Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    সিলিন্ডার ছাড়াই রান্না! হাইড্রোজেন স্টোভে চমক, জ্বালানি সঙ্কটে বিকল্প পথে হাঁটছে দেশ

    1 hour ago

    বাংলাহান্ট ডেস্ক: এলপিজির বিকল্প হিসেবে এবার ব্যবহার বাড়ছে হাইড্রোজেন স্টোভের (Hydrogen Stove)। পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব সরাসরি পড়ছে ভারতীয়দের দৈনন্দিন জীবনে। জ্বালানির দামের ঊর্ধ্বগতির কারণে বেড়েছে এলপিজি গ্যাসের দাম, যার ফলে গৃহস্থালির খরচে নতুন চাপ তৈরি হয়েছে। একটি সমীক্ষা অনুযায়ী, জ্বালানি সঙ্কটের জেরে দেশের প্রায় ৪৩ শতাংশ এলপিজি গ্রাহক নির্ধারিত সময়ের তুলনায় দেরিতে সিলিন্ডার পাচ্ছেন। ফলে বিকল্প জ্বালানির খোঁজে সাধারণ মানুষ ক্রমশ আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

    জ্বালানি সঙ্কটের আবহে চাহিদা বাড়ছে হাইড্রোজেন স্টোভের (Hydrogen Stove)

    এই পরিস্থিতিতে নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে হরিয়ানার উদ্যোগপতি সঞ্জীব চৌধুরির সংস্থা ‘Greenvize’। তারা বাজারে এনেছে হাইড্রোজ়েন স্টোভ, যা প্রচলিত এলপিজি গ্যাসের বিকল্প হিসেবে ভাবা হচ্ছে। এই চুল্লিতে ব্যবহৃত হচ্ছে গ্রিন হাইড্রোজ়েন, যা পরিবেশবান্ধব এবং দূষণমুক্ত জ্বালানি হিসেবে পরিচিত। প্রচলিত এলপিজিতে যেখানে প্রোপেন ও বিউটেন ব্যবহার করা হয়, সেখানে এই নতুন প্রযুক্তি সম্পূর্ণ ভিন্ন পথে এগোচ্ছে।

    আরও পড়ুন:গরমে বাড়তি ভিড় সামলাতে রেলের বড় পদক্ষেপ, চালু হচ্ছে তিনটি স্পেশাল ট্রেন—কোন রুটে চলবে জানুন

    এই হাইড্রোজ়েন স্টোভে রয়েছে দুটি বার্নার, যা সাধারণ গ্যাস চুলোর মতোই ব্যবহার করা যায়। স্টেইনলেস স্টিল দিয়ে তৈরি হওয়ায় এটি টেকসই এবং দীর্ঘস্থায়ী বলেই দাবি সংস্থার। শুধু গৃহস্থালিই নয়, বাণিজ্যিক ক্ষেত্রেও এটি সমান কার্যকর হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। টেবিলের উপর বসিয়ে ব্যবহারযোগ্য এই চুল্লি দেশলাই বা গ্যাস লাইটার দিয়েই সহজে জ্বালানো যায়, ফলে ব্যবহারকারীদের জন্য আলাদা কোনও জটিল পদ্ধতির প্রয়োজন হয় না।

    প্রযুক্তিগত দিক থেকে এই চুল্লি কাজ করে ‘ক্যাটালিটিক হাইড্রোজেন বার্নার’ হিসেবে। এতে এলপিজির মতো গ্যাস সিলিন্ডার সংরক্ষণের প্রয়োজন হয় না। বরং জলকে বিদ্যুতের সাহায্যে ইলেকট্রোলাইসিস প্রক্রিয়ায় ভেঙে হাইড্রোজ়েন উৎপন্ন করা হয় এবং সেই গ্যাসই রান্নার জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এতে একটি নিয়ন্ত্রক বা রেগুলেটর রয়েছে, যার মাধ্যমে শিখার তীব্রতা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। ফলে ব্যবহারিক দিক থেকেও এটি অনেকটা পরিচিত গ্যাস চুলোর মতোই সুবিধা দেয়।

    Amidst the fuel crisis, the demand for hydrogen stove is on the rise.

    আরও পড়ুন:টাকা গেছে অন্যের অ্যাকাউন্টে? UPI ভুল হলে কী করবেন জানুন

    সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, এই স্টোভ থেকে কোনও কার্বন নির্গমন হয় না। কার্বন মনোক্সাইড বা ক্ষতিকর গ্যাস নির্গত না হওয়ায় এটি পরিবেশের জন্য নিরাপদ। রান্নার সময় ধোঁয়া বা অতিরিক্ত শব্দও তৈরি হয় না। তবে এই প্রযুক্তির দাম এখনও বেশ চড়া, প্রতি ইউনিট প্রায় ১.৫ লক্ষ টাকা। ফলে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে আনতে আরও সময় লাগতে পারে। তবুও জ্বালানি সঙ্কটের এই সময়ে হাইড্রোজ়েন স্টোভ (Hydrogen Stove) ভবিষ্যতের সম্ভাবনাময় বিকল্প হিসেবে উঠে আসছে, যদিও এলপিজির সম্পূর্ণ বিকল্প হিসেবে এর কার্যকারিতা নিয়ে এখনও গবেষণা চলছে।

    Click here to Read More
    Previous Article
    কাকেরও নজর ভোটে!
    Next Article
    একি কাণ্ড! ভয় পেলেন মুখ্যমন্ত্রী, মমতার পদযাত্রায় ছুটে এলেন এক যুবক

    Related ভারত Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment