Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    এবার দেশের মাটিতেই সোনার ভাণ্ডার! অন্ধ্রপ্রদেশে মিলল ৫০ টন সোনার খনি, বদলাতে পারে ভারতের অর্থনীতির ছবি

    2 hours ago

    বাংলাহান্ট ডেস্ক: অন্ধ্রপ্রদেশে (Andhra Pradesh) মিলল বিপুল সোনার খনির হদিশ! রতে সোনার প্রতি মানুষের আকর্ষণ নতুন কিছু নয়। বিয়ে, উৎসব কিংবা বিনিয়োগ সব ক্ষেত্রেই সোনার চাহিদা বিপুল। কিন্তু এই বিপুল চাহিদার প্রায় ৯০ শতাংশই বিদেশ থেকে আমদানি করে মেটাতে হয় দেশকে। ফলে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা খরচ হয়। তবে এবার সেই ছবিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে। অন্ধ্রপ্রদেশের কুর্নুল জেলায় বিপুল সোনার ভাণ্ডারের সন্ধান মিলেছে বলে দাবি করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই আবিষ্কার ভবিষ্যতে ভারতের সোনা উৎপাদন শিল্পে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে এবং আমদানির উপর নির্ভরতা অনেকটাই কমিয়ে দিতে সক্ষম হতে পারে।

    অন্ধ্রপ্রদেশে (Andhra Pradesh) মিলল ৫০ টন সোনার খনি, বদলাতে পারে ভারতের অর্থনীতির ছবি

    অন্ধ্রপ্রদেশের কুর্নুল জেলার জোন্নাগিরি গ্রামেই এই সম্ভাবনাময় সোনার খনির অবস্থান। রাজ্যের খনি ও ভূতত্ত্ব দফতরের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি মুকেশ কুমার মীনা জানিয়েছেন, এলাকাটিতে প্রায় ৫০ টন সোনার মজুত থাকার সম্ভাবনা দেখা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই সেখানে খনন ও অনুসন্ধানের কাজ শুরু হয়েছে। শুধু জোন্নাগিরি নয়, রামাগিরি, জাভাকুলা এবং চিগুরুকুন্তা-বিসনাতম এলাকাতেও সোনার খোঁজে অনুসন্ধান চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। রাজ্য প্রশাসনের দাবি, স্থানীয় খনিজ সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে অন্ধ্রপ্রদেশ দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উৎপাদন কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে।

    আরও পড়ুন: প্রবাহর বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ, তাও স্বামীর ‘নন্দী’ পদবী কেন ছাড়ছেন না দেবলীনা?

    এই আবিষ্কারের গুরুত্ব আরও বেশি কারণ, ভারতে সোনা উৎপাদনের ইতিহাস গত দুই দশকে খুব একটা আশাব্যঞ্জক ছিল না। একসময় দেশের গর্ব ছিল কর্নাটকের কোলার গোল্ড ফিল্ডস। কিন্তু ২০০০ সালে সেই খনি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর দেশীয় সোনা উৎপাদন কার্যত ধাক্কা খায়। বর্তমানে কর্নাটকের রাষ্ট্রায়ত্ত হুত্তি গোল্ড মাইনসই দেশের একমাত্র বড় সক্রিয় সোনা খনি হিসেবে কাজ করছে। সেখান থেকে বছরে গড়ে মাত্র দেড় টন সোনা উৎপাদিত হয়। অথচ ভারতের বার্ষিক সোনার চাহিদা ৮০০ টনেরও বেশি। ফলে চাহিদা ও উৎপাদনের মধ্যে বিশাল ব্যবধান তৈরি হয়েছে, যা আমদানির মাধ্যমে পূরণ করতে হয়।

    এই প্রেক্ষাপটে জোন্নাগিরি গোল্ড প্রজেক্টকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। স্বাধীনতার পর এটিকে ভারতের প্রথম বৃহৎ বেসরকারি সোনা খনন প্রকল্প হিসেবেও বিবেচনা করা হচ্ছে। জিওমাইসোর সার্ভিসেস ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেডের উদ্যোগে গড়ে ওঠা এই প্রকল্পে ইতিমধ্যেই ৪০০ কোটিরও বেশি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। প্রায় ৫৯৮ হেক্টর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এই ওপেন-পিট খনিতে আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে খননকাজ চলছে। পূর্ণ মাত্রায় উৎপাদন শুরু হলে আগামী ১৫ বছর ধরে প্রতি বছর প্রায় এক হাজার কিলোগ্রাম বা এক টন পরিশোধিত সোনা উৎপাদনের লক্ষ্য রাখা হয়েছে।

    Massive gold reserves found in Andhra Pradesh, could transform the Indian economy

    আরও পড়ুন: তিনি ৫০ পেরোলেই জয়ী হয় ভারত! এবার অনন্য রেকর্ড গড়লেন রোহিত শর্মা যা নেই শচীনেরও

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রকল্প একা দেশের সোনার চাহিদা পূরণ করতে পারবে না ঠিকই, তবে দেশীয় উৎপাদন বাড়ানোর ক্ষেত্রে এটি একটি বড় পদক্ষেপ। একই সঙ্গে স্থানীয় অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং খনন শিল্পেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। বহু মানুষের জন্য নতুন কাজের সুযোগ তৈরি হবে এবং সংশ্লিষ্ট শিল্পগুলিও উপকৃত হবে। অন্ধ্রপ্রদেশ সরকারও আশাবাদী যে ভবিষ্যতে আরও অনুসন্ধানের (Andhra Pradesh) মাধ্যমে নতুন সোনার ভাণ্ডার আবিষ্কৃত হতে পারে। যদি সেই সম্ভাবনা বাস্তবে রূপ পায়, তবে ভারতের সোনা শিল্পে এক বড় পরিবর্তনের সূচনা হবে এবং দেশকে আমদানিনির্ভরতা কমানোর পথে অনেকটাই এগিয়ে নিয়ে যাবে।

    Click here to Read More
    Previous Article
    ‘তৈরি আছি’, ১১ বলে ফিফটি করে নিন্দুকদের বার্তা, ভারতীয় সিনিয়র দলে ঢোকার আগে বিধ্বংসী সূর্যবংশী
    Next Article
    ৮২০ কোটির উন্নয়ন প্যাকেজ ঘোষণা করল নরেন্দ্র মোদি !

    Related ভারত Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment