Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    গাড়িতে বস্তা ভর্তি ঘুষের টাকা, আসত এক তৃণমূল বিধায়কের ঠিকানায়! প্রাথমিকের চার্জশিটে বিস্ফোরক CBI

    3 weeks ago

    বাংলা হান্ট ডেস্কঃ প্রাথমিকের নিয়োগ দুর্নীতি (Primary Recruitment Scam) কাণ্ডে একসময় তোলপাড় হয়েছিল রাজ্য। গত বছর পুজোর সময় এই মামলায় চূড়ান্ত চার্জশিট দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই (CBI)। সেখানেই বর্ণনা করা হয়েছে, কীভাবে গাড়িতে করে বস্তা ভর্তি ঘুষের টাকা কলকাতায় আসত এবং পৌঁছে যেত এক তৃণমূল বিধায়কের ঠিকানায়।

    প্রাথমিকের মামলায় সিবিআইয়ের বিস্ফোরক চার্জশিট | (Primary Recruitment Scam)

    সিবিআইয়ের দাবি, কালো রঙের একটি গাড়ি করে বীরভূম থেকে কলকাতা আসত বস্তা ভর্তি ঘুষের টাকা। বহুবার একই পথে টাকা এসেছে। অভিযোগ, চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে অযোগ্য প্রার্থীদের থেকে কোটি কোটি টাকা ঘুষ নেওয়া হত। বীরভূমের কৃষ্ণপুরের একটি আশ্রমে সেই লেনদেনের পর গাড়িতে করে সেই টাকা পলাশিপাড়ার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক তথা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান মানিক ভট্টাচার্যের কলকাতার ঠিকানায় পাঠানো হত।

    আরও পড়ুনঃ সরকারি কর্মীদের জন্য ডাবল ধামাকা! অষ্টম বেতন কমিশনের আগে DA নিয়ে বিরাট আপডেট

    প্রাথমিকের মামলার চার্জশিটে সিবিআই জানিয়েছে, বীরভূমের নলহাটি ২ ব্লকের ব্লক প্রেসিডেন্ট বিভাস অধিকারী মানিকের হয়ে ঘুষ তোলার প্রধান এজেন্ট ছিলেন। তিনি আবার এবিটিটিএএ-র সহকারী সচিবও ছিলেন। সংশ্লিষ্ট সংগঠনের সভাপতি ছিলেন এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত তাপস মণ্ডল। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছে, বহু বেসরকারি ডিএলএড, বিএড কলেজের মালিকরাও এই সংগঠনে ছিলেন।

    অভিযোগ, সাব এজেন্টদের মাধ্যমে অযোগ্য প্রার্থীদের থেকে টাকা তুলতেন বিভাস। তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয়েছে বহু গুরুত্বপূর্ণ নথি। সিবিআইয়ের দাবি, বীরভূমের কৃষ্ণপুরের আশ্রমের পাশাপাশি বিভাসের শিয়ালদহের বাড়িতেও ঘুষের লেনদেন চলত।

    চার্জশিটে সিবিআই জানিয়েছে, বিভিন্ন নথি ও ঘুষের টাকা বস্তায় ভরে বিভাসের কালো রঙের গাড়ি করে কলকাতায় পাঠানো হত। গাড়িতে থাকত ২ থেকে ৩টি বস্তা। এক-একটি বস্তায় আবার নগদ ২০ থেকে ৩০ লক্ষ টাকা করে থাকত। সেগুলি পৌঁছে যেত যাদবপুরে মানিকের বাড়ি অথবা অফিসে।

    এই চার্জশিটে পলাশ, পীযূষ, নীলাদ্রি, আপেল সহ বিভাসের বেশ কয়েকজন এজেন্টের নামও উল্লেখ করেছে তদন্তকারী সংস্থা। এর মধ্যে বীরভূম থেকে কলকাতা অবধি যে ঘুষের গাড়ি আসত, সেটি চালাত আপেল।

    CBI chargesheet in primary recruitment scam

    সিবিআইয়ের দাবি, নগদ ভর্তি গাড়ি এভাবে প্রায় ১৪ থেকে ১৫ বার বীরভূম থেকে কলকাতায় এসেছে। সেই প্রমাণ পেয়েছেন তাঁরা। একইসঙ্গে অভিযোগ, বিএড ও ডিএলএড কলেজে রেজিস্ট্রেশনের জন্যও পড়ুয়াদের থেকে ঘুষ নেওয়া হত।

    প্রাথমিকে দুর্নীতির অভিযোগে একসময় রাজ্য রাজনীতি তোলপাড় হয়েছিল। গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন জেলবন্দি ছিলেন প্রাক্তন বিধায়ক মানিক। এবার সেই মামলাতেই সামনে এল এক নয়া তথ্য। অযোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের থেকে মোটা টাকা ঘুষ নেওয়ার কথা আগে প্রকাশে এলেও এভাবে গাড়ি করে ঘুষের টাকা কলকাতায় আসার কথা এই প্রথম জানা গেল।

    Click here to Read More
    Previous Article
    টাটা ক্যান্সার হাসপাতাল-সহ একাধিক রুটে নতুন বাস পরিষেবা শুরু
    Next Article
    অরুণাচলের ‘জমি দখল’ করে একী কাণ্ড চিনের! উপগ্রহ চিত্রে ধরা পড়ল এমন ছবি, জানলে অবাক হবেন

    Related পশ্চিমবঙ্গ Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment