Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    স্বামীর অত্যাচারে কাটা যায় ডান হাত, তবু থামেননি রেণু—বাঁ হাতেই লিখছেন জীবনের গল্প

    7 hours ago

    বাংলা হান্ট ডেস্ক: এ এক হার না মানা মেয়ের গল্প। নিজের পায়ে দাঁড়াবে বলে স্বপ্ন দেখে সে। কিন্তু ভাগ্যের স্বীকারে নিজের স্বামীর হাতেই ডান হাতের কব্জি হারাতে হয় তাকে। তবুও বর্ধমানের (Bardhaman) রেনু খাতুন হার মানেনি এই ঘটনার পরও। কৃত্রিম হাতে শুরু করেছিল বাকিটা জীবন। আর এবার বা হাতে আস্ত একটি কাব্যগ্রন্থ লিখে উৎসর্গ করলেন বাবাকে।

    নৃশংসতার শিকার রেণু, বাঁ হাতেই লিখছেন নতুন জীবনের গল্প (Bardhaman)

    রেনুর প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম নিঃসর্গে মিশে যাই। সাহিত্যজীবনের মাইলফলক এর রচিত হলো, রবিবার। বর্ধমান (Bardhaman) জেলার গ্রন্থাকারে বই প্রকাশের অনুষ্ঠানে বইয়ের প্রথম কপি তিনি তার নিজের বাবার হাতে তুলে দেন। পাশাপাশি প্রত্যেকের জীবনে এমন আবেগ পূর্ণ মুহূর্ত তৈরি হয়। এই বিষয়ে রেনু জানান, অনেক দিনের স্বপ্ন ছিল নিজের ভাবনা, অনুভূতিগুলিকে শব্দ দিয়ে সাজিয়ে দুই মলাটা বন্দি করব। আজ সেই স্বপ্নপূরণ হল। তিনি তারই স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় আনন্দিত হয়েছেন বলেও জানান‌।

     Bardhaman a victim of brutality is writing the story of a new life with her left hand

    আরও পড়ুন: আজ সোনার দামে বড় স্বস্তি! ২২ ও ২৪ ক্যারেটের নতুন রেট জানুন এক নজরে

    তার লেখা কাব্যগ্রন্থে সমাজে কিভাবে মেয়েদের এখনও অবহেলিত হয়ে থাকতে হয় সেটাই তাঁর কাব্য-ভাবনার মূল আধার। বেশ কয়েকটি কবিতায় ব্যক্ত করেছেন সেই ভাবনা। রবিবার সন্ধ্যায় বর্ধমান জেলা গ্রন্থাগারে বইটি অনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়।

    প্রসঙ্গত রেণুর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রামের চিনিসপুর গ্রামে। নিম্নবিত্ত পরিবারের মেয়েটি নিজের পায়ে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখতেন। আরজি কর হাসপাতাল থেকে নার্সিং প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। প্রথমে চাকরি করতেন একটি বেসরকারি হাসপাতালে।

    কিন্তু স্বামী শের মহম্মদ চাইতেন না স্ত্রী চাকরি করুক। তিনি ভাবতেন, কোনও দিন সরকারি চাকরি পেলে স্ত্রী তাঁকে ছেড়ে চলে যাবেন। ঘটনাক্রমে রেণুও রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরে নার্সের পদে চাকরির পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন। সেই চাকরিতে যোগ দেওয়া নিয়ে তীব্র দাম্পত্যকলহ।
    হাত হারালেও মনোবল হারাননি রেণু।

    তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে তাঁর কৃত্রিম হাতের ব্যবস্থা করা হয়। পরে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের নার্সিং ট্রেনিং স্কুলে যোগ দেন রেণু। পাশাপাশি বাঁ হাতে লেখার অভ্যাস করতে থাকেন। ক্রমে লেখাই পেয়ে বসল তাঁকে। কবিতা লেখা শুরু করেন রেণু। প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হল রবিবার (Bardhaman)।

    Click here to Read More
    Previous Article
    ‘জিরো টলারেন্স’-এর নজির! কোটি টাকার গাঁজা উদ্ধারের পর পুলিশকে অভিনন্দন শুভেন্দুর
    Next Article
    জুন-জুলাই মাসে টাকা পেলেও শান্তি নেই! অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বড় আপডেট সামনে

    Related পশ্চিমবঙ্গ Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment