Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    ডিলিমিটেশন বিল কী? লোকসভা আসন বাড়তেই কেন চিন্তায় দক্ষিণের রাজ্যগুলি?

    2 hours ago

    বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভারতের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে কেন্দ্রের নতুন ডিলিমিটেশন বিল (Delimitation Bill 2026)। বহু বছর ধরে লোকসভা ও বিধানসভার আসন সংখ্যা এবং সীমানা পুনর্নির্ধারণ আটকে ছিল। এবার সেই প্রক্রিয়াকেই নতুন করে শুরু করতে চাইছে সরকার। শুধু আসন বাড়ানো নয়, নারী সংরক্ষণ চালু করা থেকে শুরু করে ভবিষ্যতের নির্বাচন ব্যবস্থাকেও নতুন করে গড়ে তোলার লক্ষ্য রাখা হয়েছে এই বিলে। আর সেই কারণেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা, বিশেষ করে দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলির মধ্যে বাড়ছে উদ্বেগ।

    ডিলিমিটেশন বিল (Delimitation Bill 2026) কী?

    ডিলিমিটেশন (Delimitation Bill 2026) বলতে মূলত ভোটের আসনের সীমানা নতুন করে নির্ধারণ করাকে বোঝায়। দেশের জনসংখ্যার পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এই সীমানা ঠিক করা হয়, যাতে প্রতিটি অঞ্চলের মানুষের প্রতিনিধিত্ব সঠিকভাবে বজায় থাকে। সাধারণত জনগণনার পর একটি বিশেষ কমিশন এই কাজ করে এবং তাদের সিদ্ধান্ত আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যায় না।

    এই প্রেক্ষাপটেই ২০২৬ সালের ডিলিমিটেশন বিল (Delimitation Bill 2026) সামনে এনেছে কেন্দ্র। বহু বছর ধরে এই প্রক্রিয়া বন্ধ থাকার পর এবার আবার তা চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিল অনুযায়ী, লোকসভার মোট আসন সংখ্যা বর্তমান ৫৪৩ থেকে বাড়িয়ে ৮৫০ করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রাজ্যগুলির জন্য ৮১৫টি এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির জন্য ৩৫টি আসন নির্ধারণ করা হতে পারে। ফলে সংসদে প্রতিনিধিত্বের কাঠামোতেই বড়সড় পরিবর্তন আসতে চলেছে।

    এছাড়াও, এই বিলের (Delimitation Bill 2026) একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল নারী সংরক্ষণ। লক্ষ্য রাখা হয়েছে, ২০৩৪ পর্যন্ত অপেক্ষা না করে ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচন থেকেই ৩৩ শতাংশ আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত করা। এর জন্য ২০১১ সালের জনগণনার তথ্যকে ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    ডিলিমিটেশন প্রক্রিয়া পরিচালনার জন্য একটি শক্তিশালী কমিশন গঠনের কথাও বলা হয়েছে। এই কমিশনের নেতৃত্বে থাকবেন সুপ্রিম কোর্টের বর্তমান বা প্রাক্তন বিচারপতি এবং তাঁর সঙ্গে থাকবেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। একবার এই কমিশন সীমানা চূড়ান্ত করলে তা আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না, এমন আইনি সুরক্ষাও রাখা হয়েছে। আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল জম্মু ও কাশ্মীর প্রসঙ্গ। যদি ভবিষ্যতে পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীর ভারতের নিয়ন্ত্রণে আসে, তাহলে সেই অঞ্চলেও নির্বাচনী এলাকা পুনর্বিন্যাস এবং নির্বাচন পরিচালনার ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া হবে।

    New Bill in Lok Sabha‌ Right to Disconnect Introduced

    আরও পড়ুনঃ জম্মু-কাশ্মীর থেকে বুলেটপ্রুফ গাড়ি আসছে বাংলায়? জল্পনার মুখ খুললেন মনোজ আগরওয়াল, বললেন…

    তবে এই বিল (Delimitation Bill 2026) ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কও কম নয়। বিশেষ করে দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলি উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের মতে, তারা জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সফল হয়েছে, কিন্তু উত্তর ভারতের রাজ্যগুলিতে জনসংখ্যা বেশি বেড়েছে। ফলে জনসংখ্যার ভিত্তিতে আসন ভাগ হলে উত্তর ভারতের রাজনৈতিক প্রভাব অনেকটাই বেড়ে যাবে, আর দক্ষিণের রাজ্যগুলির গুরুত্ব কমে যেতে পারে।

    Click here to Read More
    Previous Article
    CBSE দশমে দারুণ ফল, সাউথ পয়েন্টের ৩ পড়ুয়া ৯৯.৬%—টপারদের নাম জানুন
    Next Article
    ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বাবরি মসজিদের কাজ বন্ধ করে দেখান—Amit Shah-কে খোলা চ্যালেঞ্জ Humayun Kabir-এর!

    Related ভারত Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment