Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহিদ! বাংলাদেশে আবু সইদের হত্যার ঘটনায় ফাঁসির সাজা দুই পুলিশকর্মীর

    6 days ago

    বাংলাহান্ট ডেস্ক: পুলিশের গুলিতে বাংলাদেশের (Bangladesh) রংপুরের  বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদের মৃত্যু একসময় গোটা বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। গণঅভ্যুত্থানের সেই প্রথম শহীদের হত্যাকাণ্ডে অবশেষে এল ঐতিহাসিক রায়। বৃহস্পতিবার ট্রাইব্যুনাল-২ প্রাক্তন এএসআই আমির হোসেন এবং প্রাক্তন কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়কে মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে। বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করে, যা দেশজুড়ে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

    বাংলাদেশে (Bangladesh) আবু সইদের হত্যার ঘটনায় ফাঁসির সাজা দুই পুলিশকর্মীর

    এই মামলার বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল গত বছর। মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগে ৩০ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত রিপোর্ট জমা পড়ে ২৪ জুন। এরপর ৬ আগস্ট অভিযোগ গঠন এবং ২৭ আগস্ট থেকে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। মামলার প্রথম সাক্ষী হিসেবে আদালতে হাজির হয়েছিলেন সাঈদের বাবা মকবুল হোসেন। দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব শেষে চলতি বছরের ১৪ জানুয়ারি সেই অধ্যায় শেষ হয় এবং ২৭ জানুয়ারি চূড়ান্ত সওয়াল-জবাব সম্পন্ন হয়। অবশেষে এই দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর বৃহস্পতিবার ঘোষিত হল চূড়ান্ত রায়।

    আরও পড়ুন:পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের রহস্যময় রত্নভান্ডারে অলঙ্কারের ছড়াছড়ি! তালিকা তৈরির দ্বিতীয় পর্ব শুরু

    মামলায় মোট ৩০ জন অভিযুক্ত থাকলেও এখনও পর্যন্ত ৬ জনই গ্রেফতার হয়েছে। দোষী সাব্যস্ত দুই পুলিশকর্মী ছাড়াও পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, প্রাক্তন সহকারী রেজিস্ট্রার রফিকুল হাসান রাসেল, কর্মী মহম্মদ আনোয়ার পারভেজ এবং নিষিদ্ধ ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা ইমরান চৌধুরী ওরফে আকাশ। রায় ঘোষণার সময় এই ছয়জনকে আদালতে হাজির করা হয়েছিল, যা মামলার গুরুত্ব আরও স্পষ্ট করে।

    তবে এখনও অধিকাংশ অভিযুক্ত আইনের নাগালের বাইরে। প্রাক্তন উপাচার্য মো. হাসিবুর রশিদ-সহ মোট ২৪ জন পলাতক রয়েছেন। এই তালিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক প্রাক্তন কর্মী ও পুলিশ প্রশাসনের প্রভাবশালী কর্মকর্তারাও রয়েছেন। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, এই আধিকারিকদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মদতেই সেদিন গুলি চালানো হয়েছিল। ফলে তদন্তের পরবর্তী ধাপ হিসেবে পলাতকদের গ্রেফতার এখন অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ।

    2 Police Sentenced to Death for the Murder of Abu Said in Bangladesh.

    আরও পড়ুন: যুদ্ধবিরতির মাঝেই লেবাননে ইজরায়েলের হামলা! নিহত হেজবোল্লা প্রধানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী

    ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই বাংলাদেশের (Bangladesh) বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা আবু সাঈদের উপর পুলিশের গুলিচালনার দৃশ্য আজও মানুষের মনে দগদগে। সেই ভিডিও সারা বিশ্বে ভাইরাল হয়েছিল এবং প্রতিবাদের প্রতীক হয়ে উঠেছিল। ট্রাইব্যুনালের এই রায়কে ছাত্র সমাজ ন্যায়বিচারের নৈতিক জয় হিসেবে দেখছে। সাঈদের পরিবারও দীর্ঘদিন ধরে বিচারের দাবিতে সরব ছিল। দুই অভিযুক্তের মৃত্যুদণ্ডে তারা কিছুটা স্বস্তি পেলেও, বাকি অপরাধীদের গ্রেফতার না হওয়া পর্যন্ত এই লড়াই যে শেষ নয়, সেটাই এখন স্পষ্ট।

    Click here to Read More
    Previous Article
    হরমুজ সচল করতে হামলা ভুলে লেবাননের সঙ্গে আলোচনায় ইজরায়েল? কী ইঙ্গিত নেতানিয়াহুর?
    Next Article
    বাংলায় বিধানসভা ভোট সেই প্রসঙ্গে কি বলছে GEN-Z রা ? তারা কি বিজেপি কে চাইছে ! শুনেনিন

    Related আন্তর্জাতিক Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment