Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    কেন দূরত্ব বাড়ল মমতা-মুকুল সম্পর্কে? কোন বিতর্কে শুরু ভাঙন?

    3 weeks ago

    বাংলা হান্ট ডেস্কঃ প্রয়াত মুকুল রায় (Mukul Roy)। তাঁর প্রয়াণে তৃণমূল কংগ্রেসের ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের অবসান হল। দলের গঠন থেকে উত্থান, শীর্ষ নেতৃত্বে থাকা, পরে দূরত্ব তৈরি হওয়া, দলত্যাগ, আবার প্রত্যাবর্তন, রাজনৈতিক জীবনে বহু উত্থান-পতনের সাক্ষী ছিলেন তিনি।

    মমতার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন মুকুল রায় (Mukul Roy)

    কংগ্রেস ভেঙে যখন নতুন দল গঠনের প্রশ্নে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, তখন অনেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গ ছেড়ে সরে যাচ্ছিলেন। সেই সময় দৃঢ়ভাবে তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন মুকুল রায় (Mukul Roy)। তৃণমূল কংগ্রেসের সংগঠন গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বুথ স্তর পর্যন্ত দলের খুঁটিনাটি খবর তাঁর নখদর্পণে থাকত। এমনকি তিনি সপরিবারে তৃণমূলের পার্টি অফিসেই থাকতেন বলেও জানা যায়। দলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড হিসেবেই পরিচিত ছিলেন তিনি।

    সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম থেকে মন্ত্রিত্ব

    ২০০৬ সালে জমি অধিগ্রহণ ইস্যুতে সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময় মুকুল রায় (Mukul Roy) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছায়াসঙ্গী ছিলেন। পরে তিনি কেন্দ্রীয় জাহাজমন্ত্রী ও রেলমন্ত্রী হন। ২০১১ সালে রাজ্যে পালাবদলের পরও সংগঠনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।২০১৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্ব সামলান তিনি। ওই সময় প্রায় দেড় বছর ধরে তাঁর নেতৃত্বে দলবদলের কর্মসূচি চলে। প্রতিদিনই বিভিন্ন দল থেকে নেতা-কর্মীরা তৃণমূলে যোগ দিতেন। এই কর্মসূচি বাংলার রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তন আনে।

    সারদা কেলেঙ্কারি এবং নারদা স্টিং অপারেশন কাণ্ডে নাম জড়ানোর পর থেকেই দলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়তে থাকে মুকুল রায়ের (Mukul Roy)। দলের একাংশের অভিযোগ ছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর তিনিই কার্যত দল পরিচালনা করছেন। তাঁর ছেলে শুভ্রাংশু রায়কে গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়ার বিষয় নিয়েও আলোচনা শুরু হয়। বর্ষীয়ান নেতাদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়। অভিযোগ ওঠে, তিনি প্রশাসনেও প্রভাব বিস্তার করছেন। নারদা মামলায় সিবিআই ডাকার পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। নিজাম প্যালেসে তাঁকে দেখা করতে যেতেন বহু মানুষ। ধীরে ধীরে আলাদা দল গঠনের জল্পনাও ছড়ায়।

    অবশেষে ২০১৭ সালে ১৯ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করে মুকুল রায় (Mukul Roy) তৃণমূল ছেড়ে ভারতীয় জনতা পার্টি-তে যোগ দেন। রাণী রাসমণি রোডে প্রথম সভায় তিনি বিশ্ববাংলা লোগো দেখিয়ে মন্তব্য করেন, বিশ্ববাংলা একটি কোম্পানির নাম। সেই সময় তিনি বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস পারিবারিক কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে। তবে বিজেপির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ২০২১ সালের ১১ জুন তিনি আবার তৃণমূলে ফিরে আসেন। কিন্তু আগের মতো সক্রিয় দেখা যায়নি তাঁকে।

    Mukul Roy Passes Away at 71 After Prolonged Illness

    আরও পড়ুনঃ ‘দাওয়াই পৌঁছে যাবে’, শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে কী পরিকল্পনা কমিশনের?

    ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্র থেকে লড়েন মুকুল রায় (Mukul Roy)। ৩৫ হাজার ৮৯ ভোটে তৃণমূল প্রার্থী কৌশানী মুখোপাধ্যায়কে পরাজিত করেন। শুধু তৃণমূল নয়, বঙ্গ বিজেপির সংগঠন গড়ে তুলতেও তাঁর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য ছিল। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ১৮টি আসন পায়।

    Click here to Read More
    Previous Article
    DA নেই! আইনজীবী কপিল সিব্বাল এবং অভিষেক মনু সিঙ্ঘভিকে মামলা লড়তে কত খরচ করেছে সরকার?
    Next Article
    খাস কলকাতার রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে চলন্ত গাড়িতে নির্যাতন! ঘটনা শুনলে শিউরে উঠবেন…

    Related পশ্চিমবঙ্গ Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment