Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    ধুঁকছে চিনের অর্থনীতি! পরিস্থিতি সামলাতে নয়া পদক্ষেপ পড়শি দেশের

    1 week ago

    বাংলা হান্ট ডেস্ক: প্রায় তিন দশক ধরে বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে পরিচিত চিনের (China) অর্থনৈতিক ক্ষমতা ধীরে ধীরে হ্রাস পাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে ২০২৬ সালের মধ্যে দেশটি ৪.৫ থেকে ৫ শতাংশ জিডিপি বৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে চিন, যা ১৯৯১ সালের পর সর্বনিম্ন বলে মনে করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে দ্রুত বৃদ্ধির পর সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নানা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে অর্থনীতির নিরিখে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই দেশ। এই পরিস্থিতিতে ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক কাঠামো নতুনভাবে সাজানোর পথে হাঁটতে শুরু করেছে বেজিং।

    হ্রাস পাচ্ছে চিনের (China) অর্থনৈতিক ক্ষমতা!

    চিনের জাতীয় সংসদ  ন্যাশনাল পিউপলস কংগ্রেসের উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী ২০২৬ সালের গ্রোথের লক্ষ্য ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে এই অধিবেশনে প্রকাশ করা হয়েছে ১৫তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার খসড়াও, যেখানে ২০২৬ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত দেশের অর্থনীতির রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে। সেই পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে শুধু রপ্তানি বা উৎপাদনের উপর নির্ভর না করে খরচ, উদ্ভাবন এবং উচ্চ প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পের উপর জোর দেওয়া হবে। অর্থাৎ অর্থনীতিকে এমনভাবে গড়ে তোলা হবে যাতে বাইরের বাজারের কোনও ধাক্কা কম লাগে।

    আরও পড়ুন: ইউটিউব দেখে দ্বাদশ শ্রেণিতেই শুরু করেন অভিনব ব্যবসা! গুরলিনের সফলতা উদ্বুদ্ধ করবে প্রত্যেককে

    বিগত কয়েক দশক ধরে চিনের দ্রুত উন্নয়নের প্রধান ভিত্তি ছিল বিশাল উৎপাদন ব্যবস্থা এবং রপ্তানি নির্ভর অর্থনীতি। কিন্তু বিশ্ব বাণিজ্যের এই অনিশ্চয়তা এবং অভ্যন্তরীণ সমস্যার কারণে সেই মডেল এখন পরিবর্তনের পথে। অর্থনীতিবিদদের মতে, ২০৩৫ সালের মধ্যে উন্নত দেশের দৌড়ে টিকে থাকতে হলে আগামী দশকে গড়ে অন্তত ৪.৩ শতাংশ বৃদ্ধি ধরে রাখতে হবে চিনকে। তবে বাস্তবে সেই লক্ষ্য অর্জন করা অতটাও সহজ হবে না, কারণ দেশের জনসংখ্যা দ্রুত বেড়েই চলেছে, সম্পত্তি বা রিয়েল এস্টেট খাত দীর্ঘদিন ধরে সংকটে রয়েছে এবং অভ্যন্তরীণ চাহিদাও তুলনামূলকভাবে দুর্বল।

    এই পরিস্থিতিতে প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পের ওপরই জোর দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সেমিকন্ডাক্টর, সবুজ শক্তি ও উন্নত উৎপাদন প্রযুক্তিকে ভবিষ্যতের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে ধরা হচ্ছে। তবে কিছু বিশেষজ্ঞের আশঙ্কা, দ্রুত প্রযুক্তিনির্ভর শিল্পে রূপান্তরের ফলে ঐতিহ্যগত উৎপাদন ও শ্রমনির্ভর খাতে কর্মসংস্থান কমেও যেতে পারে। যার ফলে লক্ষ লক্ষ শ্রমিকের কাজ হারানোর সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে, যা সামাজিক ও অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে পারে।

    Economic power of China is declining!

    আরও পড়ুন: যুদ্ধের আবহেও উপচে পড়ল সরকারের কোষাগার! ভারতের বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডারে বিপুল বৃদ্ধি

    এদিকে চিনের অর্থনীতি দীর্ঘ সময় ধরে মুদ্রাস্ফীতির সমস্যার মধ্যেও রয়েছে। প্রায় ১১টি ত্রৈমাসিক ধরে অর্থনীতিতে মূল্যহ্রাস বা ডিফ্লেশনের প্রভাব দেখা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতি স্মৃতি উসকে দিচ্ছে ১৯৯০-এর দশকের জাপানের অর্থনৈতিক সংকটের। যখন দ্রুত উন্নয়নশীল এই দেশের অর্থনীতি হঠাৎই দীর্ঘমেয়াদি স্থবিরতার মধ্যে পড়ে। যদি চিনের ক্ষেত্রেও তেমন পরিস্থিতি তৈরি হয়, তাহলে তার প্রভাব শুধু দেশটির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না—বরং সমগ্র বৈশ্বিক অর্থনীতির উপর বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকেরা।

    Click here to Read More
    Previous Article
    যুদ্ধের আবহেও উপচে পড়ল সরকারের কোষাগার! ভারতের বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডারে বিপুল বৃদ্ধি
    Next Article
    "একটা সময়ে ভারতের ৩০ শতাংশ জিডিপি ভাগ করতাম এখন সেটা ৬ শতাংশ" সুব্রত ঠাকুর, বিজেপি বিধায়ক |

    Related আন্তর্জাতিক Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment