Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    কন্ডোম, ম্যাসাজ মেশিন, নগদ টাকা! তৃণমূল কাউন্সিলরের অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসে মিলল কী কী?

    3 hours ago

    বাংলা হান্ট ডেস্কঃ কলকাতার ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Ananya Banerjee) ওয়ার্ড অফিসকে ঘিরে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছে। মুকুন্দপুরে থাকা ওই অফিসে বিক্ষোভের পর একাধিক সামগ্রী, নথি এবং নগদ টাকা উদ্ধারের দাবি উঠেছে। কন্ডোম, ম্যাসাজ মেশিন, ত্রাণসামগ্রী, জমির দলিল থেকে শুরু করে চাকরির সম্ভাব্য তালিকা-সহ নানা জিনিস পাওয়া গিয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা।

    অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Ananya Banerjee) ওয়ার্ড অফিসে কী মিলল?

    সোমবার সকালে মুকুন্দপুরে অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Ananya Banerjee) ওয়ার্ড অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের একাংশ। পরে অফিসের ভিতরে ঢুকে বিভিন্ন জিনিসপত্র দেখতে পাওয়া যায় বলে দাবি করা হয়। অভিযোগ, অফিসের একটি ঘরে মেক-আপ রুম ছিল। সেখান থেকে কন্ডোম এবং ম্যাসাজ মেশিনও উদ্ধার হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এছাড়াও আলমারির ভিতর থেকে নগদ টাকা পাওয়া গিয়েছে বলে অভিযোগ। অফিসের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে টাকাও দেখা যায় বলে দাবি স্থানীয়দের। শুধু তাই নয়, অফিস থেকে একাধিক জমির দলিল এবং গুরুত্বপূর্ণ নথিও উদ্ধার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

    ত্রাণসামগ্রী নিয়েও প্রশ্ন

    ওই অফিস থেকে প্রচুর ত্রাণসামগ্রীও পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি বিজেপির। শাড়ি, ত্রিপল, আলো, পাখা-সহ বিভিন্ন সামগ্রী সেখানে মজুত ছিল বলে অভিযোগ। স্থানীয় বিজেপি নেতাদের দাবি, কিছু সামগ্রী বাইরে সরানোর চেষ্টাও করা হচ্ছিল। যদিও অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায় (Ananya Banerjee) জানিয়েছেন, কয়েকদিন আগেই ইদ ছিল। তাই দানের জন্য কিছু জামাকাপড় অফিসে রাখা থাকতে পারে।

    চাকরির তালিকা ঘিরে নতুন বিতর্ক

    সবচেয়ে বেশি চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে একটি হলুদ রঙের খাতাকে ঘিরে। স্থানীয়দের দাবি, ওই খাতায় চাকরি দেওয়ার নামে কার কাছ থেকে কত টাকা নেওয়া হয়েছে, তার হিসাব লেখা রয়েছে। অভিযোগ, স্বাস্থ্য দফতর, এসডব্লিউএম-সহ বিভিন্ন সরকারি বিভাগের সম্ভাব্য চাকরিপ্রার্থীদের নামও সেখানে নথিভুক্ত ছিল। বিভিন্ন এলাকার ভিত্তিতে নামের তালিকাও তৈরি করা হয়েছিল বলে দাবি করা হচ্ছে। বিজেপির অভিযোগ, ওই অফিসে বসেই পুরসভার চাকরির জন্য তালিকা তৈরি করা হত এবং দলঘনিষ্ঠদের সুযোগ পাইয়ে দেওয়া হতো। যদিও এই অভিযোগের পক্ষে এখনও কোনও সরকারি প্রমাণ সামনে আসেনি।

    কী বললেন অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়?

    সব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায় (Ananya Banerjee) জানিয়েছেন, এটি কলকাতা পুরসভার অফিস। ৮ জুনের পর থেকে তিনি সেখানে যাননি বলেও দাবি করেছেন।

    তাঁর বক্তব্য, কর্পোরেশনের অফিসে নথিপত্র ও ফাইল থাকা স্বাভাবিক। অফিসের চাবিও তাঁর কাছে ছিল না। ফলে কারা অফিসে ঢুকেছে বা কী উদ্ধার হয়েছে, সে বিষয়ে কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষই সঠিক তথ্য দিতে পারবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    আরও পড়ুনঃ আয়ুষ্মান থেকে কিষাণ ক্রেডিট কার্ড, জনকল্যাণ শিবিরে কীভাবে হচ্ছে আবেদন?

    এদিকে সন্তোষপুরে অনন্যার (Ananya Banerjee) বিলাসবহুল বাড়ি এবং আয়ের উৎস নিয়েও প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে বিরোধীরা। সব মিলিয়ে ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডের এই ঘটনা এখন কলকাতার রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে।

    Click here to Read More
    Previous Article
    আড়াই গুন বাড়তে চলেছে বেতন! রাজ্য সরকারি কর্মীদের সপ্তম পে কমিশন নিয়ে বড় আপডেট
    Next Article
    একবার এমপি-এমএলএ পর্ব মিটলেই বড় পদক্ষেপ! কী পরিকল্পনা ঋতব্রতদের?

    Related পশ্চিমবঙ্গ Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment