Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    বুলডোজারের সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়াল হাই কোর্ট! পুর্নবাসন-নির্দেশে স্বস্তি হাজারো বৈধ হকারের

    5 hours ago

    বাংলা হান্ট ডেস্ক : রেল সংলগ্ন এলাকায় চলতে থাকা হকার উচ্ছেদ অভিযান (Hawker Eviction) নিয়ে আপাতত স্বস্তির খবর পেলেন বহু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। জীবিকা ও মৌলিক অধিকারের প্রশ্ন তুলে দায়ের হওয়া একাধিক আবেদনের শুনানির পর কলকাতা হাই কোর্ট (Calcutta High Court)অন্তর্বর্তী নির্দেশে উচ্ছেদ প্রক্রিয়ায় স্থগিতাদেশ জারি করেছে।

    হকার উচ্ছেদ (Hawker Eviction) নিয়ে নির্দেশ হাইকোর্টের

    হাইকোর্ট জানিয়েছে, বালিগঞ্জ, বামনগাছি, বারুইপুর, ডানকুনি, গুমা, বনগাঁ, দুর্গনগর, মথুরাপুর, যাদবপুর-সহ বিভিন্ন স্টেশন ও রেল এলাকার যে নোটিশগুলিকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করা হয়েছে, সেগুলির ভিত্তিতে আপাতত আর কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না অর্থাৎ এই সকল এলাকাগুলিতে উচ্ছেদ স্থগিত। ‌‌

    আদালতে আবেদনকারীদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করা মানুষদের হঠাৎ উচ্ছেদ করলে তা সরাসরি তাঁদের জীবন ও রোজগারের ওপর আঘাত হানে। এই প্রসঙ্গে আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, “যেভাবে উচ্ছেদ করা হচ্ছে তাতে মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে। কেন্দ্র বা রাজ্য কেউ এই অধিকার কেড়ে নিতে পারে না। জীবনের অধিকার, কর্মসংস্থানের অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। সমাজের দুর্বল শ্রেণির মৌলিক অধিকার কোনও কারণ দেখিয়ে খর্ব করা যায় না। রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারকে তাদের সাহায্য করার কথা। ঠেলা গাড়ি, ঝুপড়ি দোকান করে হাজার হাজার পরিবার সংসার চালাচ্ছে। বলা ভালো চালাতে বাধ্য হচ্ছে। তাদের উপর আরও চাপ বাড়ানো সরকারের কাজ হতে পারে না।”

    আইনজীবী বিকাশরঞ্জন আদালতের নজরে আনেন যে, বহু মানুষ বছরের পর বছর ধরে রেল লাগোয়া এলাকায় ব্যবসা করছেন এবং তাঁদের প্রতি প্রশাসনের আচরণ মানবিক হওয়া উচিত। এই প্রসঙ্গেই তিনি বলেন, “রাষ্ট্র তাদের শত্রু হিসেবে আচরণ করতে পারে না। অথচ এখানে হঠাৎ বুলডোজার পাঠিয়ে ভেঙেচুরে সব শেষ করে দেওয়া হচ্ছে। প্রতি রাতে কোনও না কোনও জায়গায় লোকজন রাতপাহারা দিয়ে বসে থাকছেন। তাতেও বুলডোজার হামলা থেকে বাঁচতে পারছে না। যখন কেউ রেলের জমিতে বসে পড়ছেন, তখন তাকে বাধা না দিলে ২-৩ দশক পর তাকে উচ্ছেদ করা যাবে না, এটা সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর্যবেক্ষণে আছে। রাজ্যে পুলিশের সংগঠন করায় বাধা দেওয়ার মামালতেও এই যুক্তি কাজে লেগেছিল।”

    শুনানিতে অংশ নিয়ে আরেক আইনজীবী ফিরদৌস শামিমও উচ্ছেদ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, “বহু ক্ষেত্রে রেলযাত্রীরা অভিযোগ করছেন বলেই প্ল্যাটফর্ম ও রেলের রাস্তা থেকে উচ্ছেদ হচ্ছে। বারুইপুরে ১৯৯৫ থেকে লাইসেন্স পাওয়া ৪০ টা পরিবারকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। ডানকুনিতে ৩২টি পরিবার নোটিশ পেয়েছেন। ওই নোটিশে কোনও তারিখ, সই নেই।”

    রেলের পক্ষ অবশ্য আদালতে ভিন্ন অবস্থান তুলে ধরে। রেল কর্তৃপক্ষের আইনজীবী ধীরজ ত্রিবেদী বলেন, “১৮৮১ সালে তাঁদের ওই জমি কিনে নেওয়ার ন্যূনতম দাম জমা দেওয়ার নোটিশ দেওয়া হয়। আজ পর্যন্ত কেউ জমা দেয়নি।” তাঁর দাবি, জমির মালিকানা ও দখল সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের সমস্যার কারণেই উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    Hawker Eviction paused, legal hawkers get relief from high court rehabilitation order

    আরও পড়ুন : মাথার উপর গ্রেফতারি পরোয়ানা, নতুন আইনি সঙ্কটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

    শুনানির সময় বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্য জানতে চান, “রেলের জায়গা, প্ল্যাটফর্ম যদি দখল করে দোকান বসে, সেক্ষেত্রে রেল তাঁদের তুলবে না? কিছুক্ষেত্রে রেল স্টল করে বসার ব্যবস্থা করেছিল। তাঁদের উচ্ছেদের ঘটনা কি আছে? লাইসেন্স আছে এমন লোকেদের তুলেছে এটা বলতে পারবেন?” রেলকে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্ট। আদালত আরও জানিয়েছে, বৈধভাবে ব্যবসা করা হকারদের ক্ষেত্রে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে রেলকে। পরবর্তী শুনানি না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে উচ্ছেদ অভিযান স্থগিত থাকায় আপাতত কিছুটা স্বস্তিতে রয়েছেন প্রভাবিত পরিবারগুলি।

    Click here to Read More
    Previous Article
    জুলাই মাসে কবে মিলবে অন্নপূর্ণা যোজনার ৩০০০টাকা?দিনক্ষণ জানিয়ে মহিলাদের আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর|Suvendu
    Next Article
    ঋতব্রত না শোভনদেব, বিরোধী দলনেতা কে? জানিয়ে দিল হাইকোর্ট

    Related পশ্চিমবঙ্গ Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment