Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    বাঁচবে বাঘ-লেপার্ড! ভারতের প্রথম ‘ওয়াইল্ডলাইফ-সেফ’ রোড কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করবে গাড়ির গতি?

    3 weeks ago

    বাংলা হান্ট ডেস্ক: ভারতেও দুবাইয়ের এর অনুকরণে তৈরি ওয়াইল্ড লাইফ  সেফ হাইওয়ে (Wildlife Safe Road)। মধ্যপ্রদেশের জবলপুরে রোড ট্রিপে বেরিয়ে অনেক ভ্রমণপিপাসু হঠাৎই অবাক হয়ে যেতে পারেন। ভোপাল থেকে জবলপুর যাওয়ার পথে জাতীয় সড়ক ৪৫-এর উপর লাল চৌকো চৌকো মার্কিং দেখে অনেকের মনে হতে পারে যেন দুবাইয়ের কোনও আধুনিক শহুরে রাস্তা। বনজঙ্গলে ঘেরা এই হাইওয়ের সুদৃশ্য আর বিদেশি প্রযুক্তির মিলনে তৈরি হয়েছে অভিনব এক উদ্যোগ, যার লক্ষ্য একদিকে গতি নিয়ন্ত্রণ, অন্যদিকে বন্যপ্রাণ রক্ষা।

    মধ্যপ্রদেশে তৈরি ভারতের প্রথম ‘ওয়াইল্ডলাইফ-সেফ’ (Wildlife Safe Road) রোড:

    আসলে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর বিখ্যাত শেখ জাইদ রোডের অনুপ্রেরণায় এই প্রযুক্তির আগমন ভারতে। সেই অনুকরণে এই সড়কের বিভিন্ন অংশে পিচের উপর ৫ মিলিমিটার পুরু থার্মোপ্লাস্টিকের লাল ব্লক বসানো রয়েছে। দ্রুতগতির গাড়ি এই রেড মার্কিং জ়োনে ঢুকলেই স্বাভাবিকভাবেই গতি কিছুটা কমে যায়। সেখানে ব্রেক কষার প্রয়োজন হয় না, কারণ বিশেষ উপাদানের ব্লকগুলো চাকার গ্রিপ বাড়িয়ে গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমায়।

    আরও পড়ুন: ফের আত্মহত্যার চেষ্টা মেট্রোয়, ব্লু লাইনে দীর্ঘক্ষণ ব্যাহত পরিষেবা

    মধ্যপ্রদেশের বনকর্তারা জানান যে, জাতীয় সড়কের পাশের সংরক্ষিত বনাঞ্চল ও টাইগার রিজ়ার্ভ এলাকায় প্রায়ই গাড়ির ধাক্কায় বাঘ, চিতা সহ অন্যান্য নানা বন্যপ্রাণীর মৃত্যু ঘটে থাকে। সেই পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্যই জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে দুবাইয়ের এই প্রযুক্তি প্রয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। যার ফলস্বরূপ তৈরি করা হয় ভারতের প্রথম ‘ওয়াইল্ডলাইফ-সেফ হাইওয়ে’, যা ভবিষ্যতে অন্য রাজ্যের জন্যও মডেল হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

    জানা গিয়েছে, জাতীয় সড়ক ৪৫-এর প্রায় ১২ কিলোমিটার অংশজুড়ে থার্মোপ্লাস্টিকের এই রেড ব্লক বসানো হয়েছে। যার মধ্যে প্রায় ২ কিলোমিটার রাস্তা গিয়েছে বীরেঙ্গনা দুর্গাবতী টাইগার রিজার্ভ এলাকার মধ্য দিয়ে। গাড়ির চালকরা ওই লাল মার্কিং দেখেই বুঝতে পারবেন যে তারা সংবেদনশীল এলাকায় প্রবেশ করেছেন এবং গতি কমানো প্রয়োজন। আর যদি এই প্রযুক্তির নিয়ম কেউ উলঙ্ঘন করে থাকে তবে তাদের শাস্তি স্বরূপ দিতে হবে মোটা টাকার জরিমানাও দিতে হবে, এমনটাই জানানো হয়েছে কর্তৃপক্ষের তরফে। বনকর্মীদের দাবি, রাতের অন্ধকারে গাড়ির আলোয় এই লাল ব্লকগুলো আরও স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হওয়ায় দুর্ঘটনার সম্ভাবনা কমে।

    India's first 'Wildlife Safe Road' built in Madhya Pradesh.

    আরও পড়ুন: ৪ জোড়া স্পেশাল ট্রেন নামাচ্ছে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে, কী উপলক্ষে ‘উপহার’ রেলের?

    এছাড়াও এই প্রকল্পের অংশ হিসেবে বনাঞ্চল সংলগ্ন এলাকায় ২৫টিরও বেশি আন্ডারপাস তৈরি করা হয়েছে, যাতে বন্যপ্রাণীরা নিরাপদে রাস্তা পার করতে পারে। লম্বা চেন-লিঙ্ক ফেন্সিং, সিসিটিভি ক্যামেরা এবং সতর্কতামূলক সাইনবোর্ডও বসানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আধুনিক প্রযুক্তি ও পরিবেশ সংরক্ষণের এই সমন্বয় শুধু বন্যপ্রাণ বাঁচাতেই নয়, ভবিষ্যতের টেকসই পরিকাঠামো নির্মাণের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে উঠতে পারে।

    Click here to Read More
    Previous Article
    বাংলার সাড়ে ১২ লক্ষ ছাত্র-ছাত্রীকে সাইকেল দেবে রাজ্য সরকার, সামনে এল দিনক্ষণ
    Next Article
    Banglahunt Live 24x7 |Mukul Roy Live| ২৪x৭ ব্রেকিং নিউজ আপডেট | West Bengal & National News LIVE

    Related ভারত Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment