Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    মোদীর সভার জেরে ভেস্তে গেল হেমন্ত সোরেনের ঝাড়গ্রাম সফর, বিজেপির ‘দোষ’ বলল তৃণমূল

    3 hours ago

    বাংলা হান্ট ডেস্ক : ঝাড়গ্রামে রাজনৈতিক কর্মসূচি ঘিরে নতুন করে বিতর্কের আবহ তৈরি হয়েছে।ঝাড়গ্রামে তৃণমূলের সভায় উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও শেষ মুহূর্তে পৌঁছতে পারেননি ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন (Hemant Soren)। ওইদিনই নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) সভা থাকায় এলাকাজুড়ে ‘নো ফ্লাই জোন’ ঘোষণা করা হয়, যার জেরেই সোরেনের হেলিকপ্টারকে আকাশপথে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি।

    প্রধানমন্ত্রীর (Narendra Modi) সভার জন্য বাতিল তৃণমূলের সভা

    এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল অভিযোগের আঙুল তুলেছে বিজেপির দিকে। তৃণমূলের অভিযোগ, হেলিপ্যাডে যাওয়ার পথে নরেন্দ্র মোদীর ঝালমুড়ি খাওয়ার ঘটনাও রাজনৈতিকভাবেই ঘটানো হয়েছে। তার জেরেই হেমন্ত সোরেনের কর্মসূচি কার্যত বাতিল হয়ে যায়। জানা গেছে, পশ্চিমবঙ্গে হেমন্ত সরেনের যাত্রা আগে থেকেই ঠিক ছিল। প্রথমে কেশিয়াড়িতে ও পরে ঝাড় গ্রামের লালগড়ে সভা করার কথা ছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর কেশিয়াড়িতে সভা করলেও লালগড়ে সভা করতে আসতে পারেননি তিনি। শেষ পর্যন্ত আকাশপথে অনুমতি না মেলায়, রাঁচিতে ফিরে যান হেমন্ত সোরেন।

    ঝাড়গ্রাম জেলা তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য অনুযায়ী, হেমন্ত সোরেনের কথা শোনার জন্য প্রচুর মানুষ আগ্রহ নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন পরে তারা হতাশ হয়ে ফিরে যান। জেলা তৃণমূল সভাপতি দুলাল মুর্মু অভিযোগ করে বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর সভার অজুহাতে ‘নো ফ্লাই জোন’ করে হেমন্ত সোরেনের হেলিকপ্টার আটকে দেওয়া হয়। সমস্ত নিয়ম মেনেই অনুমতি নেওয়া হয়েছিল, তবুও আমরা সভা করতে পারিনি।”

    একই সুর শোনা যায় কেশিয়াড়ি কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী রামজীবন মান্ডির গলাতেও। তাঁর কথায়,”পাশের নারায়ণগড়ের বেলদায় প্রধানমন্ত্রীর সভার জন্য নিরাপত্তার অজুহাতে সোরেনের হেলিকপ্টার দীর্ঘক্ষণ আটকে রাখা হয়েছিল।”

    Hemant Soren's Jhargram visit was ruined due to Narendra Modi's meeting

    আরও পড়ুন : ভোটে অশান্তি ঠেকাতে বড় পদক্ষেপ, কমিশনের নির্দেশে ৪ জেলা থেকে ১৩৫ দাগি গ্রেপ্তার

    এই ঘটনাকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ‘নো ফ্লাই জোন’-এর প্রয়োগের পিছনে সম্ভাব্য রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে বিতর্ক আরও তীব্র হতে পারে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

    Click here to Read More
    Previous Article
    গ্রেপ্তার হতে পারে ৮০০ কর্মী? গ্রেপ্তারির আশঙ্কায় হাই কোর্টে তৃণমূল, কী বলল আদালত?
    Next Article
    আত্রাই নদীর উপর ব্রিজ নির্মাণ শুরু, রেল পরিষেবা চালুর পথে অগ্রগতি…

    Related পশ্চিমবঙ্গ Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment