Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    ‘চূড়ান্ত অসঙ্গতি..,’ DA নিয়ে মানা হচ্ছেনা সুপ্রিম নির্দেশ? এবার কড়া ‘অ্যাকশন’ রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে

    2 hours ago

    বাংলা হান্ট ডেস্কঃ মার্চের শেষে এসে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ নিয়ে নয়া মোড়। পঞ্চম পে কমিশনের বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) মামলায় বকেয়া মহার্ঘ ভাতা মেটানোর জন্য রাজ্য সরকারকে আগামী ৩১শে মার্চ পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। সেই সময় শেষ হতে হাতে আর মাত্র তিন দিন। ডেডলাইন যতটা এগিয়ে আসছে রাজ্য অর্থ দপ্তরের প্রকাশিত মেমোগুলিকে কেন্দ্র করে কর্মচারীদের মধ্যে বিভ্রান্তি আরও প্রকট হচ্ছে।

    ডিএ ইস্যুতে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযোগ | Dearness Allowance

    সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) নির্দেশ মত বকেয়া মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ মেটাতে উদ্যোগী হয়েছে নবান্ন। ডিএ (DA) দিতে চলতি সপ্তাহেই একটি পোর্টাল চালু করেছে অর্থ দফতর। অর্থ দপ্তরের পোর্টালে রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা নিজেদের পুরনো বকেয়ার হিসাব আপলোড করতেও শুরু করেছেন। তবে WBIFMS পোর্টালে নিজেদের বকেয়া হিসাব দেখতে গিয়ে বহু কর্মচারী হতাশ হয়েছেন।

    অভিযোগ উঠছে, সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে প্রাপ্য টাকার পরিমাণ কমিয়েছে। এই প্রসঙ্গে ইউনিটি ফোরামের আহ্বায়ক দেবপ্রসাদ হালদারের কথায়, অর্থ দপ্তর তরফে সম্প্রতি যে মেমোগুলি বের করা হয়েছে, তাতে চূড়ান্ত অসঙ্গতি রয়েছে। অভিযোগ, কিছু কর্মচারীর হিসাব হাতে পাওয়ার পর দেখা যাচ্ছে তাঁদের প্রাপ্য টাকায় ইচ্ছাকৃতভাবে কাঁটছাঁট করেছে।

    বলা হচ্ছে, ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া পাওনার পরিমাণ এআইসিপিআই (AICPI) (বেস ইয়ার ১৯৮২=১০০, সূচক ৫৩৬) অনুযায়ী সরকারি কর্মচারীদের ১৬৪% হওয়ার কথা। সেখানে সরকার এই হার কমিয়ে প্রতিটি কর্মচারীকে সর্বোচ্চ ১৪০% থেকে ১৪৫% হারে ডিএ প্রদান করছে।

    সরকারি কর্মীদের একাংশের দাবি, বঙ্গভবনের কর্মচারীরা ইতিমধ্যেই এই ১৬৪% হিসাব অনুযায়ী মহার্ঘ ভাতা পেয়ে গিয়েছেন। রাজ্যের বাকি কর্মচারীদের ক্ষেত্রে বৈষম্য নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন তারা। একইসাথে ২০১৬ থেকে ২০১৯ সালের হিসাবের সাথে কেন ১লা এপ্রিল ২০০৮ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত সময়ের হিসাব নেই, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

    dearness allowance(132)

    আরও পড়ুন: ফের মাস্টারস্ট্রোক মমতার! ১০ লক্ষ টাকা ও ২ টি ফ্ল্যাটের ঘোষণা, কারা পাবেন জানুন

    ইতিমধ্যেই এই ইস্যুতে সরকারের বিরুদ্ধে কড়া আইনি ব্যবস্থা নিয়েছে ইউনিটি ফোরাম। নবান্নে একটি আইনি চিঠিও দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে সাফ জানানো হয়েছে যে, কোনোভাবেই ১৬৪% এর কম টাকা প্রদান নয়। তা হলে সরাসরি সুপ্রিম কোর্টের রায়ের অবমাননা করা হবে। একইসাথে হিসাবের স্বচ্ছতা জানতে একটি আরটিআই অ্যাপ্লিকেশনও ফাইল হয়েছে ইতিমধ্যে। আগামী ১৫ই এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টে ডিএ সংক্রান্ত মামলার পরবর্তী শুনানির সম্ভাবনা। তার আগে এই ইস্যুতে সরকার কী পদক্ষেপ নেয় সেটাই দেখার।

    Click here to Read More
    Previous Article
    'ভয়কে বেছে নেবেন নাকি ভরসাকে'বাংলার মানুষের প্রতি প্রশ্ন ছুঁড়ে TMCর বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ Amit Shahর
    Next Article
    নতুন নিয়ম, ৭৪ টি ম্যাচ… জানুন IPL ২০২৬-এর ১০ টি চমকপ্রদ তথ্য

    Related পশ্চিমবঙ্গ Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment