Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    রাতারাতি ৫০০ মিলিয়ন ডলার থেকে শূন্যে! ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পর ভারতে ব্যবসা হারিয়ে আক্ষেপ তুরস্কের সংস্থার

    5 days ago

    বাংলাহান্ট ডেস্ক: ভারতের (India) বিমানবন্দর পরিষেবা খাতে দীর্ঘ ২৫ বছরের উপস্থিতি থাকা সত্ত্বেও এক ধাক্কায় ব্যবসা হারাতে হয়েছে তুরস্কের সংস্থা সেলেবি অ্যাভিয়েশনকে। ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পর পাকিস্তানের সঙ্গে সম্ভাব্য যোগসূত্র এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের জেরে কেন্দ্রীয় সরকার তাদের নিরাপত্তা ছাড়পত্র বাতিল করে দেয়। প্রায় এক বছর পর এই ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছেন সংস্থার চেয়ারম্যান কানান সেলেবিওগ্লু। সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমাদের ৫০০ মিলিয়ন ডলারের ব্যবসা ছিল। এক রাতের মধ্যে তা শূন্যে নেমে আসে।” তাঁর এই মন্তব্য ফের আলোচনায় এনে দিয়েছে জাতীয় নিরাপত্তা ও বিদেশি বিনিয়োগের সূক্ষ্ম ভারসাম্যের প্রশ্ন।

    ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পর ভারতে (India) ব্যবসা হারিয়ে আক্ষেপ তুরস্কের সংস্থার:

    ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পর ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনার আবহে তুরস্কের তৈরি ড্রোন ব্যবহার করে ভারতে হামলার চেষ্টা করেছিল ইসলামাবাদ বলে অভিযোগ ওঠে। সেই প্রেক্ষাপটে ভারতের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরে পরিষেবা প্রদানকারী সেলেবি অ্যাভিয়েশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। সংস্থাটি দিল্লি-সহ দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দরে র‌্যাম্প হ্যান্ডলিং, যাত্রী ও কার্গো পরিষেবা, ওয়্যারহাউস ব্যবস্থাপনা, ব্রিজ অপারেশন এবং প্রিমিয়াম লাউঞ্জ পরিচালনার দায়িত্বে ছিল। তাদের ভারতীয় শাখা ‘সেলেবি এয়ারপোর্ট সার্ভিসেস ইন্ডিয়া’ এবং ‘সেলেবি দিল্লি কার্গো টার্মিনাল ম্যানেজমেন্ট ইন্ডিয়া’ বিমানবন্দর পরিষেবা ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করত।

    আরও পড়ুন: বাংলায় ২২ শতাংশ DA বাড়ানো হল? সরকারি কর্মীদের উদ্দেশে জরুরি বার্তা মুখ্যসচিবের

    ২০২৫ সালের মে মাসে ব্যুরো অফ সিভিল এভিয়েশন সিকিউরিটি (BCAS) জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে সংস্থার সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্স বাতিল করে। কেন্দ্রের দাবি ছিল, দেশের কৌশলগত অবকাঠামোর সঙ্গে যুক্ত কোনও সংস্থার ক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিয়ে সামান্যতম ঝুঁকিও নেওয়া সম্ভব নয়। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সংস্থার কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। কানান সেলেবিওগ্লুর দাবি, শুধু ব্যবসা নয়, তাদের যন্ত্রপাতিও বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং প্রায় ১০ হাজার কর্মীকে অন্য সংস্থার অধীনে স্থানান্তরিত করা হয়। তিনি বলেন, “ভারত আমার দ্বিতীয় দেশ। এই ঘটনা আমাকে গভীরভাবে নাড়িয়ে দিয়েছে।”

    সেলেবি কর্তৃপক্ষ শুরু থেকেই দাবি করে এসেছে যে তুরস্ক সরকারের সঙ্গে তাদের কোনও প্রত্যক্ষ সম্পর্ক নেই। এমনকি তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের মেয়ে সুমাইয়ে এরদোয়ানের সংস্থায় অংশীদারিত্ব রয়েছে— এই অভিযোগও তারা খারিজ করে। কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তারা দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়। কিন্তু আদালত কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত বহাল রাখে। শুনানির সময় আদালত স্পষ্ট জানায়, জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে ঝুঁকি নেওয়ার কোনও সুযোগ নেই এবং পরে অনুশোচনা করার চেয়ে আগেভাগে সতর্ক হওয়াই শ্রেয়।

    Turkish company laments loss of business in India following 'Operation Sindoor'.
    সংস্থার চেয়ারম্যান কানান সেলেবিওগ্লু

    আরও পড়ুন: আজই শেষ দিন জনকল্যাণ শিবিরের! ৫৪ সরকারি প্রকল্পে আবেদনের শেষ সুযোগ, কোথায় চলছে ক্যাম্প?

    এই ঘটনার ফলে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ ও জাতীয় নিরাপত্তার সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, কৌশলগত পরিকাঠামো পরিচালনায় বিদেশি সংস্থার ভূমিকা নিয়ে ভবিষ্যতে আরও কঠোর নীতি গ্রহণ করতে পারে ভারত (India)। অন্যদিকে, ব্যবসায়িক মহলের একাংশ মনে করছে, নিরাপত্তা সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও নির্দিষ্ট নীতিমালা থাকা জরুরি, যাতে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বজায় থাকে। তবে কেন্দ্রীয় সরকারের অবস্থান স্পষ্ট, দেশের নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনও আপস নয়।

    Click here to Read More
    Previous Article
    বিশ্ব রেকর্ডের হাতছানি, গঙ্গাবক্ষে ৫০০ নৌকায় যোগাভ্যাস, রেড রোডের কর্মসূচির জন্য সেজে উঠছে কলকাতা
    Next Article
    Suvendu Adhikari Live: ফলতায় শুভেন্দু অধিকারী, দেখুন সরাসরি | Falta Live

    Related ভারত Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment