Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    রাজধর্ম আর ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি আলাদা করতে পারেননি মমতা! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    1 month ago

    বাংলা হান্ট ডেস্কঃ তৃণমূল জমানার অবসান ঘটিয়ে রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) সরিয়ে বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এবার তিনিই ভরা বিধানসভায় নাম না করে নিজের পূর্বসূরিকে আক্রমণ করলেন। শুভেন্দু বলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কোনটা রাজধর্ম এবং কোনটা ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি, এর পার্থক্য করতে পারেননি মমতা।

    মমতাকে নিশানা শুভেন্দুর | (Suvendu Adhikari)

    বাংলায় গুন্ডা দমনের উদ্দেশে ও তোলাবাজি আটকাতে সোমবার বিধানসভায় জোড়া বিল পেশ করে সরকার। সেই জোড়া বিলের সমর্থনে বক্তব্য রাখতে গিয়েই পূর্বসূরি মমতাকে নিশানা করেন শুভেন্দু। টেনে আনেন বাম আমলের প্রসঙ্গও।

    আরও পড়ুনঃ ৩০০০ টাকার আশায় জল! একের পর এক অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদন বাতিল, ধুলিয়ানে বিক্ষোভ মহিলাদের

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “রাজ্য রাজনীতিতে এই অধঃপতন ছিল না। সিপিএমের হাত ধরে রাজনীতিতে অপরাধীদের আমদানি হয়। ১৯৯৯ সালের আগে এসব ছিল না। ২০০০ সালে পাঁশকুড়া লোকসভায় বিক্রম সরকারের কাছে গুরুদাস দাশগুপ্ত হেরে যান। এরপরেই ২০০১ সালে সরকার পরিবর্তনের রব উঠে যায়। সেই পরিবর্তনের হাওয়া ঠেকানোর জন্য হার্মাদ বাহিনী তৈরি হয়”।

    এরপর তৃণমূল জমানায় সংখ্যালঘু তোষণের অভিযোগে সরব হন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “একটি সম্প্রদায়কে রাস্তায় নামিয়ে আমি তোমাদেরই লোক প্রমাণের চক্করে ২০১৯ সাল থেকে বাংলায় পরপর যেসব ঘটনা ঘটেছে, তার খেসারত একসময় কাস্তে-হাতুরি-তারায় ভোট দেওয়া হরগোবিন্দ দাসের পরিবারকে দিতে হয়েছে। এর জন্য সরকারি সম্পত্তি, রাস্তা, রেলপথ, সরকারি অফিস, আবাসস্থল, ব্যক্তিগত ব্যবসা কেন্দ্র সব ধ্বংসস্তূপে রূপান্তরিত হয়েছে”।

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সিএএ আন্দোলন, ওয়াকফ আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের সময় ধুলিয়ানের মতো এলাকায় প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। আগের রাজ্য সরকার অভিযুক্তদের থেকে এর ক্ষতিপূরণ আদায় করতে ব্যর্থ। তৃণমূল আমলে মুসলিম সম্প্রদায়কে বারবার ভুল পথে চালনা করা হয়েছিল, তাঁদের ব্যবহার করা হয়েছে বলেও অভিযোগে করেন শুভেন্দু।

    Suvendu Adhikari

    একইসঙ্গে তিনি জানান, এই আইন আনা হলেও এর অপপ্রয়োগ করা হবে না। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “এই আইন সমর মুখোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে প্রয়োগ করা হবে না। জয়নাল আবেদিন, গণি খান চৌধুরীকে আমি কখনও খারাপ বলি না। আব্দুর সাত্তার সাহেবদের বিরুদ্ধেও বলি না”।

    এদিকে এদিন রাজ্য বিধানসভায় গুন্ডা দমন বিল পাশ হয়ে যায়। জানা গিয়েছে, ১৭৬ জন বিধায়ক পক্ষে ভোট দিয়েছেন, অন্যদিকে বিপক্ষে দিয়েছেন ৪১ জন। ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকেন ২০ জন বিধায়ক।

    Click here to Read More
    Previous Article
    ''হরগোবিন্দ দাসের পরিবারকে স্যালুট করুন'', বললেন মুখ্য়মন্ত্রী
    Next Article
    দিঘায় কৃষ্ণনামে মেতে উঠলেন শিশির অধিকারী, ‘পারিবারিক স্টাইলে’ নেচে নজর কাড়লেন মুখ্যমন্ত্রীর বাবা

    Related পশ্চিমবঙ্গ Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment