Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    Apple-এর মাধ্যমে বাজিমাত ভারতের, চিনে লাফিয়ে বাড়ল রফতানি! সামনে এল পরিসংখ্যান

    2 hours ago

    বাংলা হান্ট ডেস্ক: যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ভারতের (India) ইলেকট্রনিক্স সেক্টর বর্তমানে দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে। শুধু তাই নয়, এখন ভারত চিনের মতো প্রধান বাজারগুলিতেও নিজের অবস্থান শক্তিশালী করছে। সরকারি আধিকারিক ও ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টদের মতে, Apple-এর সাপ্লায়াররা ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে চিনে ২.৫ বিলিয়ন ডলার মূল্যের যন্ত্রাংশ এবং সাব-অ্যাসেম্বলি রফতানি করেছে। এটি এখনও পর্যন্ত একটি রেকর্ড হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এবং এই বিষয়টি ভারত সরকারের ইলেকট্রনিক্স কম্পোনেন্ট ম্যানুফ্যাকচারিং স্কিম তথা ECMS-এর প্রাথমিক সাফল্যকেও স্পষ্টভাবে তুলে ধরবে।

    চিনে (India) লাফিয়ে বাড়ল রফতানি:

    চিনে রফতানি বৃদ্ধির মাধ্যমে নতুন ট্রেন্ডের সূচনা: জানিয়ে রাখি যে, পূর্বে ভারতে মোবাইল ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রাংশ চিন থেকে আমদানি করা হলেও, এখন সেই চিত্রটি ক্রমশ বদলাচ্ছে। ভারত এখন চিনে ইলেকট্রনিক্স কম্পোনেন্টস রফতানি করছে। ওই শিল্প সংক্রান্ত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ অর্থবর্ষে চিনে ভারতের ইলেকট্রনিক্স রফতানি ৩.৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। যার মধ্যে জানুয়ারি মাস পর্যন্ত ২.৮ বিলিয়ন ডলার রফতানি হয়েছে। এদিকে, ২০২৫ অর্থবর্ষে এই পরিসংখ্যান ছিল প্রায় ৯২০ মিলিয়ন ডলার।

    Apple's electronics exports from India to China increased.

    বড় ভূমিকা Apple-এর: বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন যে, এই অগ্রগতির সবচেয়ে বড় কারণ হল ভারতে Apple-এর একটি শক্তিশালী ম্যানুফ্যাকচারিং নেটওয়ার্ক স্থাপন। ইতিমধ্যেই স্মার্টফোন PLI স্কিম এবং ECSM-এর মাধ্যমে ভারতে মানসম্মত উৎপাদন সম্ভব করেছে এবং এখানে উৎপাদিত যন্ত্রাংশ এখন চিনে রফতানি করা হচ্ছে। গত ৫ বছরে Apple ভারতে ৭০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের iPhone তৈরি করেছে। যার প্রায় ৭৩ শতাংশ রফতানি করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: জোর টক্কর! দেশের সবথেকে ধনী ব্যক্তির শিরোপা হারাবেন আম্বানি? হু হু করে সম্পদ বৃদ্ধি আদানির

    এই কোম্পানিগুলি রফতানি বাড়িয়েছে: জানিয়ে রাখি যে, ফক্সকন থেকে শুরু করে টাটা ইলেকট্রনিক্স, ট্রিল বেঙ্গালুরু, পেগাট্রন,মাদারসন, স্যালকম্প এবং ইউঝান টেকনোলজির মতো কোম্পানিগুলি এই বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে। এই কোম্পানিগুলি PCBAs, মোবাইল বডি, ফ্লেক্স পার্টস এবং বাটনের মতো অত্যাবশ্যকীয় যন্ত্রাংশ উৎপাদন ও রফতানি করছে।

    আরও পড়ুন: প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে বিশেষ কৃতিত্ব বৈশালী রমেশবাবুর! জিতলেন এই চেস টুর্নামেন্ট

    সরকারের পরবর্তী লক্ষ্য ও সম্ভাবনা: মূলত, স্মার্টফোন PLI প্রকল্পের সাফল্যের পর, সরকার এবার কম্পোনেন্ট মেনুফ্যাকচারিংয়ের দিকেও মনোযোগ দিচ্ছে। এই গতি বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট শিল্প PLI ২.০-এর দাবি জানাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে, আগামী সময়ে ভারত গ্লোবাল মোবাইল প্রোডাকশনের ৩০-৩৫ শতাংশ অংশ দখল করতে পারবে এবং ইলেকট্রনিক্স সাপ্লাই চেনে একটি প্রধান শক্তি হিসেবে বিবেচিত হতে পারবে।

    Click here to Read More
    Previous Article
    ডায়মন্ড হারবার ২ নম্বর ব্লকে সামিম আহমেদের ঐতিহাসিক বাইক মিছিল
    Next Article
    চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অভাবনীয় আবিষ্কার! ভারতীয় বিজ্ঞানীরা যা খুঁজে পেলেন… জানলে চমকে যাবেন

    Related ভারত Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment