Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    ভোটার তালিকায় নাম নেই, তবুও প্রিসাইডিং অফিসারের ডিউটি—রানাঘাটে শিক্ষিকার ভোগান্তি চরমে

    6 hours ago

    বাংলা হান্ট ডেস্ক : ভোটের (West Bengal Assembly Election) আগে ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিভ্রাট নতুন নয়, তবে এবার যা ঘটেছে তা রীতিমতো বিস্ময়কর। ভোটার তালিকায় (Voter list) নাম নেই এদিকে ওই ব্যক্তিকেই ভোট পরিচালনার গুরু দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এমনই ঘটনা ঘটেছে নদিয়ার রানাঘাটের এক শিক্ষিকার সঙ্গে। এই পরিস্থিতি নিয়ে দোটানায় পড়েছেন তিনি।

    ভোটার তালিকা (Voter list) নিয়ে সরব শিক্ষিকা

    জানা গেছে, নদিয়ার রানাঘাটের বাসিন্দা শিক্ষিকা মিঠু খাতুন, কর্মরত রানাঘাট লালগোপাল উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি শিক্ষকতা পেশার সঙ্গে যুক্ত। এমনকি শিক্ষিকা জানিয়েছেন, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তার নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল। কিন্তু ভোটার লিস্টে নাম থাকা সত্ত্বেও তাকে শুনানির মুখোমুখি হতে হয়। যদিও পরিবারের অন্য সকলের নাম ভোটার তালিকায় ওঠে। তবে এত কিছু করেও চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় তার নামটি বাদ পড়ে। এ নিয়েই বেজায় দুশ্চিন্তায় রয়েছেন ওই শিক্ষিকা। ‌

    এই সমস্যার মাঝেই নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালনের নির্দেশ এসেছে। শিক্ষিকা অভিযোগ করেন, নাম বাদ পড়ার পরেও তাকে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করতে হয়েছে। বর্তমানে ভোটার তালিকায় তার নাম না থাকার জন্য তিনি প্রিসাইডিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করতে অনীহা প্রকাশ করেছেন। তাঁর কথায়, “ভোটার তালিকায় নামই যখন নেই, সেখানে ভোট কীভাবে করব?”

    প্রসঙ্গত, শুনানির সময় প্রয়োজনীয় সমস্ত নথি জমা করেছিলেন ওই শিক্ষিকা। এমনকি জমা দিয়েছিলেন তার পাসপোর্ট। গুরুত্বপূর্ণ নথি জমা করেও ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হতে হয়। আর তাতেই মানসিক চাপে হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। তবে, এই প্রথম যে ভোটের দায়িত্ব পেয়েছেন এমনটা নয়‌। এর আগে একাধিকবার ভোট কর্মীর দায়িত্ব পালন করেছেন। ট্রাইবুনালে আবেদন জানিয়েও এখনও পর্যন্ত ভোটাধিকারের স্বীকৃতি পাননি তিনি।

    Name not in voter list, yet Presiding Officer on duty - Teacher's suffering

    আরও পড়ুন : নির্বাচনের আগে অলিতে গলিতে নজর রাখতে, টহল দেবে কলকাতা পুলিশের বাইক বাহিনী

    এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয়ের পরিচালন সমিতির সভাপতিও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁর দাবি, “শিক্ষিকার একার নয় এই বিদ্যালয়ের আরেকজন চতুর্থ শ্রেণীর কর্মীরও নাম বাদ গিয়েছে। অপরিকল্পিত ভাবে এসএইআর করার কারণেই এই হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে সকলকে।” এই সম্পূর্ণ ঘটনাটি প্রশাসনিক সমন্বয়ের অভাব এবং ত্রুটিপূর্ণ প্রক্রিয়ার দিকেই ইঙ্গিত করছে। দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা সংকট তৈরি হতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

    Click here to Read More
    Previous Article
    ভোটে অনুপস্থিতি কি শাস্তিযোগ্য? মামলার শুনানিতে বড় মন্তব্য করল সুপ্রিম কোর্টে
    Next Article
    চাকরি না পেলেও মিলবে টাকা! যুবদের জন্য বিজেপির ‘যুবশক্তি কার্ড’-এ বড় প্রতিশ্রুতি

    Related পশ্চিমবঙ্গ Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment