Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    মাঝপথে আর থামবে না পড়াশোনা! স্কুলছুট আটকাতে এবার মাস্টারস্ট্রোক রাজ্য সরকারের

    1 day ago

    বাংলা হান্ট ডেস্কঃ শিক্ষার আলোয় আলোকিত হোক সবাই। সেই সঙ্গেই দূর হোক স্কুলছুট তথা ড্রপ আউটের (School Dropout) সমস্যা। এবার এই দুই লক্ষ্য সামনে রেখে বড় পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার (Government of West Bengal)। বৃহস্পতিবার বিকাশ ভবনে রাজ্যের সমগ্র শিক্ষা মিশন ও জাতীয় মুক্ত বিদ্যালয় সংস্থান তথা এনআইওএসের মধ্যে মউ স্বাক্ষরিত হল।

    স্কুলছুট আটকাতে বিরাট পদক্ষেপ রাজ্যের | (School Dropout)

    এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের স্কুল শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মন। রাজ্যের এই পদক্ষেপের ফলে কীভাবে সাধারণ মানুষ উপকৃত হবেন তার ব্যাখ্যা দেন তিনি। দীপক বলেন, “শিক্ষার অধিকার আইন ও জাতীয় শিক্ষানীতির অন্যতম প্রধান এবং মূল লক্ষ্যই হল, দেশের কোনও শিশু যেন কোনও অবস্থাতেই শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত না হয়। তবে বাস্তবে অনেক সময় উল্টো ছবি দেখা যায়। নানা ধরণের আর্থিক ও সামাজিক অনটনের জন্য কিংবা মা-বাবা কাজের খোঁজে ভিনরাজ্যে স্থানান্তরিত হলে শিশুদের পড়াশোনা বিঘ্নিত হয় ও তাঁরা স্কুলছুট হয়ে পড়ে।“

    আরও পড়ুনঃ ২১ জুলাইয়ের পর ২৮ আগস্ট! কালীঘাট তৃণমূল ও নতুন তৃণমূলের মধ্যে ফের দড়ি টানাটানি?

    স্কুল শিক্ষামন্ত্রী জানান, রাজ্যের শিক্ষা দফতরের এই পদক্ষেপের ফলে কোনও শিক্ষার্থী এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে স্থানান্তরিত হলেও তাঁর পড়াশোনা বন্ধ হবে না। এর ফলে উপকৃত হবেন পরিযায়ী শ্রমিকদের সন্তানরাও।

    উদাহরণ দিয়ে দীপক বলেন, কোনও পড়ুয়া যদি কেরালায় থাকাকালীন NIOS-এ রেজিস্টার করে ও পরবর্তীতে নিজের পরিবারের সঙ্গে ওড়িশায় চলে যায়, তাহলেও তাঁর পরীক্ষায় বসতে কোনও সমস্যা হবে না। সেই পড়ুয়া ওড়িশার যে কোনও নির্ধারিত সেন্টারে নিজের মাতৃভাষায় পড়াশোনা ও পরীক্ষা চালিয়ে যেতে পারবে। এছাড়া এই ব্যবস্থার মাধ্যমে তরুণ-তরুণী থেকে বয়স্করাও উপকৃত হবেন। যারা অতীতে কোনও কারণে পড়াশোনা সম্পূর্ণ করতে পারেননি, তাঁরাও চাইলে এই ব্যবস্থার মাধ্যমে ফের পড়াশোনা শুরু করতে পারবেন।

    শিক্ষা দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এই যৌথ সমন্বিত কাঠামোর অধীন প্রাথমিক, উচ্চ প্রাথমিক, মাধ্যমিক থেকে শুরু করে উচ্চ মাধ্যমিক অবধি সকল স্তরের পড়াশোনা করা যাবে। সরকার জানিয়েছে, এনআইওএস থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক উত্তীর্ণদের যে শংসাপত্র দেওয়া হবে তা কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার দ্বারা সম্পূর্ণভাবে স্বীকৃত। দেশের যে কোনও স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি দফতর, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বড় বড় বেসরকারি সংস্থায় এই সার্টিফিকেটের গ্রহণযোগ্যতা বাকি সকল বোর্ডের মতোই।

    School dropout

    এছাড়া এই পদ্ধতিতে সাধারণ স্কুলের মতো এক বছরের মধ্যে কোর্স শেষ করার বাধ্যবাধকতা নেই। পড়ুয়ারা নিজের সুবিধা মতো সময়ে পড়াশোনা শেষ করতে পারবে ও পরীক্ষা দিতে পারবে। তবে নিয়ম অনুযায়ী, একবার নাম রেজিস্টার করে ফেলার পর সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের মধ্যে সম্পূর্ণ কোর্সটি চূড়ান্তভাবে সম্পন্ন করতে হবে।

    মিড ডে মিল থেকে শুরু করে শিক্ষক নিয়োগ, রাজ্যে পালাবদলের পর শিক্ষাক্ষেত্রে একাধিক উল্লেখযোগ্য ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। এবার স্কুলে ড্রপ আউটের হার কমাতে বিরাট পদক্ষেপ নেওয়া হল। এর ফলে কীভাবে পড়ুয়ারা উপকৃত হবেন তা জানিয়েছেন স্কুল শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মন।

    Click here to Read More
    Previous Article
    রেশন কার্ড বাতিলের আশঙ্কা? এই ৫টি শর্ত পূরণ করেছেন কি না, এখনই দেখে নিন
    Next Article
    ২১ জুলাইয়ের পর ২৮ আগস্ট! কালীঘাট তৃণমূল ও নতুন তৃণমূলের মধ্যে ফের দড়ি টানাটানি?

    Related পশ্চিমবঙ্গ Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment