Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    নতুন রুপে কার্শিয়াং,পর্যটনের ঠিকানায় যুক্ত নয়া পালক

    3 weeks ago

    বাংলা হান্ট ডেস্ক : পাহাড়ি পর্যটনে নতুন মাত্রা যোগ করতে এবার বড় পদক্ষেপ নিল দার্জিলিং (Darjeeling) হিমালয়ান রেল ও বন দফতর। কার্শিয়াংকে কেন্দ্র করে এক নতুন অভিজ্ঞতার স্বাদ দিতে শুরু হল এক বিশেষ উদ্যোগ। পাহাড়ের সবুজ চা-বাগানের বিস্তার থেকে পাইন বনের নিস্তব্ধতা, ঐতিহ্যবাহী রেডিও স্টেশন থেকে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর বাড়ি —প্রাকৃতিক ও ঐতিহাসিক বৈচিত্র্যে ভরপুর কার্শিয়াংকে আন্তর্জাতিক পর্যটন মানচিত্রে তুলে ধরতেই এই উদ্যোগ।

    দার্জিলিং (Darjeeling) রেলের উদ্যোগে পর্যটনে নতুন দিশা

    দার্জিলিং জেলার অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্র কার্শিয়াং। এখানে রয়েছে ডিএইচআরের সদর দফতর, ঐতিহ্যবাহী টয়ট্রেনের ওয়ার্কশপ ও মিউজিয়াম, পাশাপাশি ডাওহিল ফরেস্ট, পুরনো রেডিয়ো স্টেশনসহ নানা দর্শনীয় স্থান। পাহাড় জুড়ে বিস্তৃত চা-বাগানের সবুজ আচ্ছাদন আর ডাওহিলের রহস্যময় বনভূমি পর্যটকদের মনে আলাদা আকর্ষণ তৈরি করবে। কাছেই গিদ্দাপাহাড়, যেখানে একসময় বন্দি ছিলেন নেতাজি। এছাড়াও, এই অঞ্চল ‘হোয়াইট অর্কিড’-এর জন্য পরিচিত। মঙ্গলবার দার্জিলিং হিমালয়ান রেল (ডিএইচআর) ও বন দফতরের যৌথ উদ্যোগে শুরু হয়েছে তিন দিনের বিশেষ ভ্রমণ কর্মসূচি, যেখানে দেশের নানা প্রান্ত থেকে আসা ১৫ জন ট্যুর অপারেটর অংশ নিয়েছেন। 

    হিমালয়ান রেলের তরফে জানা গেছে, দক্ষিণ ভারতসহ বিভিন্ন রাজ্য থেকে আগত ট্যুর অপারেটরদের কখনও গাড়িতে, কখনও টয়ট্রেনে করে ঘুরিয়ে দেখানো হচ্ছে এই সমস্ত এলাকা। তাঁদের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে টয়ট্রেনের ইতিহাস, চা-বাগানের ঐতিহ্য, এবং বনাঞ্চলের জীববৈচিত্র্য। পাশাপাশি ট্রেকিংয়ের সুযোগও থাকছে এই সফরে। মূল লক্ষ্য, দেশ-বিদেশের পর্যটকদের কার্শিয়াংমুখী করে তোলা।

    এই উদ্যোগের অন্যতম আকর্ষণ ‘বাঘীরা’স ট্রেইল’, যার মাধ্যমে পর্যটকদের ভ্রমণের স্বাদ উপভোগ করার সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। অধিকাংশ পর্যটকেরা বিখ্যাত সাইট সিন করেই গ্যাংটকে রওনা হচ্ছেন। তাই ঐতিহ্য ভেঙে পর্যটনে কার্শিয়াং-কে নিয়ে নতুন করে ভাবা হচ্ছে। পাশাপাশি শেরপা ও গোর্খা সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রা ও সংস্কৃতির সঙ্গেও পরিচিত হওয়ার সুযোগ মিলবে। এই প্রসঙ্গে ডিএইচআরের ডিরেক্টর ঋষভ চৌধুরী বলেন, “বিশ্বের পর্যটন মানচিত্রে কার্শিয়াংকে জনপ্রিয় করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে ৷ কার্শিয়াং কোনও ট্রানজিট পয়েন্ট নয় ৷ ‘বাঘীরা’স ট্রেইল’-এর মাধ্যমে আমরা পর্যটকদের একটু থামার এবং পাহাড়ের ভূপ্রকৃতি বোঝার সুযোগ দিচ্ছি ৷ ক্লান্ত হয়ে নয়, বরং পাহাড়ের ইতিহাস ও প্রেক্ষাপট জেনে তাঁরা দার্জিলিংয়ে প্রবেশ করবেন ৷ আমরা আমাদের ট্র্যাকে বিশ্বমানের পরিষেবা দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছি ৷”

    কার্শিয়াংয়ের ডিএফও দেবেশ পান্ডে জানিয়েছেন, “এটি বিশ্ব হেরিটেজ টয় ট্রেনের কারিগরি দক্ষতা এবং বাংলার সেরা প্রাকৃতিক ইতিহাসের এক মেলবন্ধন ৷ বনবস্তি এলাকার মানুষদের আমরা এখানে সরাসরি অংশীদার হিসেবে রাখছি ৷ পর্যটন যখন টেকসই হয়, তখন তাতে স্থানীয়দের মালিকানা থাকা জরুরি ৷” অ্যাসোসিয়েশন ফর কনজারভেশন অ্যান্ড ট্যুরিজমের আহ্বায়ক রাজ বসু বলেন, “গন্তব্য দার্জিলিং এখন অত্যন্ত দ্রুতগতির হয়ে পড়েছিল ৷ পর্যটকরা পাহাড়ের আসল মানুষ, সংস্কৃতি ও অরণ্যকেই মিস করছিলেন ৷ বাঘীরা’স ট্রেইল সেই অভাব পূরণ করবে ৷”

    Kurseong in a new look, a new feather added to the Darjeeling tourism

    আরও পড়ুন : স্কুলের টিফিনের সেই চাউমিন আজও মনে পড়ে? জানুন কীভাবে বানাবেন …

    আগামী দিনে ‘টি হেরিটেজ সার্কিট’ চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে, যেখানে সেপাহিধুরা, নরবং, সেলিমহিল ও মকাইবাড়ি চা-বাগানগুলিকে এই ট্রেইলের সঙ্গে যুক্ত করা হতে পারে। কার্শিয়াং ধীরে ধীরে হেরিটেজ ও ইকো-ট্যুরিজমের এক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে। এই উদ্যোগ সফল হলে ভবিষ্যতে পাহাড়ি পর্যটনে বড় পরিবর্তন আসতে পারে, এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

    Click here to Read More
    Previous Article
    বোমা নেই, মৃত্যু নেই! রক্তহীন ভোটে নজির বাংলা, তবে…
    Next Article
    ৮০ কিমি গতিতে ছুটবে ভারতের নিজস্ব বুলেট ট্রেন, ট্রায়াল শুরু—কবে চালু হবে পরিষেবা

    Related পশ্চিমবঙ্গ Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment