Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    চিনকে সঙ্গী করে বঙ্গোপসাগরে প্রভাব বাড়াতে চাইছে পাকিস্তান! সাবমেরিনের মাধ্যমে নজরদারির পরিকল্পনা

    2 hours ago

    বাংলাহান্ট ডেস্ক: ১৯৭১ সালের যুদ্ধ পাকিস্তানের (Pakistan) জন্য শুধু একটি সামরিক পরাজয় ছিল না, বরং বঙ্গোপসাগরে তাদের নৌ-প্রভাবেরও কার্যত অবসান ঘটেছিল। পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে সেই অঞ্চলে পাকিস্তানের উপস্থিতি ছিল প্রায় অদৃশ্য। তবে এবার সেই ছবিটা বদলানোর ইঙ্গিত মিলছে। চিনে নির্মিত অত্যাধুনিক ‘হাঙর’ শ্রেণির সাবমেরিন হাতে পেয়ে বঙ্গোপসাগরে নতুন করে সক্রিয় হওয়ার পরিকল্পনা করছে ইসলামাবাদ। পাকিস্তান নৌবাহিনীর শীর্ষ মহলের বক্তব্যে স্পষ্ট, শুধু উপস্থিতি নয়, দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত অবস্থান গড়ে তুলতেই এই উদ্যোগ।

    ৫৫ বছর পর বঙ্গোপসাগরে সাবমেরিন মোতায়েনের পরিকল্পনা পাকিস্তানের (Pakistan)!

    গত সপ্তাহে চিন থেকে করাচিতে পৌঁছেছে নতুন হাঙর-শ্রেণির সাবমেরিন। এরপর থেকেই পাকিস্তানের (Pakistan) নৌ-কর্তারা প্রকাশ্যে বলতে শুরু করেছেন যে, এই সাবমেরিন তাদের বঙ্গোপসাগরে নিয়মিত নজরদারি এবং দীর্ঘ সময় উপস্থিতি বজায় রাখার ক্ষমতা দেবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি পাকিস্তানের বৃহত্তর নৌ-আধুনিকীকরণ কর্মসূচির অংশ, যার আওতায় ভবিষ্যতে মোট আটটি হাঙর-শ্রেণির সাবমেরিন অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    আরও পড়ুন: ২ হাজারের ওষুধ ২০০ টাকায়! রাজ্যে এবার আরও ৪৬৯টি জনৌষধি কেন্দ্র, বাড়বে সুবিধা

    ‘হাঙর’ নামটিরও একটি ঐতিহাসিক তাৎপর্য রয়েছে। ১৯৭১ সালের যুদ্ধে পাকিস্তানের সাবমেরিন পিএনএস হাঙর ভারতীয় যুদ্ধজাহাজ আইএনএস খুকরিকে ডুবিয়েছিল। যদিও সেই ঘটনা যুদ্ধের সামগ্রিক ফলাফলে কোনও প্রভাব ফেলতে পারেনি। স্থল, জল এবং আকাশ—তিন ক্ষেত্রেই ভারতীয় বাহিনীর কাছে পরাস্ত হয়েছিল পাকিস্তান। নতুন সাবমেরিন প্রকল্পে সেই নামই আবার ব্যবহার করা হয়েছে, যা অনেকের মতে অতীতের স্মৃতিকে নতুনভাবে তুলে ধরার কৌশল।

    চিনে নির্মিত এই সাবমেরিনের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হল Air-Independent Propulsion (AIP) প্রযুক্তি। এর ফলে সাবমেরিনটিকে ঘন ঘন জলের উপর উঠে ব্যাটারি চার্জ করতে হয় না। দীর্ঘ সময় জলের নিচে থেকে গোপনে অভিযান চালানো সম্ভব। আধুনিক সামুদ্রিক যুদ্ধে এই প্রযুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। ফলে নজরদারি, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং কৌশলগত উপস্থিতি বজায় রাখতে পাকিস্তান কিছুটা সুবিধা পেতে পারে।

    Pakistan plans to deploy submarines in the Bay of Bengal after 55 years!

    আরও পড়ুন: মোদীর হাত ধরেই ‘জাতে ওঠা’, যোগ দিবসে প্রধানমন্ত্রীর মেনুতে আবার সেই ‘ঝালমুড়ি’!

    তবে সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, পাকিস্তানের (Pakistan) এই উদ্যোগে বঙ্গোপসাগরে ভারতের আধিপত্য তাৎক্ষণিকভাবে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে না। বিশাখাপত্তনমে ভারতের পূর্ব নৌ-কমান্ড, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের কৌশলগত অবস্থান, পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন, বিমানবাহী রণতরী এবং উন্নত সামুদ্রিক নজরদারি ব্যবস্থার কারণে ভারত এখনও অনেক এগিয়ে। তবুও পাকিস্তানের নতুন পরিকল্পনা আঞ্চলিক নিরাপত্তা সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করছে এবং ভারতকে আরও সতর্ক থাকতে বাধ্য করবে বলেই মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা।

    Click here to Read More
    Previous Article
    নতুন দল NCPI কে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য নওশাদের
    Next Article
    "রঘু ডাকাতদেরও ইন্টেগ্রিটি ছিল, এরা শুধু লুটেরা!" অরূপ বিশ্বাসকে নিশানা করে বিস্ফোরক পাপিয়া অধিকারী

    Related আন্তর্জাতিক Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment