Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    Long Island City

    -0.79°C

    Stormy
    4.12 km/h
    60%
    0.2h

    Latest News Videos

    Latest

    ‘জম্মু-কাশ্মীর আমাদের ছিল, আছে এবং থাকবে’, চিন-পাকিস্তানকে সতর্ক করে কী জানাল ভারত?

    বাংলা হান্ট ডেস্ক: চিন ও পাকিস্তানের যৌথ বিবৃতিতে জম্মু ও কাশ্মীরের উল্লেখের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ভারত (India)। ইতিমধ্যেই বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, ভারত জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখকে তার অবিচ্ছেদ্য ও অবিভাজ্য অংশ বলে মনে করে এবং এই বিষয়ে মন্তব্য করার অধিকার অন্য কোনও দেশের নেই। এক্ষেত্রে ভারতের অবস্থান আগেও স্পষ্ট ছিল এবং ভবিষ্যতেও তা-ই থাকবে। কী জানিয়েছে ভারত (India)? ‘অবৈধ দখলকে বৈধতা দেওয়ার প্রচেষ্টা’: বিদেশ মন্ত্রক চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোরেরও তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। ভারত জানিয়েছে যে, পাকিস্তানের অবৈধভাবে দখল করা ভারতীয় সার্বভৌম অঞ্চলের মধ্য দিয়ে বেশ কয়েকটি CPEC প্রকল্প গেছে। ভারত অভিযোগ করেছে যে, চিন ও পাকিস্তান এই প্রকল্পগুলির মাধ্যমে তাদের অবৈধ দখলকে সুসংহত ও বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করছে। যা নয়াদিল্লি কোনও অবস্থাতেই মেনে নেবে না। Our response to media queries regarding unwarranted references to Indian Union Territory of Jammu & Kashmir in the Joint Statement between China and Pakistan ⬇️ 🔗 https://t.co/HfkNLnQU9L pic.twitter.com/RLJfT5E1Tx — Randhir Jaiswal (@MEAIndia) May 26, 2026 ‘জল সহযোগিতা’ নিয়েও প্রশ্ন: জানিয়ে রাখি যে, চিন ও পাকিস্তানের মধ্যে কথিত ‘ট্রান্সবাউন্ডারি ওয়াটার রিসোর্সেজ কোঅপারেশন’ প্রসঙ্গে ভারত জানিয়েছে যে, দুই দেশের মধ্যে কোনও সীমান্ত নেই। তাই এই ধরণের সহযোগিতার প্রশ্নই ওঠে না। বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, এই দাবি ভিত্তিহীন এবং ভারত এই ধরণের যেকোনও প্রচেষ্টাকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। আরও পড়ুন: জ্বালানি নিয়ে মিটবে চিন্তা? পশ্চিমবঙ্গেই রয়েছে ২৪ কোটি ব্যারেল তেলের ভাণ্ডার, ড্রিলিং শুরু করবে ONGC ১৯৬৩ সালের চুক্তি আবারও অবৈধ ঘোষিত: উল্লেখ্য যে, ভারত আবারও পাকিস্তান ও চিনের মধ্যে হওয়া তথাকথিত ১৯৬৩ সালের সীমান্ত চুক্তিটিকে সম্পূর্ণ অবৈধ ঘোষণা করেছে। ভারত জানিয়েছে যে, তারা এই চুক্তিকে কখনও স্বীকৃতি দেয়নি। নয়াদিল্লির মতে, পাকিস্তান অবৈধভাবে চিনের কাছে ভারতীয় ভূখণ্ড হস্তান্তর করেছে। যেটিকে ভারত এখনও তার ভূখণ্ডের অংশ বলে মনে করে। আরও পড়ুন: কোন দেশ জিতবে এবারের ফুটবল বিশ্বকাপ? সামনে এল বড় ভবিষ্যদ্বাণী সার্বভৌমত্বের বিষয়ে কোনও আপস হবে না: এমতাবস্থায়,, চিন ও পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দিয়ে ভারত জানিয়েছে যে, দেশের সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা সংক্রান্ত বিষয়ে কোনও আপস করা হবে না। বিদেশ মন্ত্রক পুনর্ব্যক্ত করেছে যে, জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ অতীতেও ভারতের ছিল, বর্তমানেও ভারতের আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। ভারত এটাও ইঙ্গিত দিয়েছে যে, এই ধরণের আন্তর্জাতিক বিবৃতি ও প্রকল্পগুলির বিষয়ে দেশটি তার দৃঢ় অবস্থান বজায় রাখবে।

    0 0 0

    অনুপ্রবেশের কারণে জনবিন্যাসে বদল! দেশজুড়ে প্রভাব পর্যালোচনায় বড় পদক্ষেপ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের

    বাংলাহান্ট ডেস্ক: দেশজুড়ে অনুপ্রবেশ এবং তার জেরে জনবিন্যাসের চরিত্র বদলের অভিযোগ গত কয়েক বছর ধরেই তুলে আসছিল কেন্দ্রীয় সরকার। বিশেষ করে পূর্ব ভারতের (India) সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলিতে বারবার এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবার সেই অভিযোগকে আরও গুরুত্ব দিয়ে কেন্দ্র গঠন করল একটি উচ্চস্তরীয় কমিটি। এই কমিটির মূল কাজ হবে, “অনুপ্রবেশ এবং অন্যান্য কারণে দেশ জুড়ে জনবিন্যাস চরিত্রের অস্বাভাবিক পরিবর্তনের প্রভাব” খতিয়ে দেখা এবং তার বিস্তারিত মূল্যায়ন করা। সোমবার সমাজমাধ্যমে এই ঘোষণা করে শাহ জানিয়েছেন, কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি প্রকাশ প্রভাকর নওলেকরকে। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। অনুপ্রবেশের কারণে ভারতে (India) জনবিন্যাসে বদলের জেরে বড় পদক্ষেপ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের: কেন্দ্রীয় সরকারের গড়া এই বিশেষ কমিটিতে প্রশাসন, নিরাপত্তা এবং অর্থনীতির ক্ষেত্রের একাধিক অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে রাখা হয়েছে। সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন জনগণনা কমিশনার, প্রাক্তন আইএএস আধিকারিক দুর্গাশঙ্কর মিশ্র, প্রাক্তন আইপিএস আধিকারিক বালাজি শ্রীবাস্তব এবং অর্থনীতিবিদ শমিকা রবি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব এই কমিটির সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। শাহ তাঁর পোস্টে লিখেছেন, জনবিন্যাসের পরিবর্তন শুধু একটি সামাজিক বিষয় নয়, বরং তা দেশের সার্বভৌমত্ব, জাতীয় নিরাপত্তা, আইন-শৃঙ্খলা, সামাজিক কাঠামো এবং আদিবাসী সমাজের সুরক্ষার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। তাঁর মতে, বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ— দুই ক্ষেত্রেই এই বিষয়টি দেশের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। আরও পড়ুন: বারংবার হয়েছেন ব্যর্থ! তারপরেই শুরু অভিনব ব্যবসা, বাড়ি পরিষ্কার করেই ১.৫ কোটি আয় মুম্বাইয়ের যুবকের গত কয়েক বছরে বিশেষ করে বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া পশ্চিমবঙ্গ, অসম এবং ত্রিপুরার মতো রাজ্যগুলিতে গিয়ে অনুপ্রবেশের অভিযোগে বারবার সরব হয়েছেন শাহ। তিনি একাধিক সভা ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে দাবি করেছেন, সীমান্ত পেরিয়ে অবৈধ ভাবে ভারতে প্রবেশের ফলে বহু এলাকায় জনসংখ্যার ভারসাম্য বদলাচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, এই পরিবর্তনের নেপথ্যে “নির্দিষ্ট ছক” কাজ করছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই মন্তব্য বরাবরই রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি করেছে। বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, বিজেপি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই ইস্যুকে সামনে আনছে। তবে কেন্দ্র বরাবরই দাবি করেছে, বিষয়টি জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত এবং তা উপেক্ষা করা সম্ভব নয়। গত বছর স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লা থেকে দেওয়া ভাষণেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অনুপ্রবেশ এবং জনবিন্যাস পরিবর্তনের প্রসঙ্গ তুলেছিলেন। সে সময় তিনি জানিয়েছিলেন, এই বিষয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। নতুন কমিটি গঠনকে সেই ঘোষণারই বাস্তব রূপ বলে মনে করা হচ্ছে। শাহ তাঁর সাম্প্রতিক পোস্টে স্পষ্ট জানিয়েছেন, কমিটি দেশের বিভিন্ন অংশে ধর্মীয় ও সামাজিক জনগোষ্ঠীর অস্বাভাবিক জনসংখ্যাগত পরিবর্তনের ধরণ বিশ্লেষণ করবে। পাশাপাশি অবৈধ অভিবাসন বা অন্য কোনও অস্বাভাবিক কারণে কী ধরনের প্রভাব পড়ছে, তা খতিয়ে দেখা হবে। কমিটির দায়িত্ব শুধু সমীক্ষা বা তথ্য সংগ্রহের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সমস্যার সমাধানে কী ধরনের নীতি গ্রহণ করা যেতে পারে, সে বিষয়েও সুপারিশ জমা দেবে এই প্যানেল। সূত্রের খবর, সীমান্ত নিরাপত্তা, নাগরিক নথি যাচাই, জনসংখ্যার পরিবর্তনের ধরণ এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থার কার্যকারিতা, সব দিকই খতিয়ে দেখা হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই কমিটির রিপোর্ট ভবিষ্যতে কেন্দ্রের একাধিক নীতিগত সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। একই সঙ্গে ভারতের (India) সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলির উপরও এর প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। আরও পড়ুন: বদলে গেল ‘মুখ্যমন্ত্রীকে বলুন’, আগামী সপ্তাহ থেকেই শুরু ‘আপনার সরকারকে বলুন’, চালু নতুন নম্বর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই পদক্ষেপের স্পষ্ট রাজনৈতিক তাৎপর্যও রয়েছে। আগামী কয়েক বছরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যে নির্বাচন রয়েছে। তার আগে অনুপ্রবেশ এবং জনবিন্যাসের প্রশ্নকে আবারও জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রে নিয়ে আসতে চাইছে বিজেপি। অন্যদিকে বিরোধী দলগুলির একাংশের দাবি, এই ধরনের পদক্ষেপ সামাজিক বিভাজন বাড়াতে পারে। তবে কেন্দ্রীয় সরকারের বক্তব্য, দেশের নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতি বজায় রাখতে বাস্তব পরিস্থিতির নিরপেক্ষ মূল্যায়ন প্রয়োজন। সেই কারণেই বিশেষজ্ঞদের নিয়ে এই উচ্চস্তরীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা ভবিষ্যতে দেশের জনবিন্যাস সংক্রান্ত নীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে (India)।

    0 1 0

    নামমাত্র খরচে দার্জিলিং ঘোরাচ্ছে IRCTC, কত দিনের প্যাকেজ? জানুন বিস্তারিত

    বাংলাহান্ট ডেস্ক : গরমের ছুটি মানেই ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান। এই ছুটির সময় অনেকেই পরিকল্পনা করেন কাছেপিঠে বা দূরে কিছুদিনের জন্য ঘুরতে যাওয়ার। আর বাঙালির কাছে ভ্রমণের জন্য অন্যতম প্রিয় জায়গা হল দার্জিলিং (IRCTC)। শীত, গ্রীষ্ম বা বর্ষা যেকোনো সময়ই ঘুরতে যাওয়ার জন্য আদর্শ দার্জিলিং। এবার দার্জিলিং বেড়ানোর ক্ষেত্রে দারুণ অফার দিচ্ছে IRCTC। দার্জিলিং ট্যুর প্যাকেজ আইআরসিটিসির (IRCTC) দার্জিলিং ঘুরতে যাওয়ার জন্য এবার বিশেষ প্যাকেজের ঘোষণা করল আইআরসিটিসি। মাত্র ৯৮১০ টাকা থেকে শুরু হচ্ছে দার্জিলিং ট্যুর প্যাকেজ। এই প্যাকেজের মধ্যে থাকছে হোটেলে থাকা, খাওয়াদাওয়ার মতো একগুচ্ছ সুবিধা। কী কী ঘোরাবে: ২ রাত ৩ দিনের এই ট্যুরে কাঞ্চনজঙ্ঘা, ঘুম মনাস্ট্রি, বাতাসিয়া লুপ, হিমালয়ান মাউন্টেনিয়ারিং ইনস্টিটিউট, তেনজিং রক, পদ্মজা নাইডু হিমালয়ান চিড়িয়াখানা, চা বাগান, জাপানি মন্দির, মিরিক লেকের মতো দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখার সুযোগ। আরও পড়ুন : চালু নতুন পোর্টাল, যুবশক্তির জন্য কীভাবে করবেন আবেদন? রইল স্টেপ বাই স্টেপ গাইড কী কী অন্তর্ভুক্ত: ট্যুর প্যাকেজের মধ্যেই হোটেলে থাকার ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। অন্তর্ভুক্ত থাকছে সাইটসিয়িং (IRCTC) এর জন্য গাড়ি পরিষেবা, খাবার এবং একজন গাইডের পরিষেবাও। মূলত যারা কম সময়ের মধ্যে এই জায়গার সৌন্দর্য উপভোগ করতে চান তাদের কথা ভেবেই এই ট্যুরটি প্ল্যান করা হয়েছে। আরও পড়ুন : তৃণমূলের ‘খাস লোক’, এখন হঠাৎ ‘পালটি’! রানার পোস্ট নিয়ে বিষ্ফোরক তরুণজ্যোতি আইআরসিটিসির ওয়েবসাইটেই মিলবে এই ট্যুর প্যাকেজের বিস্তারিত বিবরণ। গ্রীষ্মের ছুটিতে কম খরচে কম সময়ে ঘুরে আসার জন্য এই ট্যুর প্যাকেজ একেবারে আদর্শ।

    জ্বালানি নিয়ে মিটবে চিন্তা? পশ্চিমবঙ্গেই রয়েছে ২৪ কোটি ব্যারেল তেলের ভাণ্ডার, ড্রিলিং শুরু করবে ONGC

    বাংলা হান্ট ডেস্ক: ইরানের সঙ্গে আমেরিকার যুদ্ধের আবহে ইতিমধ্যেই পারস্য উপসাগরের প্রধান তেল রুট হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। এমতাবস্থায়, হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় প্রভাবিত হয়েছে গোটা বিশ্ব। যার প্রভাব পড়েছে ভারতেও। কারণ, ভারত বিশ্বের বৃহত্তম অপরিশোধিত তেল আমদানিকারী দেশ হিসেবে বিবেচিত হয়। এদিকে, তেল সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় এবং অপরিশোধিত তেলের দামে তীব্র বৃদ্ধির আবহে ভারতের জন্য একটি সুখবর রয়েছে। মূলত, পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) উত্তর ২৪ পরগনার শহর অশোকনগর ভারতের পেট্রোল ও ডিজেল সঙ্কট নিরসনে একটি বড় ভূমিকা পালন করতে পারে। বাংলায় (West Bengal) তৈলক্ষেত্রের সন্ধান: জানিয়ে রাখি যে, বঙ্গের অশোকনগরে শীঘ্রই বাণিজ্যিকভাবে অপরিশোধিত তেল উৎপাদন শুরু হতে পারে। সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, ONGC ২০১৮ সালে এই তৈলক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। ২৪ কোটি ব্যারেল তেলের ভাণ্ডার: অশোকনগরের এই তৈলক্ষেত্রটি পূর্ব ভারতের এমন ভাণ্ডার যেখানে তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের বিশাল মজুত রয়েছে। প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, অশোকনগরের ভূগর্ভে ২৪ কোটি ব্যারেলেরও বেশি অপরিশোধিত তেল পাওয়া যেতে পারে। আশা করা হচ্ছে যে, এখানে কাজ শুরু হলে অপরিশোধিত তেল আমদানির ওপর নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। আরও পড়ুন: ১০ লক্ষ বাড়ি পাবে ক্লিন এনার্জি! বড় পদক্ষেপ আদানি গ্রুপের প্রকল্পটি শুরু করার তৎপরতা জোরদার হচ্ছে: সামগ্রিকভাবে, অপরিশোধিত তেলের আকাশছোঁয়া দাম এবং সরবরাহ সঙ্কটের মধ্যে, কেন্দ্রীয় সরকার অশোকনগর প্রকল্পটি চালু করার জন্য রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রচেষ্টা জোরদার করেছে। সম্প্রতি, বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য দিল্লিতে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে দেখা করেছেন। এই বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের অর্থনীতিকে ত্বরান্বিত করা এবং অশোকনগর তৈলক্ষেত্রে অবিলম্বে উৎপাদন শুরু করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। আরও পড়ুন: কোন দেশ জিতবে এবারের ফুটবল বিশ্বকাপ? সামনে এল বড় ভবিষ্যদ্বাণী সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই তৈলক্ষেত্রে তেল উত্তোলনের প্রক্রিয়া আরও আগেই শুরু হতে পারত; কিন্তু বঙ্গে সম্প্রতি সম্পন্ন হওয়া বিধানসভা নির্বাচনের আগে কিছু স্থানীয় সমস্যা এবং বিবাদের কারণে ONGC-কে সেখানে খননকাজ বন্ধ করে দিতে হয়েছিল। এদিকে, নতুন রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকারের দৃঢ় অবস্থানের ফলে  ONGC-র সমস্যাগুলি এখন অনেকাংশে সমাধান হয়ে গেছে। তাই, অশোকনগর থেকে শীঘ্রই তেল উত্তোলনের প্রস্তুতি চলছে।

    পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে বড় পদক্ষেপ শ্রীলঙ্কার! ভারতীয়দের জন্য চালু বিনামূল্যে ভিসা পরিষেবা

    বাংলা হান্ট ডেস্ক: ভারতীয় পর্যটকদের জন্য বড় সুখবর দিল ভারতের ‘বন্ধু’ প্রতিবেশী দেশ শ্রীলঙ্কা (Sri Lanka)। পর্যটন শিল্পকে আরও চাঙ্গা করতে ভারত-সহ বিশ্বের ৪০টি দেশের নাগরিকদের জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ইলেকট্রনিক ট্রাভেল অথরাইজ়েশন বা ETA পরিষেবা চালু করেছে শ্রীলঙ্কা সরকার। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ভারতীয় পর্যটকেরা এখন থেকে ভিসা ফি ছাড়াই সর্বোচ্চ ৩০ দিন পর্যন্ত শ্রীলঙ্কায় থাকতে পারবেন। ২৫ মে, ২০২৬ থেকেই এই নতুন নিয়ম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে কলম্বো। তবে ভ্রমণের আগে অনলাইনে ETA আবেদন করা বাধ্যতামূলক থাকবে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এই আবেদন প্রক্রিয়ার জন্য কোনও অতিরিক্ত ফি দিতে হবে না। দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত শ্রীলঙ্কা আশা করছে, এই পদক্ষেপের ফলে বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে এবং দেশের অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। ভারতীয়দের জন্য বিনামূল্যে ভিসা পরিষেবা চালু করল শ্রীলঙ্কা (Sri Lanka): শ্রীলঙ্কার অর্থনীতিতে পর্যটনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে বিদেশি মুদ্রা অর্জনের অন্যতম প্রধান উৎস হল পর্যটন খাত। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে অর্থনৈতিক সঙ্কট কাটিয়ে উঠতে পর্যটন শিল্পকে ঘিরেই নতুন পরিকল্পনা নিয়েছে দেশটি। ভারত থেকে স্বল্প খরচে এবং অল্প সময়ে সহজে পৌঁছে যাওয়া যায় বলে প্রতি বছর বিপুল সংখ্যক ভারতীয় পর্যটক শ্রীলঙ্কা ভ্রমণ করেন। কলম্বো, ক্যান্ডি, গলে, নুয়ারা এলিয়া কিংবা বেন্টোটার মতো জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে ভারতীয়দের উপস্থিতি সবসময়ই চোখে পড়ে। এবার ভিসা ফি সম্পূর্ণ তুলে দেওয়ার ফলে মধ্যবিত্ত পর্যটকদের মধ্যেও শ্রীলঙ্কা সফরের আগ্রহ আরও বাড়বে বলেই মনে করছে পর্যটন মহল। শ্রীলঙ্কা সরকারের ধারণা, এই নতুন উদ্যোগ দেশের হোটেল, পরিবহণ, রেস্তোরাঁ এবং স্থানীয় ব্যবসার ক্ষেত্রেও নতুন গতি আনবে। আরও পড়ুন: হরমুজ সঙ্কটের আবহে এই ছোট দেশের ‘মাস্টারস্ট্রোক’, তৈরি হচ্ছে রেল রুট, এশিয়া থেকে ইউরোপে পৌঁছবে পণ্য সেদেশের ইমিগ্রেশন দপ্তর জানিয়েছে, এই সুবিধা সব ধরনের বৈধ পাসপোর্টধারীদের জন্যই প্রযোজ্য হবে। তবে পর্যটকদের সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে যাতে কোনও ভুয়ো ওয়েবসাইট বা প্রতারণার ফাঁদে না পড়েন। আবেদনকারীদের শুধুমাত্র শ্রীলঙ্কা সরকারের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমেই ETA আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কারণ, অতীতে ভিসা পরিষেবার নামে প্রতারণার অভিযোগ সামনে এসেছে। প্রশাসনের বক্তব্য, অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া অত্যন্ত সহজ এবং কয়েকটি ধাপ পূরণ করলেই অনুমোদন পাওয়া যাবে। পর্যটকদের ব্যক্তিগত তথ্য এবং ভ্রমণ সংক্রান্ত নথি সুরক্ষিত রাখতে সরকার বিশেষ নজরদারিও চালু করেছে। একই সঙ্গে বিমানবন্দর এবং ইমিগ্রেশন কাউন্টারেও নতুন নিয়ম কার্যকর করার জন্য বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ভারত ছাড়াও বিশ্বের আরও ৩৯টি দেশের নাগরিক এই বিশেষ সুবিধার আওতায় আসছেন। তালিকায় রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, চিন, ফ্রান্স জার্মানি জাপান রাশিয়া সৌদি আরব ব্রিটেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সহ একাধিক দেশ। এছাড়াও পাকিস্তান, নেপাল, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড, তুরস্ক ও সুইজারল্যান্ডের মতো দেশও এই তালিকায় রয়েছে। আন্তর্জাতিক পর্যটনকে আরও উৎসাহ দিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে শ্রীলঙ্কা প্রশাসন। একই সঙ্গে মালদ্বীপ, সেশেলস এবং সিঙ্গাপুরের সঙ্গে শ্রীলঙ্কার বিশেষ পারস্পরিক ভ্রমণ চুক্তিও আগের মতো বহাল থাকবে। আরও পড়ুন: মেঘ, জঙ্গল আর ঝরনার মায়ায় মোড়া কালিম্পংয়ের এই অফবিট গ্রাম যেন স্বর্গের টুকরো পর্যটন বিশেষজ্ঞদের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার পর্যটন মানচিত্রে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতেই এই বড় পদক্ষেপ নিয়েছে শ্রীলঙ্কা (Sri Lanka)। বিশেষ করে ভারতীয় পর্যটকদের আকর্ষণ করার জন্য দীর্ঘদিন ধরেই নানা উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছিল। ভিসা ফি তুলে দেওয়ার ফলে এখন সেই প্রচেষ্টা আরও একধাপ এগোল। আন্তর্জাতিক বিমান যোগাযোগ বৃদ্ধি, পর্যটন অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং সহজ অনলাইন অনুমোদন ব্যবস্থার ফলে আগামী কয়েক মাসে শ্রীলঙ্কায় ভারতীয় পর্যটকের সংখ্যা রেকর্ড হারে বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে পর্যটন শিল্পকে হাতিয়ার করেই নতুন সম্ভাবনার দিকেই এগোতে চাইছে এই দ্বীপরাষ্ট্র।

    তৃণমূলের ‘খাস লোক’, এখন হঠাৎ ‘পালটি’! রানার পোস্ট নিয়ে বিষ্ফোরক তরুণজ্যোতি

    বাংলাহান্ট ডেস্ক : রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের সঙ্গে সঙ্গে বিনোদন ইন্ডাস্ট্রিতেও এসেছে পরিবর্তন। এতদিন বিনোদনের সঙ্গে কার্যত ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে গিয়েছিল রাজনীতি। প্রতি নির্বাচনের আগে তৃণমূলে তারকাদের যোগ দেওয়ার ধুম লাগত। কিন্তু পালাবদল হতেই এখন একের পর এক তারকার রঙ বদলানোর অভিযোগ উঠছে। এবার এমনই এক ব্যক্তির ‘স্বরূপ’ সামনে আনলেন বিজেপি বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারি (Tarunjyoti Tewari)। রানা সরকারকে নিয়ে বিষ্ফোরক তরুণজ্যোতি তিওয়ারি (Tarunjyoti Tewari) টলিউড পরিচালক রানা সরকারের কিছু পুরনো সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট শেয়ার করেছেন তরুণজ্যোতি। সেখানে দেখা যাচ্ছে, ২৯ এপ্রিল একটি পোস্ট করেছিলেন রানা সরকার। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, ‘ফিলিং লাইক মহালয়া, ৪ তারিখ বোধন’। বিজেপি বিরোধী পোস্ট: অপর একটি পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, ‘আমি বাঙালি, বাংলার সম্মান রক্ষার্থে কাল ভোট দেব।’ শুধু তাই নয়, প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ করেও পোস্ট করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। সেই সমস্ত পোস্ট তুলে ধরে এবার তীব্র কটাক্ষ শানালেন তরুণজ্যোতি (Tarunjyoti Tewari)। আরও পড়ুন : চালু নতুন পোর্টাল, যুবশক্তির জন্য কীভাবে করবেন আবেদন? রইল স্টেপ বাই স্টেপ গাইড কী লিখলেন তরুণজ্যোতি: বিজেপি বিধায়ক লিখেছেন, ‘আপনাদের সাথে অদ্ভুত এক লোকের সাথে পরিচয় করিয়ে দিই। তৃণমূলের খাস লোক ছিল কয়েকদিন আগেই। দেশের প্রধানমন্ত্রী, দেশের রাষ্ট্রপতি এবং পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি কে নিয়ে প্রায়ই উল্টাপাল্টা কথা বলতো এবং লিখতো।’ আরও পড়ুন : বদলে গেল ‘মুখ্যমন্ত্রীকে বলুন’, আগামী সপ্তাহ থেকেই শুরু ‘আপনার সরকারকে বলুন’, চালু নতুন নম্বর তিনি আরও লিখেছেন, ‘আজকাল হঠাৎ করে দেখছি বড্ড তৃণমূল বিরোধী হয়েছে। এদের ইন্ডাস্ট্রিটা আমি ঠিক বুঝিনা, তবে এই রকম জালি লোকদের ভালো রকম বুঝি। আমার কাছে কয়েকটা অভিযোগ এসেছে। সেগুলো নিয়ে কাজ শুরু হবে খুব তাড়াতাড়ি।’