Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    Long Island City

    -0.79°C

    Stormy
    4.12 km/h
    60%
    0.2h

    Latest News Videos

    Latest

    ডুরান্ড ডার্বির পরে ফের CFL-এও জিত মোহনবাগানের! হারের ধাক্কা কাটিয়ে জয়ে ফিরলো ইস্টবেঙ্গলও

    বাংলা হান্ট নিউজ ডেস্কঃ ডুরান্ড (Durand Cup 2026) ডার্বির (Kolkata Derby) পর আজ মাঠে নেমেছিল বঙ্গ ফুটবলের দুই প্রধান ইস্টবেঙ্গল (East Bengal) ও মোহনবাগান (Mohun Bagan)। দুই দলই কলকাতা লিগে (CFL 2026) এদিন নিজেদের ম্যাচে জয় পেয়েছে। প্রতিপক্ষ মামণি পাঠচক্রকে ৫-১ ফলে বিধ্বস্ত করে জয় পেয়েছে লাল হলুদ শিবির। ইউনাইটেড স্পোর্টসের বিরুদ্ধে বেশ কিছুটা ঘাম ঝড়িয়েই তারপর ১-০ ফলে জয় পেয়েছে সবুজ মেরুণ ব্রিগেড। এদিন দুই দলের ম্যাচ নিয়েই কথা বলার মতো বিষয় ছিল বিস্তর। ডার্বিতে সিনিয়র দল জয় পাওয়ার পর কলকাতা লিগের ম্যাচে ইউনাইটেড স্পোর্টসের বিরুদ্ধে মূলত জুনিয়রদের দিয়ে গড়া দল সহজেই জয় পাবে, এমনটা আশা করা হয়েছিল। কিন্তু কলকাতা লিগের এই ম্যাচে জয় পেতে প্রচুর পরিশ্রম করতে হয় মোহনবাগানকে। এদিন মোহনবাগানের বিরুদ্ধে পেনাল্টি পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন প্রাক্তন ইস্টবেঙ্গল তারকা জবি জাস্টিন। প্রথমার্ধের শেষদিকে গোল করেছিলেন মোহনবাগানের অভিজ্ঞ তারকা সুহেল ভাট। সেই গোলই শেষ পর্যন্ত নির্ণায়ক হয়ে দাঁড়ায়। ডার্বি জয়ী দল পরের ম্যাচে জয় পায় না, এমন ময়দানি সংস্কারকে মিথ্যে প্রমাণ করলো সবুজ মেরুণ শিবির। ম্যাচের পর রেফারিং নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন দুই দলের কোচই। প্রবল উত্তেজনার ম্যাচে এদিন হাতাহাতিতে জড়িয়ে রেফারির কাছ থেকে লাল কার্ড দেখেন ইউনাইটেডের অমিত টুডু এবং অভিজ্ঞ ফুটবলার জবি জাস্টিন। ম্যাচের পরে রেফারিং নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন মোহনবাগান কোচ বাস্তব রায়। তার মতে জবি মোহনবাগান ফুটবলার উমেরের ওপর হাত তুলেছে, তাতে তার আরও তিন ম্যাচ সাসপেন্ড হওয়া উচিত বাস্তব রায়। এছাড়াও দলের একটি গোল বাতিল হওয়ার বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন তুলেন বাস্তব রায়। অপরদিকে রেফারিং নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন ইউনাইটেড স্পোর্টস কোচ ইয়ান ল-ও। নিরপেক্ষ ভেন্যুতে ম্যাচ হলে অন্য ফলাফলও হতে পারত বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। এই বিষয়ে আইএফএ-র কাছে অভিযোগ জানাবে দল, এমনটাও বলেছেন তিনি। আরও পড়ুন: মরশুমের শুরুতেই চমক! ডার্বি হারের পর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে গোল করা তারকাকে দলে নিলো ইস্টবেঙ্গল অপরদিকে ডার্বির স্মৃতি ভুলিয়ে কলকাতা লিগে নিজেদের জয়যাত্রা অব্যাহত রেখেছে ইস্টবেঙ্গল। কলকাতা লিগের ম্যাচে মামণি পাঠচক্রকে ৫-১ গোলে হারানোর দিনে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে জোড়া গোল করেন মোহনবাগানে গত বছর নিজেকে প্রমাণের পর্যাপ্ত সুযোগ না পাওয়া উত্তম হাঁসদা ও দরিদ্র কৃষক পরিবার থেকে উঠে আসা আকাশ হেমব্রম। বাকি একটি গোল করেছেন মহম্মদ বিলাল। আরও পড়ুন: মেসিকে আবার ফাইনাল খেলার সুযোগ দিতে হবে! FIFA-র ওপর প্ৰবল ক্ষুব্ধ আর্জেন্টিনা সমর্থকরা করছেন সই সংগ্রহ অপরদিকে ইস্টবেঙ্গল সিনিয়র দলের অনুশীলনে এদিন যোগদান করেন স্প্যানিশ ডিফেন্ডার নাচো মনসালভে। তার পাশাপাশি অনেক আশা নিয়ে দলে যুক্ত করানো ভারতীয় ফুটবলার নরেন্দ্র গেহলটকেও এবার থেকে অনুশীলনে পাবেন হাবাস। ডার্বি হারলেও হাবাসের ওপর যে ম্যানেজমেন্টের পূর্ণ ভরসা রয়েছে, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন ইস্টবেঙ্গল শীর্ষকতা দেবব্রত সরকার।  

    0 0 0

    মাসে মাসে হাতে আসতে পারে ২০-৩০ হাজার! ৩ মাসের এই ট্রেনিং কোর্সের খুঁটিনাটি জানুন

    বাংলা হান্ট ডেস্কঃ তিন মাসের এক ট্রেনিং কোর্সেই (Self Employment Training) মিলতে পারে আয়ের দিশা। মাসে মাসে হাতে আসতে পারে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা। যুবসমাজকে স্বনির্ভর করে তুলতে এমনই ভূমিকা পালন করছে সেডি (SEDI)। এখানে অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকদের থেকে আধুনিক পোশাক তৈরির প্রশিক্ষণ পেয়ে স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছেন অনেকে। তিন মাসের বিশেষ ট্রেনিং কোর্স | (Self Employment Training) ধুলোগড় আম্বুজা ফাউন্ডেশন সেডি শিবিরে বাস্তবসম্মত পরিবেশে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এখানে রোজ সকালে টানা কয়েক ঘণ্টা ধরে ক্লাস চলে। থিওরির পাশাপাশি অত্যাধুনিক ইলেকট্রিক মেশিনে প্র্যাক্টিক্যালি সেলাই শেখানো হয়। সেই সঙ্গেই মডেল প্রেজেন্টেশন, বেসিক কম্পিউটার ও সফট স্কিলের উপরেও বিশেষ জোর দেওয়া হয়। আরও পড়ুনঃ রাজ্য পুলিশে ১ লক্ষ চাকরি! নিয়োগের খুঁটিনাটি নিয়ে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর এই প্রশিক্ষণ শিবিরে সময়োপযোগী ও আধুনিক পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ফলে মাত্র তিন মাসের মধ্যে প্রশিক্ষণ পেয়ে স্বনির্ভর হয়ে ওঠার জন্য হাওড়ার যুবক-যুবতীদের কাছে এটি একটি দারুণ সুযোগ। জানা গিয়েছে, এখানে এত সুন্দরভাবে কাজ শেখানোর ফলে এখানকার শিক্ষার্থীরা কর্মক্ষেত্রে বাকিদের তুলনায় অগ্রাধিকার পান। বিগত কয়েক বছরে এখান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে বহু শিক্ষার্থী মাসে মাসে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা আয় করছেন। তিন মাসের এই ট্রেনিং কোর্সে আবেদনের ক্ষেত্রে নূন্যতম অষ্টম শ্রেণি পাশ হলেই চলে। নামমাত্র রেজিস্ট্রেশন ফি দিয়ে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পান প্রার্থীরা। কোর্স শেষে সার্টিফিকেটের পাশাপাশি বিভিন্ন সংস্থায় কাজের সুযোগও করে দেওয়া হয়। এই বিষয়ে বিস্তারিত জানতে ৭৯৮০৭২০৮৬৮ বা ৯৭৪৮৪০৭৯০০ নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন। নারী থেকে পুরুষ, বর্তমান সময়ে নিজের পায়ে দাঁড়াতে চান প্রত্যেকে। তিন মাসের এই ট্রেনিং কোর্স জেলার যুবসমাজকে সেই সুযোগই করে দিচ্ছে। এখান থেকে কাজ শিখে আয়ের দিশা খুঁজে পেয়েছেন অনেকে। মাসে মাসে ভালো টাকা রোজগার করছেন তাঁরা।

    সরকারি কর্মীদের হাজিরায় বড় বদল! পশ্চিমবঙ্গে আসছে জিও-ফেন্সড মোবাইল অ্যাটেনডেন্স ব্যবস্থা

    বাংলা হান্ট ডেস্ক : সরকারি কর্মীদের (Government Employees) হাজিরা ব্যবস্থায় বড়সড় বদলের পথে পশ্চিমবঙ্গ সরকার (West Bengal Government)। ভবিষ্যতে অফিসে উপস্থিতি নথিভুক্ত করতে আর আলাদা বায়োমেট্রিক মেশিনের উপর নির্ভর করতে হবে না। তার বদলে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট এলাকায় থেকেই উপস্থিতি জানাতে পারবেন কর্মীরা। এই নতুন ব্যবস্থার জন্য সম্প্রতি একটি নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে সরকার। সরকারি কর্মীদের (Government Employees) হাজিরা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন সরকারের নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতিটি সরকারি অফিসের জন্য একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমা নির্ধারণ করা হবে। কর্মীরা সেই সীমার মধ্যে প্রবেশ করলেই স্মার্টফোনে নির্দিষ্ট অ্যাপ ব্যবহার করে হাজিরা নথিভুক্ত করতে পারবেন। ফলে অফিসে আলাদা ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ফেস রিকগনিশন ডিভাইস বসানোর প্রয়োজন থাকবে না। সরকারের দাবি, কয়েকটি দপ্তরে পরীক্ষামূলকভাবে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ইতিবাচক ফলও মিলেছে। এর আগে ফেস রিকগনিশনভিত্তিক বায়োমেট্রিক ব্যবস্থা চালুর প্রস্তুতি চলছিল। সেই লক্ষ্যেই বিভিন্ন সরকারি দপ্তর WTL এবং WEBEL-এর সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছিল। তবে নতুন নির্দেশিকায় হার্ডওয়্যারনির্ভর ব্যবস্থার পাশাপাশি সফটওয়্যারভিত্তিক বিকল্প ব্যবস্থাকেও অনুমোদনের কথা বলা হয়েছে। ফলে প্রয়োজন অনুযায়ী দপ্তরগুলি নিজেদের উপযোগী ব্যবস্থা বেছে নিতে পারবে। প্রশাসনের মতে, এই প্রযুক্তি চালু হলে একাধিক সুবিধা মিলবে। ব্যয়বহুল যন্ত্র কেনা কিংবা নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের খরচ অনেকটাই কমবে। নতুন অফিসে এই ব্যবস্থা চালু করতেও বেশি সময় লাগবে না। একইসঙ্গে হাজিরা দেওয়ার জন্য কর্মীদের আর নির্দিষ্ট মেশিনের সামনে অপেক্ষা করতে হবে না। অফিস চত্বরে পৌঁছেই কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে মোবাইলের মাধ্যমে উপস্থিতি রেকর্ড করা সম্ভব হবে। ২৪ জুলাই-এ জারি হওয়া নির্দেশিকায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরকে এই প্রযুক্তি গ্রহণের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুন :করোনা তহবিলেও কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি! চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট সামনে আগ্রহী দপ্তরগুলিকে WTL অথবা WEBEL-এর সঙ্গে যোগাযোগ করার কথাও জানানো হয়েছে। প্রশাসনের আশা, প্রযুক্তিনির্ভর এই উপস্থিতি ব্যবস্থা চালু হলে সরকারি অফিসে স্বচ্ছতা, সময়ানুবর্তিতা এবং প্রশাসনিক দক্ষতা আরও বাড়বে। পাশাপাশি হাজিরা সংক্রান্ত প্রক্রিয়াও হবে অনেক বেশি সহজ ও ঝামেলামুক্ত।

    করোনা তহবিলেও কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি! চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট সামনে

    বাংলা হান্ট ডেস্ক : করোনা অতিমারির (COVID) সময় কেন্দ্রের দেওয়া বিপুল আর্থিক সহায়তা এবং চিকিৎসা পরিকাঠামো কাজে লাগায়নি তৎকালীন তৃণমূল সরকার (Trinamool Congress)। এবার ক্যাগ (CAG)-এর সাম্প্রতিক রিপোর্ট সামনে আসতেই সেই প্রশ্নই নতুন করে উঠে এসেছে। করোনা নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ উঠছে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে। ক্যাগ রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী কেয়ার্স তহবিলের অর্থে সরবরাহ করা একাধিক অক্সিজেন প্ল্যান্ট ও ভেন্টিলেটর দীর্ঘদিন ব্যবহারই করা হয়নি। কোভিড নিয়েও দুর্নীতির অভিযোগ তৃণমূলের (Trinamool Congress) বিরুদ্ধে কোভিডকালে কেন্দ্রের দেওয়া বরাদ্দের বড় অংশও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে খরচ হয়নি বলে উল্লেখ করা হয়েছে ক্যাগ রিপোর্টে। ২০২৪ সালের ক্যাগ রিপোর্টে পশ্চিমবঙ্গের করোনা-পর্বের স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে তথ্য উঠে এসেছে । গত শুক্রবার বিধানসভায় সেই রিপোর্ট পেশ করা হয়। সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২২ সালের মার্চ পর্যন্ত করোনা মোকাবিলায় পশ্চিমবঙ্গকে বিশেষ আর্থিক সহায়তা দেয় কেন্দ্র। কিন্তু রিপোর্টে বলা হয়েছে, সেই বরাদ্দের প্রায় ৬৫ শতাংশই অব্যবহৃত থেকে যায়। অর্থাৎ ৬৫৯ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা খরচই করা হয়নি। এত বিপুল অর্থ ব্যয় না হওয়ার কারণ কী, সেই প্রশ্নও উঠেছে রিপোর্ট ঘিরে। শুধু অর্থ ব্যয়ের বিষয়ই নয়, চিকিৎসা পরিকাঠামো ব্যবহারের ক্ষেত্রেও একাধিক অসঙ্গতির কথা তুলে ধরা হয়েছে। ক্যাগ আরও জানিয়েছে, করোনা চিকিৎসার জন্য পাঠানো ভেন্টিলেটর ও অক্সিজেন কনসেনট্রেটরের বড় অংশও কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যায়নি। বহু হাসপাতাল সেই যন্ত্রপাতি পেয়েও রোগী পরিষেবায় কাজে লাগাতে পারেনি বলে রিপোর্টে উল্লেখ রয়েছে। পিএম কেয়ার্স তহবিল এবং কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (CSR)-এর মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গে মোট ৭৫টি অক্সিজেন প্ল্যান্ট পাঠানো হয়েছিল। অথচ ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত তার মধ্যে মাত্র ৩২টি চালু করা সম্ভব হয়েছে বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। বাকি ৪৩টি প্ল্যান্ট কেন চালু হল না বা সেগুলির বর্তমান অবস্থা কী, তার স্পষ্ট ব্যাখ্যা নেই। রিপোর্টের তথ্য অনুযায়ী, একটি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পিএম কেয়ার্স প্রকল্পে পাওয়া পাঁচটি ভেন্টিলেটর ২০২২ সালের মার্চ পর্যন্ত গুদামেই পড়ে ছিল। একই হাসপাতালে আরও তিনটি ভেন্টিলেটর স্টোররুমে প্যাকেটবন্দি অবস্থায় পড়ে থাকতে থাকতে পরে অকেজো হয়ে যায়। আরও পড়ুন :‘২০% DA কথাটা শুনতে ভালো লাগে কিন্তু..,’ রাজ্য সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ একই ধরনের চিত্র দেখা গিয়েছে রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালেও। সেখানে ২০২০ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে পাওয়া ১৭টি আইসিইউ ভেন্টিলেটর দীর্ঘদিন চালু করা যায়নি বলে রিপোর্টে উল্লেখ রয়েছে। পাশাপাশি, পিএম কেয়ার্স তহবিলের আওতায় পাঠানো পাঁচটি অক্সিজেন কনসেনট্রেটরও হাসপাতালের স্টোরেই অব্যবহৃত অবস্থায় পড়েছিল। রিপোর্টে ওঠা এই তথ্যগুলি ঘিরে একাধিক প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। করোনা সংকটের সময় যখন অক্সিজেন, ভেন্টিলেটর এবং চিকিৎসা পরিকাঠামোর অভাবে দেশজুড়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল, তখন কেন্দ্রের পাঠানো বিপুল অর্থ ও সরঞ্জামের বড় অংশ কেন ব্যবহার করা গেল না, সেই প্রশ্নের উত্তর এখনও স্পষ্ট নয়।