Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    কালীর বাড়িতে তল্লাশি, মিলল একাধিক নথি ও ২ মোবাইল! তারাতলা তদন্তে বড় রহস্যের পর্দাফাঁস?

    4 weeks ago

    বাংলা হান্ট ডেস্ক : তারাতলার গোডাউন ধসের (Taratala) তদন্তে একের পর এক নতুন দিক সামনে আসছে।এই ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া কলকাতা পুরসভার ওএসডি কালীচরণ ব্যানার্জিকে (Kalicharan Banerjee) জেরা করে ঘটনার নেপথ্যের যোগসূত্র খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। তারাতলা কান্ডে প্রশাসনিক স্তরে কোনও গাফিলতি বা প্রভাবশালী চক্রের ভূমিকা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্তের গতি আরও বাড়িয়েছে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট)। ইতিমধ্যেই একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নথি সংগ্রহ করা হয়েছে।

    তারাতলা কান্ডে (Taratala) কালীচরণের বাড়িতে তল্লাশি

    সূত্রের খবর, কালীচরণ ব্যানার্জির বাড়িতে অভিযান চালিয়ে দুটি মোবাইল ফোন এবং বেশ কিছু প্রয়োজনীয় নথি বাজেয়াপ্ত করেছে সিট। উদ্ধার হওয়া মোবাইলের কল রেকর্ড, বার্তা এবং অন্যান্য ডিজিটাল তথ্যের পাশাপাশি নথিপত্রও খুঁটিয়ে পরীক্ষা করা হচ্ছে। তদন্তকারীদের ধারণা, এগুলি থেকে প্রকল্পের অনুমোদন প্রক্রিয়া এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলতে পারে।

    জেরার সময় কালীচরণ ব্যানার্জির কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে, তিনি কার নির্দেশে বিভিন্ন প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিতেন এবং এই নির্মাণ প্রকল্পে তাঁর ভূমিকা ঠিক কী ছিল। যদিও তদন্তকারী দলের অভিযোগ, এই বিষয়ে তিনি এখনও স্পষ্ট তথ্য দিচ্ছেন না এবং জিজ্ঞাসাবাদে সহযোগিতাও করছেন না। শুধু ব্যক্তিগত নথিই নয়, গোডাউন নির্মাণ সংক্রান্ত সরকারি কাগজপত্রও সংগ্রহ করতে উদ্যোগী হয়েছে সিট। এ জন্য কলকাতা পুরসভার কাছে প্রয়োজনীয় নথি চাওয়া হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত সেই সমস্ত নথি তদন্তকারীদের হাতে এসে পৌঁছয়নি।

    অন্যদিকে, বহেরা ব্রাদার্সের দফতরেও তল্লাশি চালিয়ে একাধিক কাগজপত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের আশা, ওই নথি বিশ্লেষণ করলে অয়ন ট্রেডার্স এবং বহেরা ব্রাদার্সের মধ্যে কবে থেকে ব্যবসায়িক চুক্তি কার্যকর হয়েছিল, তা পরিষ্কার হবে। সংস্থার কর্ণধার শম্ভুনাথ বহেরাকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তবে পুলিশ সূত্রে দাবি, তিনিও তদন্তে প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে অনীহা দেখিয়েছেন। তদন্তে উঠে এসেছে, নির্মাণ পরিকল্পনার অনুমোদন পাইয়ে দিতে এক দালাল বিপুল অঙ্কের টাকা নিয়েছিল। কিন্তু সেই টাকার পরিমাণ কত ছিল বা কার কার মধ্যে তা বণ্টন হয়েছিল, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি অভিযুক্ত। নির্মাণের প্রযুক্তিগত দিকও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কাজ শুরুর আগে মাটির পরীক্ষার রিপোর্ট বা সয়েল টেস্ট আদৌ হয়েছিল কি না, তা জানতে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় পোর্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তথ্য চেয়েছে সিট।

    multiple documents found in Search of Kali's house inTaratala incident

    আরও পড়ুন :তৃণমূলের ৪৪০ কোটির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বিতর্কে নতুন মোড়! কী জানাল কলকাতা হাই কোর্ট?

    একই সঙ্গে অনুমোদিত নকশায় যেখানে দু’তলা নির্মাণের অনুমতি ছিল, সেখানে কীভাবে তিনতলা পর্যন্ত ঢালাইয়ের কাজ এগিয়ে গেল, সেই প্রশ্নেরও উত্তর খুঁজছে তদন্তকারী দল। এখনও পর্যন্ত পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে কলকাতা পুরসভার লাইসেন্স শাখার এক আধিকারিকও রয়েছেন। নির্মাণের অনুমোদন এবং লাইসেন্স সংক্রান্ত প্রক্রিয়া সম্পর্কে তাঁর কাছ থেকেও বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।এখন তদন্তকারীদের মূল লক্ষ্য হল উদ্ধার হওয়া নথি, ডিজিটাল তথ্য এবং বিভিন্ন ব্যক্তির বয়ান মিলিয়ে গোটা অনুমোদন প্রক্রিয়ার পূর্ণ চিত্র সামনে আনা। নির্মাণে কোনও বেআইনি অনুমোদন, আর্থিক লেনদেন বা প্রশাসনিক গাফিলতির প্রমাণ মিললে তদন্তের পরবর্তী পর্যায়ে আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হতে পারে বলেই মনে করছে তদন্তকারী মহল।

    Click here to Read More
    Previous Article
    ফোন নাম্বার ছাড়াই দিব্যি হবে চ্যাট, বড় ঘোষণা WhatsApp-এর, আপনি পেয়েছেন !
    Next Article
    Sharbari Mukherjee: 'কপালে শনি নাচছে ওনার' হুমায়ূনকে চরম আক্রমণ শর্বরী মুখার্জির | Humayun Kabir

    Related পশ্চিমবঙ্গ Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment