Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    হকারদের জন্য বড় ধাক্কা! ভোটার তালিকায় নাম না থাকলে মিলবে না লাইসেন্স, শহরে কড়া নজরদারি

    1 month ago

    বাংলা হান্ট ডেস্ক : কলকাতার রাস্তাঘাট, ফুটপাতকে আরও সুশৃঙ্খল করে তুলতে একাধিক বড় সিদ্ধান্ত নিল কলকাতা পুরসভা (Kolkata Municipal Corporation)।কলকাতার রাস্তাঘাট হকার (Hawker)মুক্ত করতে এই নয়া সিদ্ধান্ত। যানজট কমানো, পথচারীদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা এবং শহরের ঐতিহ্যবাহী চেহারা ফিরিয়ে আনতেই এই উদ্যোগ বলে প্রশাসনের দাবি। সেই লক্ষ্যেই ধাপে ধাপে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা, মোড় এবং সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের আশপাশে হকার নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

    কলকাতায় হকার নিয়ন্ত্রণে (Hawker) বড় সিদ্ধান্ত

    পুরসভা ও পুলিশ যৌথভাবে শহরের ৫৮টি গুরুত্বপূর্ণ বড় রাস্তার ক্রসিংকে হকারমুক্ত করার কাজ শুরু করতে চলেছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতিটি ক্রসিংয়ের দু’দিকে ৪৫ ফুটের মধ্যে কোনও হকার বসতে পারবেন না। একইসঙ্গে কলকাতার কালো পিচের রাস্তার উপর যাতে কোনও ধরনের হকারি না হয়, তা নিশ্চিত করতে পুলিশকে সার্বক্ষণিক নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    শুধু তাই নয়, শহরের সমস্ত স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, সরকারি দপ্তর, শপিং মল, পুরসভা পরিচালিত বাজার এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের প্রবেশপথের দুপাশ সম্পূর্ণ খালি রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুর কমিশনার ও প্রশাসক স্মিতা পাণ্ডে জানিয়েছেন, ওই সব জায়গায় থাকা হকারদের দ্রুত সরে যেতে হবে। যদিও আপাতত ব্যাপক উচ্ছেদ অভিযান শুরু করা হচ্ছে না, তবে শহরের সৌন্দর্য ও চলাচলের সুবিধা ফিরিয়ে আনতে ধাপে ধাপে কঠোর ব্যবস্থা কার্যকর হবে।

    রবিবার হকার ইস্যুতে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ বলেন, “কলকাতায় একেই ছোট রাস্তা। গাড়িঘোড়ার জ্যাম। পরিষ্কার করতে হবে। হকাররা নিজেরা সরে গেলেই ভালো।” টাউন ভেন্ডিং কমিটির প্রথম বৈঠকে লাইসেন্স সংক্রান্ত বিষয়েও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসআইআর প্রক্রিয়ার পরে যাঁদের নাম ভোটার তালিকায় থাকবে না, তাঁদের আর ভেন্ডিং লাইসেন্স দেওয়া হবে না বলে স্থির হয়েছে। আগের সরকারের আমলে ৮,৭২৭ জনকে ভেন্ডিং সার্টিফিকেট দেওয়ার জন্য যে তালিকা তৈরি হয়েছিল, তাঁদের প্রত্যেককে নতুন করে এসআইআর-সংক্রান্ত নথি জমা দিতে বলা হয়েছে।

    প্রশাসনের অভিযোগ, কয়েকজন ইউনিয়ন নেতা মোটা টাকার বিনিময়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের হকারি করার সুযোগ করে দেওয়ার পাশাপাশি ভেন্ডিং লাইসেন্স পাইয়ে দেওয়ার কাজ করছিলেন। সেই অভিযোগ খতিয়ে দেখে সংশ্লিষ্টদের চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। পাশাপাশি রেলস্টেশন এলাকা থেকে উচ্ছেদ হওয়া কিছু হকার রাতের অন্ধকারে শহরের বিভিন্ন গলিতে নতুন করে বসে পড়ছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। এই প্রবণতা বন্ধ করতে পুলিশকে কড়া নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।‌

    প্রসঙ্গত, টাউন ভেন্ডিং কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে ধর্মতলা, পার্ক স্ট্রিট, বিবাদী বাগ-সহ মোট ১,৮৯২টি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় কোনও হকার বসতে দেওয়া হবে না। এরপর দ্বিতীয় ধাপে আরও প্রায় দুহাজার ব্যস্ত রাস্তা সমীক্ষার মাধ্যমে চিহ্নিত করে সেগুলিকেও ‘নো-হকিং জোন’ ঘোষণা করার পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যেই সংশ্লিষ্ট কমিটির সদস্যদের নিয়ে যৌথ সমীক্ষা শুরু হবে। ২০২৪ সালের সমীক্ষায় শহরে ৫৬ হাজার হকারের তালিকা তৈরি হলেও প্রশাসনের দাবি, সেই তালিকায় বহু ভুয়ো নাম রয়েছে।

    If your name is not in voter list, you will not get a hawker license

    আরও পড়ুন : আয়ুষ্মান ভারত কার্ডে পরিবারের নতুন সদস্যের নাম যোগ করতে চান? কী করতে হবে জানুন

    হকার সংগঠনগুলির বক্তব্য, কলকাতায় প্রকৃত হকারের সংখ্যা ২ লক্ষ ৭৫ হাজারেরও বেশি। ফলে নতুন সমীক্ষা ও যাচাই প্রক্রিয়ার পরই শহরের হকার নীতির চূড়ান্ত রূপরেখা স্পষ্ট হবে। প্রশাসনের আশা, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে একদিকে যেমন পথচারীদের চলাচল সহজ হবে, অন্যদিকে কলকাতার ঐতিহ্যবাহী নগরচিত্রও ধীরে ধীরে ফিরে আসবে।

    Click here to Read More
    Previous Article
    ৩০০০ টাকার আশায় জল! একের পর এক অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদন বাতিল, ধুলিয়ানে বিক্ষোভ মহিলাদের
    Next Article
    আয়ুষ্মান ভারত কার্ডে পরিবারের নতুন সদস্যের নাম যোগ করতে চান? কী করতে হবে জানুন

    Related পশ্চিমবঙ্গ Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment