Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    জল্পনার অবসান ঘটিয়ে ইস্তফা দিলেন কিয়ের স্টারমার! কে হবেন ব্রিটেনের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী?

    1 hour ago

    বাংলাহান্ট ডেস্ক: ব্রিটেনের রাজনৈতিক মহলে গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই জল্পনা চলছিল। শেষ পর্যন্ত সেই জল্পনাই সত্যি হলো। প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিলেন কিয়ের স্টারমার (Keir Starmer)। ক্রমশ কমতে থাকা জনসমর্থন, দলের অভ্যন্তরে বাড়তে থাকা অসন্তোষ এবং সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ধাক্কার জেরে তাঁর পদত্যাগ কার্যত সময়ের অপেক্ষা ছিল বলেই মনে করছিলেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। স্টারমারের বিদায়ের ফলে এক দশকের মধ্যে সপ্তম প্রধানমন্ত্রী পেতে চলেছে ব্রিটেন, যা দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার আরেকটি বড় নিদর্শন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে অবশেষে ইস্তফা দিলেন কিয়ের স্টার্মার (Keir Starmer)

    পদত্যাগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করার আগে স্ত্রীকে নিয়ে ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের সরকারি বাসভবন থেকে বেরিয়ে আসেন স্টারমার (Keir Starmer)। সেই সময় উপস্থিত সমর্থকদের করতালি ও শুভেচ্ছা ধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে এলাকা। আবেগঘন বিদায়ী ভাষণে তিনি স্মরণ করেন দুই বছর আগে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ডাউনিং স্ট্রিটে প্রবেশের দিনটিকে। সেটিকে নিজের জীবনের অন্যতম গর্বের মুহূর্ত বলে উল্লেখ করেন তিনি। স্টারমার বলেন, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা এবং দেশের জন্য ইতিবাচক পরিবর্তন আনার লক্ষ্য নিয়েই তিনি রাজনীতিতে এসেছিলেন। যদিও তাঁর বক্তব্যে হতাশার সুর ছিল না, তবুও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বিদায়ী ভাষণের মধ্যে নিজের অপূর্ণ স্বপ্নের আক্ষেপও স্পষ্ট ছিল।

    আরও পড়ুন: হরমুজ ঘিরে অনিশ্চয়তা! তেল আমদানি সচল রাখতে বড় গেমপ্ল্যান ভারতের

    স্টারমারের উপর চাপ বাড়তে শুরু করেছিল অনেক দিন ধরেই। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স আগেই জানিয়েছিল, লেবার পার্টির শতাধিক সাংসদ প্রকাশ্যে তাঁর পদত্যাগের দাবি তুলেছেন। এই সাংসদরা হাউস অফ কমন্সে লেবার পার্টির মোট আসনের প্রায় এক-চতুর্থাংশ প্রতিনিধিত্ব করেন। ফলে দলের ভেতরে যে অসন্তোষ গভীর আকার নিয়েছে, তা আর গোপন ছিল না। একসময় যিনি দলকে ঐক্যবদ্ধ করে নির্বাচনী জয়ের পথে নিয়ে গিয়েছিলেন, সেই স্টারমারই ধীরে ধীরে নিজের দলের একাংশের আস্থা হারাতে শুরু করেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, দলের ভেতরের এই বিদ্রোহই শেষ পর্যন্ত তাঁর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে দিয়েছে।

    ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে লেবার পার্টির ঐতিহাসিক জয়ের নেপথ্যে প্রধান মুখ ছিলেন কিয়ের স্টারমার। দীর্ঘ সময় পর কনজারভেটিভদের ক্ষমতাচ্যুত করে সরকার গঠনে তাঁর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর থেকেই নানা বিতর্ক, নীতিগত পরিবর্তন এবং নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থতার অভিযোগ তাঁর জনপ্রিয়তাকে ধাক্কা দিতে শুরু করে। বিশেষ করে জীবনযাত্রার ব্যয়, অর্থনৈতিক সংস্কার এবং জনকল্যাণমূলক পদক্ষেপ নিয়ে মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারায় তাঁর ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর মধ্যেই সাম্প্রতিক উপনির্বাচনে তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যান্ডি বার্নহ্যামের জয় স্টারমারের উপর চাপ আরও বাড়িয়ে দেয়। অনেকের মতে, ওই ফলাফলই ছিল তাঁর নেতৃত্বের প্রতি দলের আস্থাহীনতার প্রকাশ্য ইঙ্গিত।

    Keir Starmer has finally resigned as the Prime Minister of Britain.

    আরও পড়ুন: হারের পর প্রথম ২১ জুলাই, তৃণমূলকে চাঙ্গা করতে কী পরিকল্পনা নেত্রীর?

    ব্রিটেনের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় দলীয় নেতৃত্ব পরিবর্তনের প্রক্রিয়া তুলনামূলকভাবে সহজ। কনজারভেটিভ পার্টিতে ১৫ শতাংশ সাংসদ কোনও নেতার বিরুদ্ধে অনাস্থা জানালে নেতৃত্ব নিয়ে ভোটাভুটি হতে পারে। লেবার পার্টির ক্ষেত্রে সেই সীমা ২০ শতাংশ। যদিও স্টারমারের (Keir Starmer) বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অনাস্থা ভোটের পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আগেই তিনি সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এখন নজর নতুন নেতৃত্বের দিকে। কে হবেন লেবার পার্টির পরবর্তী নেতা এবং ব্রিটেনের আগামী প্রধানমন্ত্রী, তা নিয়ে জল্পনা ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। তবে স্টারমারের বিদায় ব্রিটিশ রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটাল বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

    Click here to Read More
    Previous Article
    ‘ডিম থেরাপি’ থামাতে হাইকোর্টে মামলা তৃণমূলের! শুনানি কবে?
    Next Article
    'বেকারদের জন্য ভরসা কর্মসূচি' Suvendu Adhikari

    Related আন্তর্জাতিক Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment