Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    ক্ষমতা বদলাতেই নবান্নে অ্যাকশন! আলাপন-মনোজদের ভূমিকা ঘিরে বড় সিদ্ধান্ত

    3 weeks ago

    বাংলা হান্ট ডেস্কঃ পশ্চিমবঙ্গে ভোটের ফল বেরোনোর পর থেকেই প্রশাসনে বড় বদলের ইঙ্গিত মিলছে। এখনও নতুন সরকার গঠন হয়নি, কিন্তু তার আগেই নবান্ন (Nabanna) থেকে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ জারি হয়েছে। অবসরের পরও যাঁরা সরকারি কাজে যুক্ত ছিলেন, তাঁদের অফিসে আসতে মানা করা হয়েছে। পাশাপাশি, একাধিক প্রাক্তন শীর্ষ আধিকারিক নিজেদের পদ থেকেও ইস্তফা দিতে শুরু করেছেন।

    অবসরপ্রাপ্ত আধিকারিকদের অফিসে আসা বন্ধ (Nabanna)

    বিজেপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পরই এই নির্দেশ জারি হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। নবান্ন (Nabanna) সূত্রে খবর, অবসরের পরও যাঁরা বিভিন্ন দায়িত্বে ছিলেন, তাঁদের বুধবার থেকে অফিসে আসতে নিষেধ করা হয়েছে। লোক ভবন থেকে এই নির্দেশ আসে এবং মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিয়ালা তা সব দপ্তরের সচিবদের জানিয়ে দেন। এরপর প্রতিটি দপ্তরেই মৌখিকভাবে এই নির্দেশ পৌঁছে দেওয়া হয়। নতুন সরকার গঠন না হওয়া পর্যন্ত এই নিয়ম চলবে বলেই জানা গিয়েছে।

    এরই মধ্যে, নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর একাধিক বড় নাম নিজের পদ ছেড়ে দিয়েছেন। প্রাক্তন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়, হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী এবং মনোজ পন্থ, এই তিনজনই ইস্তফা দিয়েছেন বলে নবান্ন (Nabanna) সূত্রে জানা গেছে। তৃণমূল সরকারের সময়ে এঁরা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন। অবসরের পর আলাপন ও হরিকৃষ্ণকে মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা করা হয়েছিল। আর মনোজ পন্থ ছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর প্রিন্সিপাল সচিব। মঙ্গলবার তাঁরা নিজেদের পদ থেকে সরে দাঁড়ান।

    এছাড়াও অর্থনীতিবিদ অভিরূপ সরকারও তাঁর দায়িত্ব ছেড়ে দিয়েছেন। তিনি শিল্প উন্নয়ন নিগমের চেয়ারম্যান এবং ওয়েস্ট বেঙ্গল স্মল ইন্ডাস্ট্রিজ ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান পদে ছিলেন। নির্বাচনে তৃণমূলের পরাজয়ের পর তিনি এই দুটি পদ থেকেই ইস্তফা দেন।

    আরও পড়ুনঃ জারি হয়ে গেল কমিশনের নোটিফিকেশন, বাংলায় সরকার গঠনের পথে বড় পদক্ষেপ, কাউন্টডাউন শুরু

    উল্লেখ্য, অভিরূপ সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই সরকারি কর্মীদের একাংশের ক্ষোভ ছিল। ২০১৩ সালে গঠিত রাজ্যের চতুর্থ অর্থ কমিশনের নেতৃত্বেও ছিলেন তিনি (Nabanna)।

    Click here to Read More
    Previous Article
    কোথায় যাচ্ছে এত বুলডোজার?
    Next Article
    সিরাজ উদ্যানের নাম বদলে শিবাজি, পাল্টাল মসজিদবাড়ি রোডও

    Related পশ্চিমবঙ্গ Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment