Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    ভোটে হার ৩২ লক্ষে, কিন্তু বিচারাধীন ৩৫ লক্ষ নাম! বাংলার ভোট নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ কল্যাণ

    2 weeks ago

    বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের ফলের উপর এসআইআর প্রক্রিয়ার প্রভাব পড়েছিল কি না, সেই প্রশ্ন এবার সরাসরি উঠল সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)। প্রায় ৩৫ লক্ষ ভোটারের নাম সংক্রান্ত আবেদন এখনও ট্রাইব্যুনালে ঝুলে রয়েছে বলে দাবি তুলে সোমবার দেশের শীর্ষ আদালতে সরব হন তৃণমূল সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, ভোটে হারের ব্যবধান যেখানে প্রায় ৩২ লক্ষ, সেখানে এত বিপুল সংখ্যক আবেদন বিচারাধীন থাকায় নির্বাচনের ফলেও তার প্রভাব পড়ে থাকতে পারে। এই পরিস্থিতিতে ইলেকশন পিটিশন দায়েরের অনুমতিও চান তিনি।

    SIR মামলা ও ভোটের ফল নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) জোর বিতর্ক

    সোমবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে এসআইআর মামলার শুনানির সময় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বাংলার একাধিক আসনে জয়ের ব্যবধানের তুলনায় বিচারাধীন ভোটার আবেদন অনেক বেশি ছিল। তাঁর বক্তব্য, অন্তত ৩১টি আসনে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল যেখানে ট্রাইব্যুনালে ঝুলে থাকা নামের সংখ্যা জয়ের ব্যবধানের থেকেও বেশি। একটি নির্দিষ্ট আসনের উদাহরণ দিয়ে তিনি আদালতে (Supreme Court) জানান, সেখানে তাঁদের প্রার্থী মাত্র ৮৬২ ভোটে হেরেছিলেন। অথচ প্রায় ৫ হাজার ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ গিয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।

    এবারের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি মোট ২ কোটি ৯২ লক্ষ ২৪ হাজার ৮০৪ ভোট পেয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূল পেয়েছে ২ কোটি ৬০ লক্ষ ১৩ হাজার ৮৪ ভোট। ভোটের ব্যবধান প্রায় ৩২ লক্ষ হলেও আসনের হিসেবে বিজেপি পেয়েছে ২০৭টি এবং তৃণমূলের ঝুলিতে গেছে ৮০টি আসন। শুনানির সময় নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী ডিএস নাইডু আদালতে (Supreme Court) জানান, এই বিষয়ে ইলেকশন পিটিশন দায়ের করা যেতে পারে। এরপরই কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সুপ্রিম কোর্টের কাছে আবেদন জানান যাতে তাঁকে এই গ্রাউন্ডে ইলেকশন পিটিশন ফাইল করার অনুমতি দেওয়া হয়।

    এই আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, এ জন্য আলাদা করে ইন্টারলোকিউটরি অ্যাপ্লিকেশন বা IA দায়ের করতে হবে। কমিশনের বক্তব্য শোনার পর আদালত বিষয়টি বিবেচনা করবে বলেও জানানো হয়। এদিন শুনানিতে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গ উঠে আসে। এসআইআর ট্রাইব্যুনাল থেকে কলকাতা হাই কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের ইস্তফার বিষয়টি আদালতের নজরে আনা হয়। এ প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, কেউ ব্যক্তিগত কারণে পদত্যাগ করলে আদালতের বিশেষ কিছু করার থাকে না।

    শুনানির সময় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে (Supreme Court) আরও বলেন, দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া শেষ না হলে আগামী বছরের পৌরসভা নির্বাচন এবং তার পরের পঞ্চায়েত নির্বাচনেও এর প্রভাব পড়তে পারে। তৃণমূলের আর এক আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী দাবি করেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে পুরো প্রক্রিয়া শেষ হতে চার বছর পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে। এর পরিপ্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্ট জানায়, কত দিনের মধ্যে এই শুনানি শেষ করা সম্ভব তা বোঝার জন্য কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছ থেকে রিপোর্ট প্রয়োজন।

    প্রসঙ্গত, বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে শুরু থেকেই রাজনৈতিক উত্তেজনা ছিল। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পরও প্রায় ৬০ লক্ষ আবেদন বিবেচনাধীন অবস্থায় ছিল। পরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বিচারক পর্যায়ের জুডিশিয়াল অফিসারদের নিয়োগ করা হয় এই আবেদনগুলির নিষ্পত্তির জন্য। যাঁদের নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়নি, তাঁরা পরে ট্রাইব্যুনালের দ্বারস্থ হন। তবে ভোট চলাকালীন সময়েও প্রায় ৩৫ লক্ষ আবেদন ট্রাইব্যুনালে ঝুলে ছিল বলে আদালতে জানানো হয়।

    Supreme Court directs SIR tribunal matter to Calcutta High Court

    আরও পড়ুনঃ গরু পাচার রুখতে রাজ্যজুড়ে কড়াকড়ি, ক্ষমতায় এসেই বড় নির্দেশ BJP-র

    সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) সংবিধানের ১৪২ ধারার বিশেষ ক্ষমতা ব্যবহার করে নির্দেশ দিয়েছিল, ২১ এপ্রিল পর্যন্ত যাঁদের নামের নিষ্পত্তি হবে এবং ভোটার তালিকায় নাম থাকবে, তাঁরা ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোটে অংশ নিতে পারবেন। একইভাবে ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত নিষ্পত্তি হওয়া নামের ভিত্তিতে দ্বিতীয় দফার ভোটে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। তবে বাস্তবে খুব কম সংখ্যক নামই তালিকাভুক্ত হয়েছিল। প্রথম দফার আগে মাত্র ১৩৬ জনের নাম যুক্ত হয়। দ্বিতীয় দফার আগে আরও ১৪৬৮ জনের নাম ভোটার তালিকায় ওঠে।

    Click here to Read More
    Previous Article
    জয়ের পর নবান্নে বিজেপি বিধায়কেরা
    Next Article
    ‘মসজিদবাড়ি রোড’ এবার ‘নেতাজি পল্লী’, বারাসাতে রাস্তার নাম পরিবর্তনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা

    Related পশ্চিমবঙ্গ Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment