Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    ৬.৫ ঘণ্টার সফর হবে ২.৫ ঘণ্টায়! জানুন দিল্লি-দেরাদুন ইকোনমিক করিডোরের ১০ টি চমকপ্রদ তথ্য

    6 hours ago

    বাংলা হান্ট ডেস্ক: দিল্লি থেকে দেরাদুনের সফর এখন আরও সহজ ও আরামদায়ক হতে চলেছে। মূলত, ২১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ দিল্লি-দেরাদুন ইকোনমিক করিডোরের (Delhi-Dehradun Expressway) মাধ্যমে যে দূরত্ব সফর করতে আগে ৬ থেকে সাড়ে ৬ ঘণ্টা সময় লাগত, তা এখন মাত্র ২.৫ ঘণ্টায় অতিক্রম করা যাবে। জেনে অবাক হবেন যে, ১২,০০০ কোটি টাকারও বেশি ব্যয়ে নির্মিত এই এক্সপ্রেসওয়েটি শুধু সফরের সময় কমাবে না, বরং টেকসই এবং ওয়াইল্ডলাইফ ফ্রেন্ডলি ইনফ্রাস্ট্রাকচারের একটি নতুন নজিরও উপস্থাপন করবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আগামী ১৪ এপ্রিল এই এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধন করবেন। মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি এটিকে উত্তরাখণ্ডের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প হিসেবে বর্ণনা করেছেন। বর্তমান প্রতিবেদনে আমরা এই গুরুত্বপূর্ণ এক্সপ্রেসওয়ে সম্পর্কে এমন ১০ টি তথ্য উপস্থাপিত করব যেটি জানার পর অবাক হবেন প্রত্যেকেই।

    দিল্লি-দেরাদুন ইকোনমিক করিডোরের (Delhi-Dehradun Expressway) ১০ টি চমকপ্রদ তথ্য:

    ১. ৬ ঘণ্টার সফর ২.৫ ঘণ্টায়: এই এক্সপ্রেসওয়ের সবচেয়ে বড় সাফল্য হল, এখন আগের চেয়ে কম সময়ে সফর সম্পন্ন হবে। দিল্লি থেকে দেরাদুনের যে সফর করতে আগে ৬ থেকে সাড়ে ৬ ঘণ্টা সময় লাগত, এখন তা এখন ২ থেকে ২.৫ ঘণ্টার মধ্যে সম্পন্ন হবে। ট্রায়াল রানের সময়েও যাত্রীরা জানিয়েছেন যে, এই রাস্তাটি যানজট থেকে মুক্তি দেবে এবং নিত্যযাত্রীদের অনেক সময় বাঁচাবে।

    ২. ২১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ, ৬ লেনের অ্যাক্সেস-কন্ট্রোলড করিডোর: জানিয়ে রাখি যে, ২১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ দিল্লি-দেরাদুন এক্সপ্রেসওয়েটি একটি ৬ লেনের অ্যাক্সেস-কন্ট্রোলড করিডোর হিসেবে বিবেচিত হবে। অ্যাক্সেস-কন্ট্রোলড মানে হল, এখানে যানবাহন শুধুমাত্র নির্ধারিত ইন্টারচেঞ্জ দিয়েই সড়কে প্রবেশ ও প্রস্থান করতে পারবে, যা অনধিকার প্রবেশ, স্থানীয় যানজট এবং আকস্মিক বিঘ্ন দূর করে। এর ফলে সফর নিরবচ্ছিন্ন ও নিরাপদ হবে।

    ৩. ডিজাইনে চমক: দিল্লি-দেরাদুন ইকোনমিক করিডোরটি ‘সাস্টেনেবল বাই ডিজাইন’ এই ভাবনার ওপর ভিত্তি করে গড়ে তোলা হয়েছে। এর অর্থ হল, সড়ক নির্মাণের সময় পরিবেশগত প্রভাব কমানো, সবুজ এলাকা রক্ষা করা এবং প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

    ৪. এশিয়ার দীর্ঘতম ওয়াইল্ডলাইফ এলিভেটেড করিডোর: এই প্রকল্পের সবচেয়ে আলোচিত বৈশিষ্ট্য হলো ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ ওয়াইল্ডলাইফ এলিভেটেড করিডোর। যাকে এশিয়ার দীর্ঘতম করিডোর হিসেবে বর্ণনা করা হচ্ছে। এই করিডোরটি বনাঞ্চলের ওপরে একটি উঁচু কাঠামো হিসেবে নির্মাণ করা হয়েছে। যাতে বন্যপ্রাণীরা কোনও বাধা ছাড়াই রাস্তার নিচ দিয়ে যাতায়াত করতে পারে।

    ৫. বন্যপ্রাণীদের জন্য নিরাপদ পথ: এই করিডোরটি নির্মাণের সময় বন্যপ্রাণীর সুরক্ষার ওপর বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পে একটি ২০০ মিটার উঁচু এলিফ্যান্ট পাস এবং ৮ টি অ্যানিম্যাল পাস অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই পাসগুলির উদ্দেশ্য হল, হাতি ও অন্যান্য বন্যপ্রাণীরা তাদের স্বাভাবিক চলাচলের সময় এক্সপ্রেসওয়ের কারণে যাতে প্রভাবিত না হয়, তা নিশ্চিত করা।

    আরও পড়ুন: মন জিতলেন মোদী! শিলিগুড়িতে নববিবাহিত দম্পতিকে শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর, ভাইরাল ভিডিও

    ৬. দাতকালী মন্দিরের কাছে সুড়ঙ্গ: দাতকালী মন্দিরের কাছে এই এক্সপ্রেসওয়ের ওপর প্রায় ৩৭০ মিটার দীর্ঘ একটি সুড়ঙ্গ নির্মাণ করা হয়েছে। এই সুড়ঙ্গটি শুধু যাত্রীদের যাতায়াতই সহজ করবে না, বরং এটি ধর্মীয় ও ভৌগোলিকভাবে সংবেদনশীল এলাকাকে মাথায় রেখে নির্মিত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ও বটে।

    ৭. রেলপথ ও নদীর ওপর মজবুত পরিকাঠামো: এই প্রকল্পের অধীনে ৩ টি রেলওয়ে ব্রিজ এবং ৪ টি প্রধান সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। এই সেতুগুলি রেললাইন ও প্রাকৃতিক প্রতিবন্ধকতা সামলে এক্সপ্রেসওয়েকে নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন করে তোলে।

    ৮. ১০ টি ইন্টারচেঞ্জ, উন্নত কানেক্টিভিটি: এই এক্সপ্রেসওয়েতে মোট ১০ টি ইন্টারচেঞ্জ নির্মাণ করা হয়েছে। এই ইন্টারচেঞ্জগুলি এক্সপ্রেসওয়েকে বিভিন্ন শহর ও অঞ্চলের সঙ্গে সহজে সংযুক্ত করতে সক্ষম করবে। যার ফলে স্থানীয় ও আঞ্চলিক কানেক্টিভিটি আরও শক্তিশালী হবে।

    আরও পড়ুন: একী কাণ্ড! MI vs RCB ম্যাচ চলাকালীন মাঠ ছাড়লেন রোহিত-বিরাট! চিন্তায় অনুরাগীরা

    ৯. অ্যাডভান্সড ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম: দিল্লি-দেরাদুন ইকোনমিক করিডোরে একটি অ্যাডভান্সড ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম উপলব্ধ রয়েছে। এই সিস্টেমটি ক্রমাগত যান চলাচল পর্যবেক্ষণ করবে এবং এক্সপ্রেসওয়ে চলাচল নিরাপদ ও মসৃণ রাখতে সাহায্য করবে।

    ১০. ১২ টি রোডসাইড এমিনিটিজ: দীর্ঘ সফরকে আরামদায়ক করার জন্য এই এক্সপ্রেসওয়েতে ১২ টি
    রোডসাইড এমিনিটিজ রয়েছে। এর মাধ্যমে যাত্রীরা থাকা, বিশ্রাম নেওয়া থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় সুবিধা পাবেন।

    Click here to Read More
    Previous Article
    আগামী মাস থেকে বন্ধ স্কুলে মিড ডে মিল? আশঙ্কায় স্কুল শিক্ষা দফতর
    Next Article
    "আমরা কারও ‘বি-টিম’ নই", Humayun-এর হাজার কোটির Viral Video নিয়ে হুঙ্কার Asaduddin Owaisi-র

    Related ভারত Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment