Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    Long Island City

    -0.79°C

    Stormy
    4.12 km/h
    60%
    0.2h

    Latest News Videos

    Latest

    ফেডারেশনের কাঠামো ভেঙে ‘কনফেডারেশন’ এর উত্থান, টলিউডের ‘সাফাই’এ SIR এর ঘোষণা পাপিয়ার

    বাংলাহান্ট ডেস্ক : রাজ্যে যেমন ক্ষমতা বদল হয়েছে, তেমনই টালিগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রিতেও এসেছে বড় পরিবর্তন। দীর্ঘ দু দশক পরে ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’ এর রাজত্বে ভাঙন ধরেছে। ‘রঙ’ বদলাতে শুরু করেছে টলিউড। অভিযোগ, ইতিমধ্যেই অনেক অভিনেতা নাকি সুরও বদলে ফেলেছেন। টলিউডে দুর্নীতির অবসান ঘটাতে এবার বড় ঘোষণা করলেন বিধায়ক পাপিয়া অধিকারী (Papiya Adhikari)। ইন্ডাস্ট্রির দুর্নীতি মুছতে এবার টলিউডেও শুরু হতে চলেছে এসআইআর, জানালেন পাপিয়া। টলিউডে দুর্নীতি রুখতে বড় পদক্ষেপ পাপিয়া অধিকারীর (Papiya Adhikari) বিগত বেশ কয়েক বছর ধরেই অভিযোগ উঠছিল, টলিউড ইন্ডাস্ট্রির বেশিই ‘রাজনীতিকরণ’ হয়ে গিয়েছে। তৎকালীন শাসক দলের সঙ্গে রাজনৈতিক মতপার্থক্য হওয়ায় শিল্পীদের ‘একঘরে’ করা থেকে ফেডারেশনের দাপটের অভিযোগ উঠেছে বারবার। এমনকি সম্প্রতি ইন্ডাস্ট্রিতে ‘ব্যান কালচার’ নিয়েও সরব হতে দেখা গিয়েছে অনেককে। এমতাবস্থায় বিশ্বাস ভ্রাতৃদ্বয়ের একচ্ছত্র আধিপত্য থেকে ইন্ডাস্ট্রিকে মুক্ত করার দাবি উঠছিল অনেকদিন ধরেই। রাজ্যে পালাবদল হতেই নতুন অধ্যায়ের সূচনা হল টলিউডেও।   নতুন অধ্যায় শুরু: বুধবার সকালে টেকনিশিয়ান স্টুডিও চত্বরে বৈঠকের পর বিধায়ক পাপিয়া অধিকারী জানান, টলিউডের কর্ম সংস্কৃতিতে বদল আসবে এবার। সবাই এক ছাতার তলায় আসবেন। ফেডারেশনের পুরনো কাঠামো বদল হচ্ছে। ইন্ডাস্ট্রিতে এবার মাথা তুলে দাঁড়াবে ‘ইস্টার্ন ইন্ডিয়া মোশন পিকচার্স অ্যান্ড কালচারাল কনফেডারেশন’ বাকালচারা। তার জন্য প্রতি সপ্তাহে টেকনিশিয়ান স্টুডিওতে আলোচনা হবে। আরও পড়ুন : কাটতে চলেছে ১৫ বছরের জট, ১০ হাজার কোটি টাকার রেল প্রকল্প নিয়ে বৈঠক নবান্নে কী জানালেন বিধায়ক: তিনি আরও জানান, ফেডারেশনের আওতায় যে ২৬ টি গিল্ড আগে ছিল, তাও আর থাকছে না। তার বদলে সিনেম্যাটোগ্রাফি, পরিচালক, প্রোডাকশন কন্ট্রোলার এবং আর্ট অ্যান্ড কস্টিউম- এই চারটি বিভাগের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সকলে কাজ পাবেন। টলিউডের ‘ব্যান কালচার’ এর বিরুদ্ধে সরব হয়ে পাপিয়া (Papiya Adhikari) বলেন, ব্যান কালচার মুছে যাবে টলিউড থেকে। একটি ছবি তৈরিতে প্রযোজকের যা যা দরকার, এই চারটি বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করে তাঁরাই ঠিক করবেন। সকলে কাজ করবেন, কেউ বাদ যাবেন না। আরও পড়ুন : ‘লক্ষ্মী’ বদলে যাচ্ছে ‘অন্নপূর্ণা’য়, আপনার নাম ট্রান্সফার হয়েছে তো? ঘরে বসে চেক করুন এভাবে এরপরেই বিজেপি বিধায়ক বলেন, ‘যারা কাজ করছেন না, পয়সা দিয়ে এখানে ভর্তি হয়েছিলেন, তাদেরকে আমরা চিহ্নিত করব। টলিউডে এসআইআর হবে। অনেক অযোগ্য মানুষ ইন্ডাস্ট্রিতে ঢুকে পড়েছিলেন। কীভাবে আমরা টালিগঞ্জ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির ব্যবসা এগিয়ে নিয়ে যাব, সেটাই বর্তমানে আমাদের মূল আলোচ্য বিষয়।’ তিনি স্পষ্ট করে বলেন, বহিরাগরা এসে ইন্ডাস্ট্রির উপার্জন নষ্ট করেছেন। সেই কারণেই টলিউডে এসআইআর এর সিদ্ধান্ত।

    ফের চড়ছে পারদ, পড়ুয়াদের স্বস্তি দিতে বড় সিদ্ধান্ত শিক্ষা দফতরের

    বাংলা হান্ট ডেস্ক : রাজ্যে দিনের পর দিন বাড়ছে তাপমাত্রা। বর্ষার দেখা মেলেনি। এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছে স্কুলপড়ুয়ারা । গরমের ছুটি কাটিয়ে তারা স্কুলে ফিরেছে। তীব্র দাবদাহে আবহাওয়ার কথা মাথায় রেখে এবার নতুন পদক্ষেপ নিল রাজ্যের স্কুল শিক্ষা দফতর (West Bengal School)। রাজ্যের স্কুলগুলিকে (West Bengal School) নির্দেশিকা আপাতত আগামী দু’সপ্তাহ বিদ্যালয়গুলিকে সকালবেলার শিফটে পড়াশোনা করানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সোমবার থেকে গরমের ছুটির পর পুনরায় স্কুল খুলেছে। সেই দিনই শিক্ষা দফতরের তরফে একটি বিশেষ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আবহাওয়ার পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্কুল কর্তৃপক্ষ নিজেদের সুবিধামতো ক্লাসের সময় নির্ধারণ করতে পারবে। যেসব এলাকায় তাপপ্রবাহের প্রভাব বেশি, সেখানে সকালে ক্লাস নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে। ইতিমধ্যেই এই নির্দেশিকা রাজ্যের বিভিন্ন জেলার স্কুল পরিদর্শকদের কাছে পৌঁছে গিয়েছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, চলতি বছরে প্রথমে ১১ মে থেকে ১৬ মে পর্যন্ত গরমের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু তাপমাত্রা স্বাভাবিক না হওয়ায় পরে সেই ছুটির মেয়াদ বাড়িয়ে ৩১ মে পর্যন্ত করা হয়। এরপর ১ জুন থেকে পুনরায় পঠনপাঠন শুরুর নির্দেশ দেয় সরকার। আরও পড়ুন : ভাঙলেন ১৯ বছরের রেকর্ড! একই টুর্নামেন্টে ২ বার কার্লসেনকে পরাজিত করে ইতিহাস গড়লেন প্রজ্ঞানন্দ তবে এখনও রাজ্যের একাধিক জেলায় গরমের তীব্রতা অব্যাহত রয়েছে। তাই স্কুল সম্পূর্ণ বন্ধ না রেখে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে সকালবেলার ক্লাস পরিচালনার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। আগামী কয়েক সপ্তাহ পরিস্থিতির উপর নজর রেখে পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করবে শিক্ষা দফতর।

    ‘লক্ষ্মী’ বদলে যাচ্ছে ‘অন্নপূর্ণা’য়, আপনার নাম ট্রান্সফার হয়েছে তো? ঘরে বসে চেক করুন এভাবে

    বাংলাহান্ট ডেস্ক : রাজ্যে ক্ষমতায় এসেই আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পরপর পালন করতে শুরু করেছে বিজেপি সরকার। নির্বাচনী প্রচারে বিজেপির তরফে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, সরকার গড়লে মাসে ৩০০০ টাকা (Annapurna Bhandar) করে দেওয়া হবে রাজ্যের মহিলাদের। ক্ষমতায় এসেই সেই প্রতিশ্রুতি পালনে উদ্যত হয়েছে গেরুয়া শিবির। আজ থেকেই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করবে ৩০০০ টাকা। কারা পাবেন এই টাকা, কী কী তথ্য লাগবে তা ইতিমধ্যেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে সরকারের তরফে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের প্রাপকদের নাম ট্রান্সফার অন্নপূর্ণায় (Annapurna Bhandar) সরকারের তরফে আগেই জানানো হয়েছে, যারা আগে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পেতেন, তাদের নাম সরাসরি ট্রান্সফার হয়ে যাবে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের তালিকায়। রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, ‘আগে যারা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ১০০০ টাকা, ১২০০ টাকা বা গত মাসে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত যাই পেয়ে থাকুন না কেন, আমাদের সরকারে এবার থেকে সরাসরি ৩০০০ টাকা করে পাবেন। এর জন্য কোনও আইসিডিএস কেন্দ্র, ডিএম অফিসে যাওয়ার দরকার নেই’। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের প্রাপকদের নতুন করে ফর্ম ফিলাপ করার প্রয়োজন নেই, তা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে প্রশাসন। স্থানান্তরের আগে চলবে যাচাই: লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের জন্য নাম স্থানান্তরের জন্য জরুরি ভেরিফিকেশনের কাজ সরকারি দফতর থেকেই হবে। যাদের নাম আগে কোনও কারণে বাদ পড়েছিল, তাদের ক্ষেত্রেও পুনরায় যাচাইকরণ চলছে। উপযুক্ত প্রমাণ মিললে তারাও পাবেন প্রকল্পের সুবিধা। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এও জানিয়েছেন, যতদিন না নাম স্থানান্তর (Annapurna Bhandar) হচ্ছে, ততদিন আগের লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ১৫০০ টাকা পাওয়া থেকেও বঞ্চিত হবেন না প্রাপকরা। কিন্তু নাম ট্রান্সফার হয়েছে কিনা তা চেক করবেন কীভাবে? আরও পড়ুন : এক প্যাকেট পোস্তও ডেকে আনতে পারে বিরাট বিপদ, ট্রেন বা প্লেন সফরের আগে জানুন নিয়ম কীভাবে করবেন স্ট্যাটাস চেক: এর জন্য কোথাও ছোটাছুটির প্রয়োজন নেই। বাড়িতে বসে অনলাইনেই স্ট্যাটাস চেক করতে পারবেন। এর জন্য প্রথমেই যেতে হবে https://www.govtschemes.in/west-bengal-annapurna-bhandar-scheme পোর্টালে। সেখানে গিয়ে রাজ্যের নাম সিলেক্ট করে Annapurna Bhandar Scheme Official Portal Link এ ক্লিক করতে হবে। আরও পড়ুন : কাটতে চলেছে ১৫ বছরের জট, ১০ হাজার কোটি টাকার রেল প্রকল্প নিয়ে বৈঠক নবান্নে https://socialsecurity.wb.gov.in/login পেজটি খুলে গেলে Track Application Status এ ক্লিক করতে হবে। নাম নথিভুক্ত আছে কিনা এবং জুন মাসে টাকা ঢুকেছে কিনা তা দুটোই চেক করা যাবে এভাবে। এই অপশনে ক্লিক করলে Search Using অপশন পাওয়া যাবে। সেখানে সিলেক্ট এ ক্লিক করে ফোন নম্বর, আধার নম্বর বা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বরের যেকোনো একটিতে ক্লিক করে Enter Value তে সেই নম্বরটি দিতে হবে। এরপর ক্যাপচা দিয়ে সার্চ করতে হবে। অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের আওতায় মাসে মাসে ৩০০০ টাকা করে বছরে ৩৬ হাজার টাকা পাওয়া যাবে।

    ভাঙলেন ১৯ বছরের রেকর্ড! একই টুর্নামেন্টে ২ বার কার্লসেনকে পরাজিত করে ইতিহাস গড়লেন প্রজ্ঞানন্দ

    বাংলা হান্ট ডেস্ক: ভারতের তরুণ গ্র্যান্ডমাস্টার আর প্রজ্ঞানন্দ (R Praggnanandhaa) নরওয়ে চেস টুর্নামেন্টে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। মূলত, চেন্নাইয়ের ২০ বছর বয়সী এই গ্র্যান্ডমাস্টার বুধবার অষ্টম রাউন্ডে বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ দাবাড়ু ম্যাগনাস কার্লসেনকে (Magnus Carlsen) পরাজিত করেন। টুর্নামেন্টের তৃতীয় রাউন্ডে সাদা ঘুঁটি নিয়ে কার্লসেনকে পরাজিত করার পর, প্রজ্ঞানন্দ এবার কালো ঘুঁটি নিয়েও খেলাটি জিতে এই মরশুমে কার্লসেনের বিরুদ্ধে নিজের দ্বিতীয় জয়টি নথিভুক্ত করলেন। একই টুর্নামেন্টে ২ বার কার্লসেনকে পরাজিত করে ইতিহাস গড়লেন প্রজ্ঞানন্দ (R Praggnanandhaa): ভাঙলেন ১৯ বছরের রেকর্ড: জানিয়ে রাখি যে, ক্লাসিক্যাল দাবার গত ১৯ বছরের ইতিহাসে এই প্রথমবার কোনও দাবাড়ু একই টুর্নামেন্টে কার্লসেনকে ২ বার পরাজিত করেছেন। এর আগে ২০০৭ সালে, ভারতের কিংবদন্তি বিশ্বনাথন আনন্দ লিনারেস আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে কার্লসেনকে পরপর ২ টি ম্যাচে পরাজিত করেছিলেন। প্রজ্ঞানন্দ তাঁর জয়ে খুব বেশি খুশি নন: এদিকে, কার্লসেনের মতো কিংবদন্তির বিরুদ্ধে এই ঐতিহাসিক জয় সত্ত্বেও, প্রজ্ঞানন্দ যথেষ্ট বিনয়ী রয়েছেন এবং নিজের সাফল্যে অতিরিক্ত আত্মতুষ্টিতে ভুগতে চান না।বিসম্যাচ শেষে তিনি বলেন যে, কার্লসেনকে হারানোর চেয়ে টুর্নামেন্টের পয়েন্ট অর্জন করা এবং জয়ের ধারা বজায় রাখা তাঁর কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কার্লসেনের খেলার প্রশংসা করে তিনি স্বীকার করেন যে, অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতিতেও কার্লসেন চমৎকার ডিফেন্স প্রদর্শন করেছেন। প্রজ্ঞানন্দ বলেন যে, এক পর্যায়ে তিনি ভেবেছিলেন ম্যাচটি ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছে। কারণ কার্লসেন নিখুঁত চাল দিচ্ছিলেন। কিন্তু শেষ মুহূর্তের একটি মারাত্মক ভুল খেলার মোড় ঘুরিয়ে দেয়। আরও পড়ুন: বৈভব সূর্যবংশীর প্রতিভায় মুগ্ধ গোটা বিশ্ব! ‘বিস্ময় বালক’-কে নিয়ে গবেষণা শুরু করছে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞানন্দ তৃতীয় স্থানে রয়েছেন: জানিয়ে রাখি যে, প্রজ্ঞানন্দ বর্তমানে ১২ পয়েন্ট নিয়ে এই টুর্নামেন্টের পয়েন্ট টেবিলে একটি শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছেন। তিনি শীর্ষস্থানে থাকা ওয়েসলি সো (১৪ পয়েন্ট) এবং দ্বিতীয় স্থানে থাকা আলিরেজা ফিরোজজার (১৩ পয়েন্ট) থেকে খুব বেশি পিছিয়ে নেই। প্রজ্ঞানন্দ তাঁর বর্তমান ফর্মে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। যদিও, তিনি এটাও স্বীকার করেছেন যে সময়ের চাপের মুখে তাঁকে তাঁর কৌশল কিছুটা পরিমার্জন করতে হবে। তিনি সময় বাঁচিয়ে নিজের আক্রমণাত্মক খেলা অব্যাহত রাখার উদ্দেশ্য নিয়ে আসন্ন ম্যাচগুলিতে অংশগ্রহণ করবেন বলেও জানান। আরও পড়ুন: জাতীয় সড়কে বন্ধ হবে VIP কালচার! টোল ট্যাক্সের নিয়মে বড় পরিবর্তনের প্রস্তুতি সরকারের এখন, একদিনের বিশ্রামের পর প্রজ্ঞানন্দ টুর্নামেন্টের শেষ ২ রাউন্ডে একাধিক কঠিন প্রতিপক্ষের সম্মুখীন হবেন। তারপর তিনি বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন তথা ভারতের ডি গুকেশের মুখোমুখি হবেন। শেষ রাউন্ডে প্রজ্ঞানন্দনেজার্মানির ভিনসেন্ট কীমারের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

    0 1 0

    এখনই বন্ধ হচ্ছে না লক্ষ্মীর ভাণ্ডার! কতদিন প্রকল্প চলবে? জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

    বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বাংলার মহিলাদের জন্য লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Lakshmir Bhandar) চালু করেছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। এই প্রকল্পের মাধ্যমে তাঁদের মাসে মাসে আর্থিক সহায়তা দেওয়া শুরু হয়। তবে ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে রাজ্যে পালাবদলের পর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী অন্নপূর্ণা যোজনার কাজ শুরু করেছে বিজেপি সরকার। ইতিমধ্যেই আবেদনের কাজ শুরু হয়েছে। এই আবহে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প (Government Scheme) আর কতদিন চলবে সেই বিষয়ে আপডেট দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আর কতদিন চলবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Lakshmir Bhandar)? ভোটে জিতে ক্ষমতায় এলে রাজ্যের মা-বোনেদের মাসে মাসে ৩ হাজার টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বিজেপি। সেই মতো সরকার গঠন হতেই অন্নপূর্ণা যোজনার কাজ শুরু হয়ে যায়। আগেই অফলাইনে আবেদন শুরু হয়েছিল। বুধবার থেকে অন্নপূর্ণা যোজনার অনলাইন পোর্টালও চালু হয়ে গিয়েছে। এরপরেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার কতদিন চলবে তা পরিষ্কার করে দেন মুখ্যমন্ত্রী। বুধবার শুভেন্দু অধিকারী জানান, অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম ফিল সহ প্রকল্প সংক্রান্ত কাজ যতদিন চলছে, ততদিন অবধি লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পাওয়া যাবে। এই কাজ সম্পন্ন হলেই পুরনো প্রকল্প বন্ধ হয়ে যাবে। স্বাস্থ্যসাথীর ক্ষেত্রেও একই জিনিস হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। আরও পড়ুনঃ ‘গভীর বিবেচনার পর…’! ভেঙে চুরমার তৃণমূল! সোশ্যাল মিডিয়ায় বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এতদিন পর্যন্ত যারা স্বাস্থ্যসাথীর সুবিধা পাচ্ছিলেন, তাঁদের ক্ষেত্রে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হলে পূর্বতন প্রকল্প বন্ধ হয়ে যাবে। অর্থাৎ অন্নপূর্ণা যোজনা ও আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু না হওয়া অবধি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ও স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের সুবিধা মিলবে। নয়া প্রকল্প কার্যকর হতেই পুরনো প্রকল্পের সুবিধা বন্ধ হয়ে যাবে। প্রসঙ্গত, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের সাধারণ শ্রেণীর মহিলাদের মাসিক ১৫০০ টাকা এবং তফশিলি জাতি, জনজাতি ও পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়ের মহিলাদের মাসে মাসে ১৭০০ টাকা করে দিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। তবে এবার এই প্রকল্পের স্থান নিতে চলেছে অন্নপূর্ণা যোজনা। ফর্ম ফিল আপ সহ প্রকল্পের সব কাজ সম্পন্ন হলেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সুবিধা বন্ধ হয়ে যাবে বলে জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

    নিখুঁত নিশানায় ধ্বংস করবে শত্রুপক্ষের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা! পরীক্ষায় সফল ভারতের Rudram-II ক্ষেপণাস্ত্র

    বাংলাহান্ট ডেস্ক: ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধির পথে আরও এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক ছুঁল প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (ডিআরডিও)। দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘রুদ্রম-২’ (Rudram-II)-এর সফল পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার ওড়িশার চাঁদিপুর উপকূলে ভারতীয় বায়ুসেনার একটি যুদ্ধবিমান থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা হয়। ডিআরডিও জানিয়েছে, পরীক্ষাটি সম্পূর্ণ সফল হয়েছে এবং ক্ষেপণাস্ত্রটি নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সাফল্য ভারতীয় সেনাবাহিনীর আক্রমণাত্মক সক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করবে এবং আত্মনির্ভর প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির ক্ষেত্রে দেশের অবস্থানকে আরও মজবুত করবে। দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘রুদ্রম-২’ (Rudram-II)-এর সফল পরীক্ষা সম্পন্ন: ডিআরডিও সূত্রে জানা গিয়েছে, ‘রুদ্রম-২’ (Rudram II) একটি সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, যা শব্দের গতির প্রায় তিন গুণ বেগে উড়তে সক্ষম। সামরিক পরিভাষায় এই গতিবেগকে ‘ম্যাক-৩’ বলা হয়। ক্ষেপণাস্ত্রটির প্রধান বৈশিষ্ট্য হল শত্রুপক্ষের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বা এয়ার ডিফেন্স নেটওয়ার্ককে অচল করে দেওয়া। এটি শত্রুর রাডার, ট্র্যাকিং সিস্টেম এবং যোগাযোগ ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে ধ্বংস করতে পারে। যুদ্ধক্ষেত্রে শত্রুর নজরদারি ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে দুর্বল করার জন্য এই ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র অত্যন্ত কার্যকর বলে মনে করা হয়। বিশেষ করে আধুনিক যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে যেখানে রাডার এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার উপর নির্ভরতা অনেক বেশি, সেখানে ‘রুদ্রম-২’ একটি গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আরও পড়ুন: সীমান্ত বিরোধে চিন-ব্রিটেনকে জড়াতে চায় নেপাল! হুঁশিয়ারি দিয়ে কী জানাল দিল্লি? এই ক্ষেপণাস্ত্র ভারতীয় বায়ুসেনার সুখোই-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমান থেকে উৎক্ষেপণ করা যায়। উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০২০ সালে একই সুখোই যুদ্ধবিমান থেকে ‘রুদ্রম’ সিরিজের প্রথম ক্ষেপণাস্ত্র ‘রুদ্রম-১’-এর সফল পরীক্ষা হয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই আরও উন্নত প্রযুক্তি ও অধিক ক্ষমতা নিয়ে তৈরি হয়েছে ‘রুদ্রম-২’ (Rudram II)। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘এজিএম-৮৮ই অ্যান্টি রেডিয়েশন গাইডেড মিসাইল’-এর সমতুল্য। ক্ষেপণাস্ত্রটিতে উন্নতমানের ‘আইএনএস-জিপিএস নেভিগেশন’ ব্যবস্থা এবং অত্যাধুনিক ‘হোমিং হেড’ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, যা শত্রুপক্ষের বিকিরণ বা রশ্মি নির্গতকারী উৎসকে দ্রুত শনাক্ত করে নির্ভুলভাবে আঘাত হানতে সক্ষম। RudraM-II, Air-to-Surface Missile was successfully tested by #DRDO and @IAF_MCC from Airborne Platform. The tests were conducted under extreme release conditions with critical trajectory establishing the capability of all subsystems. pic.twitter.com/ED6DZK4hz7 — DRDO (@DRDO_India) June 2, 2026 ডিআরডিও জানিয়েছে, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের পেছনে তাদের একাধিক গবেষণাগার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ল্যাবরেটরি, হাই এনার্জি ম্যাটেরিয়ালস রিসার্চ ল্যাবরেটরি, আর্মামেন্ট রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এস্টাবলিশমেন্ট এবং ইন্টিগ্রেটেড টেস্ট রেঞ্জ (আইটিআর)-সহ বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে এই প্রকল্পে কাজ করেছে। দীর্ঘ গবেষণা, পরীক্ষা ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের মাধ্যমে ক্ষেপণাস্ত্রটিকে কার্যকর রূপ দেওয়া হয়েছে। গবেষকদের মতে, এই প্রকল্প ভারতের প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। শুধু সরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠানই নয়, দেশের বিভিন্ন শিল্প সংস্থাও এই প্রকল্পে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ‘ডেভেলপমেন্ট কাম প্রোডাকশন পার্টনারস’ হিসেবে হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (হ্যাল), রিজিওনাল সেন্টার ফর মিলিটারি এয়ারওয়ার্দিনেস, মিসাইল সিস্টেম কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স এজেন্সি এবং আরও বহু বেসরকারি ও সরকারি শিল্প প্রতিষ্ঠান এই প্রকল্পে অংশগ্রহণ করেছে। ডিআরডিওর মতে, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও শিল্পক্ষেত্রের এই সমন্বিত প্রচেষ্টাই প্রকল্পটিকে সফলতার পথে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে। এর ফলে দেশের প্রতিরক্ষা উৎপাদন ক্ষেত্রেও আত্মনির্ভরতার লক্ষ্য আরও একধাপ এগিয়ে গেল। আরও পড়ুন: তিনবারের বিধায়ক থেকে প্রাক্তন মন্ত্রী! ‘বিশ্বস্ত’রা ছাড়লেন হাত, TMC-র বিক্ষুব্ধদের তালিকায় কোন কোন হেভিওয়েট? রুদ্রম-২ (Rudram II)-এর সফল পরীক্ষাকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ। তিনি সমাজমাধ্যমে বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী এবং প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত সকলকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেছেন, এই সাফল্য দেশীয় প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান উৎকর্ষের প্রতীক। তাঁর মতে, উন্নত সমরাস্ত্র নির্মাণে আত্মনির্ভর ভারত গড়ে তোলার পথে এটি একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদেরও মত, ‘রুদ্রম-২’ শুধু একটি ক্ষেপণাস্ত্র নয়, বরং এটি ভারতের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, গবেষণা দক্ষতা এবং কৌশলগত আত্মবিশ্বাসের প্রতীক হয়ে উঠেছে। ভবিষ্যতে এই প্রযুক্তির আরও উন্নয়ন দেশের সামরিক শক্তিকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যায়ে পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

    0 1 0