Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    মমতার আর্জিতেই মান্যতা সুপ্রিম কোর্টের! SIR ইস্যুতে বড় মোড়

    2 weeks ago

    বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR প্রক্রিয়া ঘিরে চরম সময়সীমার চাপে পড়েছে রাজ্য। হাতে মাত্র চার দিন, তার মধ্যেই প্রায় ৮০ লক্ষ দাবি ও আপত্তির নিষ্পত্তি করতে হবে। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার বড় নির্দেশ দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। পশ্চিমবঙ্গে SIR-এর কাজে সহায়তার জন্য প্রতিবেশী ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশা থেকে বিচারক মোতায়েনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

    কী বলল আদালত (Supreme Court)?

    মঙ্গলবার এই বিষয়ে শুনানি হয় সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি বিপুল এম পাঞ্চোলির বেঞ্চের সামনে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির তরফে একটি চিঠি পেশ করা হয়। চিঠিতে জানানো হয়, SIR প্রক্রিয়ায় নিযুক্ত ২৫০ জন জেলা বিচারকের দাবি ও আপত্তি নিষ্পত্তি করতে প্রায় ৮০ দিন সময় লাগবে। কিন্তু আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের নির্ধারিত দিন। ফলে সময়সীমা নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিলতা।

    বর্তমানে ২৫০ জন জেলা বিচারক ও অতিরিক্ত জেলা বিচারককে প্রায় ৫০ লক্ষ দাবি নিষ্পত্তির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শীর্ষ আদালত পর্যবেক্ষণে জানায়, যদি একজন বিচারক প্রতিদিন ২৫০টি মামলা নিষ্পত্তি করেন, তাহলেও পুরো প্রক্রিয়া শেষ করতে প্রায় ৮০ দিন লেগে যাবে। সেই কারণেই প্রতিবেশী রাজ্য থেকে বিচারক আনার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

    কমিশনকে নিশানা তৃণমূলের

    আদালতের (Supreme Court) এই নির্দেশের পরেই নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করে পোস্ট করে বাংলার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস (All India Trinamool Congress)। এক্স হ্যান্ডেলে করা পোস্টে দাবি করা হয়েছে, বাংলার SIR প্রক্রিয়ার উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারছে না নির্বাচন কমিশন।

    তৃণমূলের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে আর্জি জানিয়ে আসছিলেন, আদালতের এই পদক্ষেপ কার্যত সেই অবস্থানকেই স্বীকৃতি দিল। পোস্টে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনের অযোগ্যতা ও প্রশাসনিক ব্যর্থতার কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এবং সেই বাধা সামাল দিতেই আদালতকে এমন নির্দেশ দিতে হয়েছে।

    তৃণমূলের পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, আদালত পুনর্ব্যক্ত করেছে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক অবহিত বা পরবর্তীতে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) অনুমোদিত সমস্ত নথি, যার মধ্যে আধার ও মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড রয়েছে, সেগুলি বিচারাধীন দাবি ও আপত্তি নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে গ্রহণ করতে হবে। দলের অভিযোগ, এর ফলে বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনের ‘তথ্যচিত্রের মান নিয়ন্ত্রণের ইচ্ছামত প্রচেষ্টা’ কার্যত খারিজ হয়ে গেল। একই সঙ্গে দাবি করা হয়েছে, বাংলায় ভোটারদের বেছে টার্গেট করা, ভয় দেখানো ও হয়রানির যে অভিযোগ উঠছিল, আদালতের হস্তক্ষেপে তা বড় বাধার মুখে পড়ল।

    Supreme Court seeks explanation, dissatisfied with the cut-off for NEET PG score less than zero

    আরও পড়ুনঃ থাকবে GPS, ভোটে নিষ্ক্রিয়তা চলবে না! বাহিনীকে সরাসরি কাজে নামানোর নির্দেশ কমিশনের

    একদিকে ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের নির্ধারিত দিন, অন্যদিকে প্রায় ৮০ লক্ষ দাবি ও আপত্তি। এই সময়সীমার মধ্যে কীভাবে পুরো প্রক্রিয়া শেষ হবে, তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে প্রশাসনিক মহলে। আদালতের (Supreme Court) নির্দেশে এখন নজর থাকবে বাইরের রাজ্য থেকে বিচারক এনে কত দ্রুত এই জট খোলা যায় সেই দিকে।

    Click here to Read More
    Previous Article
    ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে ভোট কর্মীদের জন্য হবে তিন পর্যায়ের প্রশিক্ষণ
    Next Article
    '২৮ তারিখে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ' কল্যাণ ব্যানার্জি

    Related পশ্চিমবঙ্গ Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment