Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    ইনো মিশিয়ে কেরোসিনেই চলছে বাস! বর্ধমান থেকে হুগলিতে তেল পাচারের চাঞ্চল্যকর পর্দাফাঁস

    1 week ago

    বাংলা হান্ট ডেস্ক : সরকারি রেশন ব্যবস্থায় যে কেরোসিন বরাদ্দ হয়, সেই তেলই ঘুরপথে পৌঁছে যাচ্ছিল কালোবাজারে।তদন্তে উঠে এসেছে, বর্ধমানের (Burdhaman) জামালপুর থেকে কেরোসিন সংগ্রহ করে তা ধনেখালিতে এনে বিশেষ কায়দায় বিক্রি করা হত পরিবহণ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের কাছে। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই অবৈধ কারবারের পর্দাফাঁস করেছে হুগলি জেলা পুলিশ। এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত-সহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গোটা চক্রের শিকড় কতদূর বিস্তৃত, তা জানতেই জোরকদমে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ।

    বর্ধমানে (Burdhaman) কেরোসিনেই চলছে বাস

    গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন সুভাষচন্দ্র বাগ, অলোক জগন্নাথ কর্মকার, নবকুমার ধারা, অষ্ট সাধুখাঁ, সন্তু মৈত্র, অশোক আহেরী এবং রাজা সাঁতরা। ধৃত প্রত্যেকের বাড়ি ধনেখালি থানার দশঘড়া এলাকায়।তদন্তে জানা গিয়েছে, দশঘড়ার পূর্বপাড়ার বাসিন্দা সুভাষচন্দ্র বাগ স্থানীয় একটি হিমঘরে কর্মরত ছিলেন। সেখানেই অভিযান চালিয়ে পুলিশ বিপুল পরিমাণ কেরোসিনের মজুত উদ্ধার করে। মোট ৩২টি ড্রামে প্রায় ৫০০ লিটার কেরোসিন বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এই অবৈধ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে সুভাষচন্দ্র বাগের পাশাপাশি হিমঘরের ম্যানেজার অষ্ট সাধুখাঁ-সহ মোট সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    পুলিশি তদন্তে উঠে এসেছে, চক্রটির জোগান আসত পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থেকে। অভিযোগ, রেশন দোকানের জন্য বরাদ্দ কেরোসিন সেখান থেকেই সরিয়ে নেওয়া হত। এরপর সরাসরি গন্তব্যে না পাঠিয়ে মাঝপথে পরিবহণের যান বদল করা হত। এক ট্রলি থেকে অন্য ট্রলিতে ড্রাম তুলে দেওয়া হত, যাতে নজর এড়িয়ে সহজেই ধনেখালির গুদামে পৌঁছে যায় তেল। পরিকল্পিত এই পদ্ধতির কারণেই দীর্ঘদিন ধরে কারবারটি প্রকাশ্যে আসেনি বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

    তদন্তে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। ২০ লিটারের ড্রামে ৪ টি ইনো মেশানো হত। দাবি, এর ফলে কেরোসিন তেলে চলা বাস বেশি মাইলেজ দিত। আর কেরোসিনের গন্ধ পাওয়া যেত না। পুলিশের অনুমান, এই উপায়ে কেরোসিনকে এমনভাবে ব্যবহার করা হত যাতে তা সহজে ধরা না পড়ে। শুধু জামালপুর থেকেই নয়, হুগলির বিভিন্ন এলাকা থেকেও একই ধরনের কেরোসিন সংগ্রহ করে বাস চালানোর কাজে ব্যবহার করা হয়েছে বলেও তদন্তে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে।

    প্রসঙ্গত, তদন্তকারীদের নজরে এসেছে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। ধনেখালি এলাকায় এর আগেও অবৈধ মাটি পাচার নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সেই ঘটনার সঙ্গে এক অবসরপ্রাপ্ত পুলিশকর্মীর নাম উঠে এসেছিল। ফলে এবার কেরোসিন পাচারের এই চক্রে কোনও পুলিশকর্মী বা প্রশাসনিক আধিকারিকের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভূমিকা রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    Buses in Burdhaman are running on kerosene mixed with eno

    আরও পড়ুন : ক্যাবের মতো মোবাইলেই বুক করা যাবে অ্যাম্বুলেন্স! নতুন অ্যাপ আনছে রাজ্য সরকার

    ইতিমধ্যেই ধনেখালি থানায় প্রশাসনিক রদবদল করা হয়েছে।শুক্রবার ধৃত সাতজনকে চুঁচুড়া আদালতে পেশ করা হলে বিচারক তাঁদের তিন দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। তদন্তকারীদের আশা, এই সময়ে জেরার মাধ্যমে কেরোসিন পাচারের পুরো নেটওয়ার্ক, রেশন থেকে তেল সরানোর পদ্ধতি, আর কারা এই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত এবং কোথায় কোথায় এই জ্বালানি সরবরাহ করা হত, সেই সমস্ত তথ্য সামনে আসবে।

    Click here to Read More
    Previous Article
    '২১এ জুলাইকে ব্যবহার করে অনেকে অনেক কিছু করে নিয়েছেন' বিধানসভায় বিস্ফোরক Suvendu Adhikari
    Next Article
    একুশে জুলাইয়ের মঞ্চে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি, খতিয়ে দেখলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related পশ্চিমবঙ্গ Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment