Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    অন্নপূর্ণার ফর্ম হাতে তৃণমূল, কলকাতায় নতুন সমীকরণ?

    1 day ago

    বাংলা হান্ট ডেস্ক : রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের পর রাজনৈতিক সমীকরণে নানা পরিবর্তন দেখা গেলেও সাধারণ মানুষের জন্য চালু হওয়া সরকারি প্রকল্পগুলিকে কেন্দ্র করে নতুন এক ছবি সামনে আসছে। বিজেপি সরকারের ঘোষিত ‘অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার'(Annapurna Bhandar) প্রকল্পের সুবিধা যাতে দ্রুত যোগ্য মহিলাদের কাছে পৌঁছায়, সেই লক্ষ্যেই শহরের বহু এলাকায় ফর্ম বিতরণ ও ফর্ম পূরণে সাহায্যের কাজে এগিয়ে এসেছেন তৃণমূল পরিচালিত পুরসভার জনপ্রতিনিধিরা।

    ‘অন্নপূর্ণা ভান্ডার’-এর (Annapurna Bhandar)ফর্ম বিলি করছেন তৃণমূল কর্মীরা

    শুধু ওয়ার্ড অফিস নয়, বিভিন্ন ক্লাবঘর, পুজো কমিটির কার্যালয়, কলোনি সংগঠন, বস্তি উন্নয়ন কমিটি এবং বরো অফিসগুলিকেও আবেদনপত্র বিতরণের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। স্থানীয় মহিলাদের আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে বোঝানো থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় তথ্য জোগাড়ে সহায়তা করছেন কাউন্সিলরদের কর্মীরাও।

    এই উদ্যোগের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তৃণমূলের একাধিক কাউন্সিলর বলেন, “বিধানসভা ভোটে বাংলার মানুষের রায় মেনে নিয়ে ক্ষমতায় আসা রাজ্য সরকারের অন্ধ বিরোধিতা না করে সামগ্রিক উন্নয়ন ও নাগরিক পরিষেবায় সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া শিষ্টাচার ও শ্রেয়। আর সর্বোপরি সরকারি বিজ্ঞপ্তি মেনে ভাতার ৩০০০ টাকা ওয়ার্ডের যোগ্য মহিলাদের পৌঁছে দেওয়া পুরপ্রতিনিধি হিসাবে দায়িত্ব ও কর্তব্যের মধ্যে পড়ে।”

    নতুন সরকারের প্রশাসনিক বৈঠক ও উন্নয়ন সংক্রান্ত আলোচনায় বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিদেরও আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। এই মনোভাবকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন তৃণমূলের অনেক কাউন্সিলর। কলকাতা পুরসভায় তৃণমূলের ১৩৭ জন কাউন্সিলর থাকলেও প্রথম দফায় প্রায় ৬০ জন এই কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। যদিও বিজেপির অভিযোগ, মানুষের ক্ষোভ এড়াতে এবং নিজেদের ভাবমূর্তি রক্ষা করতেই তৃণমূলের একাংশ এই কর্মসূচিকে সামনে আনছে।

    এদিকে পুর কমিশনার স্মিতা পাণ্ডের তত্ত্বাবধানে শহরের সমস্ত ১৪৪টি ওয়ার্ডেই ফর্ম পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভবানীপুরের ৭০ নম্বর ওয়ার্ডে মেয়র পারিষদ অসীম বসুকে নিজে উপস্থিত থেকে আবেদনকারীদের দিকনির্দেশ দিতে দেখা যায়। তিনি বলেন, “বৃহত্তর পরিবারের স্বার্থে সরকারি পরিষেবা ও ভাতা পেতে ওয়ার্ডের নাগরিকদের সাহায্য করছি, এটা কাউন্সিলর হিসাবে আমার দায়িত্ব ও কর্তব্য।” অনেক জায়গায় বিজেপি কর্মীদের পাশাপাশি তৃণমূলের স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যারাও আবেদনপত্র পূরণে মহিলাদের সহায়তা করছেন।

    Trinamool Congress workers with Annapurna Bhandar's form in hand

    আরও পড়ুন : জুন জুড়ে একাধিক ব্যাঙ্ক ছুটি, মোট ১১ দিন বন্ধ থাকবে শাখা—রইল পূর্ণ তালিকা

    সরকারি প্রকল্পের সুবিধা দ্রুত মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে প্রশাসন, পুরসভা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের এই সমন্বিত উদ্যোগ ইতিমধ্যেই শহরের বিভিন্ন প্রান্তে নজর কেড়েছে। রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও সাধারণ মানুষের স্বার্থে সহযোগিতার এই ছবি আগামী দিনে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    Click here to Read More
    Previous Article
    ৩০ দিনের ডেডলাইন, না মানলেই ব্যবস্থা! ফি নিয়ে রাজ্যের কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে বড় নির্দেশ নবান্নের
    Next Article
    প্রথম দিনেই বড় সাফল্য, সোমবার কতজন মহিলা করলেন বিনেপয়সার বাস সফর?

    Related পশ্চিমবঙ্গ Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment