Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    পিএম কিষাণ নাকি কৃষক বন্ধু, কোন প্রকল্পে টাকা বেশি? কোনটায় বেশি সুবিধা জানুন

    6 hours ago

    বাংলা হান্ট ডেস্কঃ কৃষকদের জন্য চালু করা দু’টি প্রকল্প হল প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি যোজনা তথা পিএম কিষাণ ও কৃষক বন্ধু (PM Kisan Vs Krishak Bandhu)। প্রথমটি কেন্দ্রীয় সরকারের ও দ্বিতীয়টি রাজ্য সরকারের স্কিম (Government Scheme)। দুই প্রকল্পের মাধ্যমেই কৃষকদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। তবে মূল উদ্দেশ্য এক হলেও, পিএম কিষাণ ও কৃষক বন্ধুর ভাতার পরিমাণ, যোগ্যতার শর্ত ও সুবিধার ক্ষেত্রে বেশ কিছু পার্থক্য রয়েছে।

    পিএম কিষাণ ও কৃষক বন্ধুর তফাৎ | (PM Kisan Vs Krishak Bandhu)

    কেন্দ্রের পিএম কিষাণ যোজনার মাধ্যমে যোগ্য ভূমিমালিক কৃষক পরিবারকে বছরে তিনটি কিস্তিতে ২ হাজার টাকা করে মোট ৬ হাজার টাকা দেওয়া হয়। চার মাস অন্তর ডিবিটির মাধ্যমে সরাসরি উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠায় সরকার। এই প্রকল্পে ই-কেওয়াইসি বাধ্যতামূলক। পাশাপাশি নির্দিষ্ট কিছু বর্জনীয় শ্রেণি রয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ ৫ লক্ষ পর্যন্ত ফ্রি চিকিৎসা! রাজ্যে কবে চালু হচ্ছে আয়ুষ্মান ভারতের পরিষেবা? জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    অন্যদিকে রাজ্য সরকারের কৃষক বন্ধু প্রকল্পে জমির পরিমাণ অনুযায়ী আর্থিক সহায়তা পান যোগ্য কৃষকরা। বর্তমানে কোনও কৃষকের এক একর বা তার বেশি জমি থাকলে বছরে সর্বাধিক ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত দেওয়া হয়। সাধারণত দুই কিস্তিতে এই আর্থিক সহায়তা দেয় সরকার।

    এক একরের কম জমি থাকলেও কৃষক বন্ধুর সুবিধা পাওয়া যায়। সেক্ষেত্রে আনুপাতিক হারে সুবিধা পান উপভোক্তারা। সেই সঙ্গেই এই প্রকল্পে নথিভুক্ত ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সী কোনও কৃষকের মৃত্যু হলে তাঁর পরিবারকে এককালীন ২ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়।

    পিএম কিষাণ যোজনা ও কৃষক বন্ধু প্রকল্পে আবেদনের পদ্ধতিও আলাদা। পিএম কিষাণে অনলাইনে আবেদন করতে হলে পিএম কিষাণের অফিশিয়াল পোর্টালে গিয়ে ‘ফার্মার কর্নার’ অপশনে ক্লিক করতে হবে। সেখানে আবেদনকারীর আধার, জমির নথি, মোবাইল নম্বর, ব্যাঙ্ক ডিটেলস দিতে হয়। অনলাইনে আবেদনের পর যথাযথ নথি সহযোগে ব্লক কৃষি অধিকর্তার অফিসে জমা করতে হয়। কেউ চাইলে নিকটবর্তী ক্যাফে অথবা কমন সার্ভিস সেন্টার থেকেও এই প্রকল্পে আবেদন করতে পারেন।

    অন্যদিকে কৃষক বন্ধু প্রকল্পেও অনলাইনে আবেদন করা যায়। এর জন্য সংশ্লিষ্ট পোর্টালে যেতে হয় অথবা গ্রাম পঞ্চায়েত ও কৃষি দফতরের অফিসেও আবেদন করা যায়। এর জন্য আবেদনকারীর জমির নথি, ভোটার কার্ড, ব্যাঙ্ক ডিটেলস, ছবি ও মোবাইল নম্বরের মতো নথি দরকার হয়।

    PM Kisan vs Krishak Bandhu

    প্রশাসন সূত্রে খবর, চলতি আগস্ট মাসের শেষের দিকে পিএম কিষাণ ও কৃষক বন্ধু প্রকল্পে নতুন আবেদন শুরু হতে পারে। আগ্রহী কৃষকরা অনলাইনের পাশাপাশি জনকল্যাণ শিবিরের মাধ্যমেও আবেদন করতে পারবেন।

    পিএম কিষাণ ও কৃষক বন্ধু, দু’টি প্রকল্পের মধ্যে কিছু কিছু পার্থক্য থাকলেও মূল উদ্দেশ্য একটাই, কৃষকদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া। দেশ ও রাজ্যের কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর জন্যই এই ধরণের স্কিম চালু করা হয়েছে।

    Click here to Read More
    Previous Article
    Bikashranjan: 'যারা মাইক খোলাচ্ছে সেই পুলিশদের চিহ্নিত করে রাখুন' বিস্ফোরক মন্তব্য বিকাশরঞ্জনের
    Next Article
    ৫ লক্ষ পর্যন্ত ফ্রি চিকিৎসা! রাজ্যে কবে চালু হচ্ছে আয়ুষ্মান ভারতের পরিষেবা? জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    Related পশ্চিমবঙ্গ Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment