Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    কোভিডে ব্যবসা বন্ধ, অথচ অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকা! সুজিতকে ঘিরে ইডির চাঞ্চল্যকর দাবি

    1 week ago

    বাংলা হান্ট ডেস্ক : কোভিড অতিমারির সময়ে দেশজুড়ে যখন লকডাউন চলছিল , তখন কার্যত থমকে গিয়েছিল জনজীবন। রাস্তায় মানুষের দেখা মিলত না বললেই চলে। বন্ধ ছিল হোটেল, রেস্টুরেন্ট ও সিনেমা হল। ঠিক সেই সময়েই রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর (Sujit Bose) একটি বন্ধ চাইনিজ রেস্তোরাঁ থেকে কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে বলে আদালতে জানিয়েছে ইডি (Enforcement Directorate)।

    সুজিত বসু (Sujit Bose) সম্পর্কে কী জানিয়েছে ইডি ?

    ইডির তরফে আদালতে জানানো হয়, সুজিত বা তাঁর পরিবারের নামে শুধু একটি রেস্তোরাঁ নয়, আরও একটি রেস্টুরেন্ট রয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে আরও একটি রেস্তোরাঁ এবং একটি ধাবা। তদন্তকারীদের দাবি, অতিমারির সময় ব্যবসা কার্যত বন্ধ থাকা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টগুলিতে বিপুল অঙ্কের টাকা জমা পড়েছে।

    আদালতে ইডির আইনজীবী ধীরজ দ্বিবেদী জানান, কোভিড সময়কালে রেস্টুরেন্টের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রায় ১.১১ কোটি টাকার আয় হয়েছে। একইভাবে, সুজিতের ছেলে সমুদ্রের মালিকানাধীন ধাবা ও বার-সহ রেস্তোরাঁ ব্যবসাতেও লকডাউনের সময়ে প্রায় ১.২০ কোটি টাকার আয় হয়েছে বলে দাবি তদন্তকারীদের।

    এই বিপুল টাকার উৎস নিয়েই উঠেছে প্রশ্ন। ইডির দাবি, তদন্তে অন্তত ১৫টি ভুয়ো সংস্থার খোঁজ মিলেছে। সেই সংস্থাগুলির সঙ্গে যুক্ত ১১ জনের নামও উঠে এসেছে তদন্তে। অভিযোগ, এই ভুয়ো সংস্থাগুলির মাধ্যমেই সুজিত ও তাঁর পরিবারের ব্যবসায় টাকা ঢোকানো হত। ফলে ব্যবসা বন্ধ থাকলেও আর্থিক লেনদেন চলতেই থাকে। ইডির তরফের অভিযোগ মানতে নারাজ সুজিত বসুর ছেলে সমুদ্র। সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি জানিয়েছেন, “ইডি তাদের মতো অভিযোগ এনেছে। আমরা আইনি লড়াই করব।”

    প্রসঙ্গত, সোমবার সিজিও কমপ্লেক্সের দীর্ঘ সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদের পর সুজিত বসুকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, দক্ষিণ দমদম পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান থাকার সময় গ্রুপ-সি ও গ্রুপ-ডি পদে বেআইনি নিয়োগে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা ছিল। মঙ্গলবার তাঁকে আদালতে পেশ করা হলে‌, ১০ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়।

    তদন্তকারী সংস্থার দাবি, সুজিতের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া নথিতে ৮ থেকে ১০ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য মিলেছে। অভিযোগ, দমদম পুরসভায় প্রায় ১৫০ জনকে বেআইনিভাবে চাকরি দেওয়া হয়েছিল। তাদের মধ্যে ৪০ জন অযোগ্য প্রার্থীর নিয়োগে সুজিতের সুপারিশ ছিল বলেও দাবি ইডির। এই কাজে সজীব বসুকে সহায়তা করেছিলেন তাঁর প্রাক্তন আপ্তসহায়ক তথা দক্ষিণ দমদম পুরসভার বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই দত্ত।

    ইডি জানিয়েছে, নিয়োগ দুর্নীতিতে ধৃত অয়ন শীলের জবানবন্দি থেকেই এই তথ্য মিলেছে। গত সাত বছরে সুজিত বসু ও তার পরিবারের একাধিক অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকা জমা পড়েছে। তবে সেই টাকার উৎসের কোনও বৈধ নথি নেই। পুরো নিয়োগ দুর্নীতির টাকা রিয়েল এস্টেট ব্যবসাতেও বিনিয়োগ করা হয়েছিল বলে দাবি ইডির। তদন্তকারীদের অভিযোগ, তিনটি শেল কোম্পানির মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করা হয়েছে। এমনকি, চাকরি পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে কয়েকজন প্রার্থীর কাছ থেকে জমিও নেওয়া হয়েছিল।

    crores Illegal‌ rupees in the account! ED's claim regarding Sujit Bose

    আরও পড়ুন : মমতার চেয়ারে বসবেন না শুভেন্দু! বড় পদক্ষেপ নিলেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী

    অন্যদিকে, সুজিতের আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য এবং ইন্দ্রজিৎ অধিকারী আদালতে দাবি করেন, পুর নিয়োগ মামলায় সিবিআইয়ের সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটে কোথাও সুজিত বসুর নাম উল্লেখ নেই। তাঁদের প্রশ্ন, ২০২২ সালে মামলা দায়ের হওয়ার পর এতদিন পরে কেন তাঁকে গ্রেপ্তার করা হল? তবে এই মামলায় ইডির একের পর এক বিস্ফোরক দাবি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। আগামী দিনে তদন্তে আরও কোন তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই এখন নজর সকলের।

    Click here to Read More
    Previous Article
    উত্তরবঙ্গের জন্য বিরাট উপহার, ৯ টি প্রকল্পের জন্য ৭৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ রেলের
    Next Article
    উত্তরে বাড়বে ঝড়-বৃষ্টি, দক্ষিণবঙ্গের হুড়মুড়িয়ে চড়বে পারদ, ফের বৃষ্টি কবে? আবহাওয়ার খবর

    Related পশ্চিমবঙ্গ Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment