Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    দেশজুড়ে নেওয়া হবে কোনও বড় সিদ্ধান্ত? কেন ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’-এর পরামর্শ দিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী?

    2 weeks ago

    বাংলা হান্ট ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশবাসীর উদ্দেশ্যে পেট্রোল থেকে শুরু করে ডিজেল ও গ্যাস বিচক্ষণতার সঙ্গে ব্যবহার করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন যে বর্তমান বিশ্বব্যাপী পরিস্থিতিতে শক্তি সংরক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এছাড়াও, প্রধানমন্ত্রী মোদী করোনার মতো ভয়াবহ মহামারীর সময়ে গৃহীত ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ (Work From Home) মডেলের কথাও উল্লেখ করে বলেন যে, কোম্পানি ও প্রতিষ্ঠানগুলির আবারও যতটা সম্ভব বাড়ি থেকে কাজ করার বিকল্পটিও বিবেচনা করা উচিত।

    কেন ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ (Work From Home)-এর পরামর্শ দিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী?

    মূলত, প্রধানমন্ত্রীর বার্তায় এটা স্পষ্ট ছিল, জ্বালানি সাশ্রয় এখন আর শুধু পরিবেশগত বিষয় নয়, বরং এটি দেশের অর্থনৈতিক শক্তির সঙ্গেও জড়িত। বিশ্বব্যাপী জ্বালানির ক্রমবর্ধমান মূল্য এবং তেল সঙ্কটের আবহে সরকার বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডারের ওপর চাপ কমাতে দেশে জ্বালানি ব্যবহার কমাতে চায়।

    Why did Prime Minister Modi suggest 'work from home'?

    করোনা মহামারীর সময়ে কাজে আসে ওয়ার্ক ফ্রম হোম: জানিয়ে রাখি যে, করোনা মহামারীর সময়ে ভারতে প্রথমবার ব্যাপকভাবে ওয়ার্ক ফ্রম হোম পরিলক্ষিত হয়েছিল। আইটি থেকে শুরু করে মিডিয়া, ব্যাঙ্কিং, কনসাল্টিং এবং আরও একাধিক সংস্থা তাদের কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করার অনুমতি দিয়েছিল। যার ফলে সেই সময়ে অফিসে যাওয়া কর্মীদের সংখ্যা কমে যায় এবং রাস্তায় যান চলাচলও কমে গিয়েছিল। এর ফলে পেট্রোল ও ডিজেলের ব্যবহারও হ্রাস পায়। যার মাধ্যমে দূষণের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছিল।

    এখন সরকার আবারও সীমিত পরিসরে ওয়ার্ক ফ্রম হোম চালুর বিষয়ে আলোচনা করছে। ওয়ার্ক ফ্রম হোম বা হাইব্রিড মডেলের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল এতে জ্বালানি সাশ্রয় হয়। এর মাধ্যমে পেট্রোল ও ডিজেলের ব্যবহার কমবে। যার ফলে যানজট এবং গণপরিবহণের ওপর চাপও কমবে। এছাড়াও, শহরগুলিতে দূষণের মাত্রাও হ্রাস পেতে পারে।

    আরও পড়ুন: ম্যাচ জিতেও জরিমানার সম্মুখীন! নিয়ম লঙ্ঘনের জেরে BCCI-র শাস্তির কবলে RCB-র হেড কোচ

    ওয়ার্ক ফ্রম হোমের সুবিধা: উল্লেখ্য যে, ওয়ার্ক ফ্রম হোমের অন্যতম সুবিধা হল, এক্ষেত্রে কর্মচারীরা কর্মক্ষেত্রে যাওয়ার সময় বাঁচাতে পারবেন। যে সময়টি তাঁরা অন্যান্য কাজে ব্যবহার করতে পারবেন। এছাড়াও, কোম্পানিগুলির অফিসের খরচ, বিদ্যুৎ এবং অন্যান্য পরিষেবা বাবদ ব্যয়ও কম হবে। তবে, সব ক্ষেত্রে আবার বাড়ি থেকে কাজ করা সম্ভবও নয়। ম্যানুফ্যাকচারিং থেকে শুরু করে পরিবহণ, রিটেল, হাসপাতাল এবং অন্যান্য ফিজিক্যাল সার্ভিস সেক্টরে কর্মীদের কর্মস্থলে উপস্থিত থাকা প্রয়োজন।

    আরও পড়ুন: আর নয় জল্পনা, ফুটবল বিশ্বকাপে খেলবে ইরান! রাখা হল ১০ টি শর্ত

    তবে, ভারতের ডিজিটাল অর্থনীতিতে এমন অনেক চাকরির সুযোগ রয়েছে যা সহজেই হাইব্রিড বা রিমোট মডেলে পরিচালনা করা যায়। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে, যদি কেন্দ্রীয় সরকার সংস্থাগুলিকে ইনটেনসিভ দেয় এবং রাজ্যগুলির সহযোগিতায় ‘গ্রিন ওয়ার্ক পলিসি’-র মতো উদ্যোগ বাস্তবায়ন করে, তাহলে ভারত তার তেল আমদানির ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে পারবে। এতে দেশের অর্থনৈতিক চাপ কমবে এবং রুপির মূল্যও বাড়তে পারে।

    Click here to Read More
    Previous Article
    ‘বন্ধ হবে না সরকারি প্রকল্প’, জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী, মে মাসে কবে অ্যাকাউন্টে ঢুকবে টাকা?
    Next Article
    নবান্নে পৌঁছলেন বিজেপির জয়ী বিধায়কেরা

    Related ভারত Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment