনিধিরা। তাঁদের মতে, এইচ-১বি ভিসার আওতায় কর্মরত বিদেশি পেশাদাররা আমেরিকার অর্থনীতি এবং প্রযুক্তি শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাঁরা সাধারণত একই পদে কর্মরত মার্কিন নাগরিকদের সমান বেতন পান এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে দক্ষ জনবলের ঘাটতি পূরণ করেন। বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বহু বড় সংস্থা ভারত, চীন এবং অন্যান্য দেশের দক্ষ কর্মীদের উপর নির্ভরশীল। ফলে ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপিত অতিরিক্ত ব্যয় কার্যকর হলে সংস্থাগুলির নিয়োগ পরিকল্পনা এবং ব্যবসায়িক কৌশলে বড় প্রভাব পড়তে পারত।

    US court rules Trump's H-1B Visa policy unlawful.

    আরও পড়ুন: আদৌ আপনার অ্যাকাউন্টে ঢুকবে অন্নপূর্ণা যোজনার ৩০০০ টাকা? চেক করুন বাড়িতে বসেই

    দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ট্রাম্প ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতিকে সামনে রেখে অভিবাসন ব্যবস্থায় একাধিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক সুযোগের ক্ষেত্রে মার্কিন নাগরিকদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। সেই প্রেক্ষাপটেই এইচ-১বি ভিসা (H-1B Visa) ব্যবস্থায় কড়াকড়ি আনার চেষ্টা হয়েছিল বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। তবে আদালতের সাম্প্রতিক রায় ট্রাম্প প্রশাসনের সেই অবস্থানকে বড় ধাক্কা দিল। একই সঙ্গে এই সিদ্ধান্ত বিদেশি দক্ষ কর্মীদের জন্য কিছুটা স্বস্তির বার্তা নিয়ে এল এবং মার্কিন প্রযুক্তি ও কর্পোরেট মহলেও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।

    Click here to Read More
    Previous Article
    বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্ক মানেই চরিত্রহীনতা নয়, স্পষ্ট বার্তা সুপ্রিম কোর্টের
    Next Article
    Live: সাংবাদিক বৈঠকে কল্যাণ ব্যানার্জি-কীর্তি আজাদ, দেখুন সরাসরি

    Related আন্তর্জাতিক Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment