Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    ভূস্বর্গে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ! ২৩ জনকে জঙ্গি হিসাবে ঘোষণা করল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক, কারা রয়েছে তালিকায়?

    3 weeks ago

    বাংলাহান্ট ডেস্ক: ফের একবার সন্ত্রাসবাদে জিরো টলারেন্সের বার্তা ভারত (India) সরকারের। জম্মু ও কাশ্মীরে (Jammu and Kashmir) সন্ত্রাসবাদ দমনে আরও কঠোর অবস্থান নিল কেন্দ্র। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক বেআইনি কার্যকলাপ আইন বা ইউএপিএ-র আওতায় লস্কর-ই-তইবা, জইশ-ই-মহম্মদ এবং দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট (TRF)-এর সঙ্গে যুক্ত মোট ২৩ জনকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘সন্ত্রাসবাদী’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। শনিবার জারি হওয়া গ্যাজেট বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের দাবি, তালিকাভুক্ত ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে জম্মু ও কাশ্মীরে জঙ্গি নিয়োগ, অনুপ্রবেশ, অস্ত্র ও বিস্ফোরক পাচার, ড্রোনের মাধ্যমে অস্ত্র সরবরাহ, জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ এবং একাধিক সন্ত্রাসবাদী হামলার ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত। এই ২৩ জনের মধ্যে ছয়জন ভারতীয় নাগরিক হলেও বাকিরা পাকিস্তানের (Pakistan) বাসিন্দা। তবে গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে প্রত্যেকেই পাকিস্তান বা পাকিস্তান অধিকৃত অঞ্চলে আত্মগোপন করে রয়েছে।

    ফের একবার সন্ত্রাসবাদে জিরো টলারেন্সের বার্তা ভারত (India) সরকারের

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রকাশিত তালিকায় এমন একাধিক নাম রয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে অতীতে বড় জঙ্গি হামলার অভিযোগ রয়েছে। উল্লেখযোগ্যদের মধ্যে রয়েছেন পাকিস্তানি জইশ-ই-মহম্মদের সদস্য মাসুদ ইলিয়াস কাশ্মীরি, যিনি ২০২২ সালে জম্মুর সুঞ্জওয়ান সেনা ঘাঁটিতে হামলার অন্যতম অভিযুক্ত বলে দাবি তদন্তকারী সংস্থার। একই ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে তালিকায় রয়েছে মুহম্মদ মুসাদ্দিকের নামও। গোয়েন্দাদের মতে, পাকিস্তান থেকে ভারতে (India) জঙ্গিদের অনুপ্রবেশে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। এছাড়াও তালিকায় রয়েছে জইশ-ই-মহম্মদের মুফতি মহম্মদ আসগর খান, হাফিজ আবদুল শুকুর এবং আবদুল্লাহ জেহাদি। লস্কর-ই-তইবার ফিরদৌস আহমেদ ভাট এবং দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্টের বিলাল আহমেদ মিরের নামও এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। পাশাপাশি আবিদ কাইয়ুম লোন, নাজির আহমেদ গুজ্জার, আশফাক আহমেদ, ইমাদুল্লা মক্কি, সাইফুল্লা খালিদ, মহম্মদ ইয়াকুব, মাওলানা ইউসুফ তাইবি, ওয়াসিম নূর জাত, ওয়াইস ফারুক এবং কারি ইয়াকুব শেখ-সহ আরও একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে একই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: হরমুজ বন্ধ থাকায় কীভাবে জ্বালানি সঙ্কট মোকাবিলা করল ভারত? জানালেন খোদ প্রধানমন্ত্রী মোদী

    বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, এই তালিকায় দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট বা টিআরএফ-এর একাধিক কমান্ডারের নাম রয়েছে। ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলির দাবি, পহেলগাঁওয়ে সংঘটিত জঙ্গি হামলার সঙ্গে এই সংগঠনের যোগসূত্র রয়েছে। একই সঙ্গে লস্কর-ই-তইবার প্রতিষ্ঠাতা হাফিজ সইদের সংগঠন জামাত-উদ-দাওয়ার কয়েকজন নেতাকেও সন্ত্রাসবাদী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কেন্দ্রের মতে, এই সংগঠনগুলি সীমান্তের ওপার থেকে সন্ত্রাসবাদে মদত দেওয়ার পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভারতে হামলার পরিকল্পনা করছে। বিশেষ করে ড্রোনের মাধ্যমে অস্ত্র ও বিস্ফোরক পাচারের অভিযোগকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। সেই কারণেই এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    ভারত এর আগেও ইউএপিএ-র আওতায় একাধিক আন্তর্জাতিক জঙ্গিকে সন্ত্রাসবাদী হিসেবে ঘোষণা করেছে। ২০১৯ সালে প্রথমবার এই আইনের অধীনে দাউদ ইব্রাহিম, হাফিজ সইদ, জাকিউর রহমান লখভি এবং মাসুদ আজহারকে ব্যক্তিগতভাবে সন্ত্রাসবাদী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল। এবার সেই তালিকায় আরও ২৩টি নাম যুক্ত হওয়ায় কেন্দ্রের সন্ত্রাসবিরোধী অবস্থান আরও স্পষ্ট হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে শুধু আইনি বার্তাই দেওয়া হয়নি, বরং আন্তর্জাতিক মহলের কাছেও ভারতের অবস্থান আরও জোরালোভাবে তুলে ধরা হয়েছে। সীমান্তপার সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান বজায় রাখার নীতিরই এটি ধারাবাহিকতা বলে মনে করা হচ্ছে।

    Government of India once again sends a message of zero tolerance on terrorism.

    আরও পড়ুন: হচ্ছে একাধিক পরিবর্তন! রাম মন্দিরের অনুদান গোনার ক্ষেত্রে এবার কড়া সিদ্ধান্ত, মানতে হবে কী কী নিয়ম?

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এই ঘোষণার ফলে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA) অভিযুক্তদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার আইনি ক্ষমতা পাবে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য ও প্রমাণ জমা দিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদনও জানানো যাবে। এর ফলে ভবিষ্যতে বিদেশে থাকা এই ব্যক্তিদের গতিবিধির উপর নজরদারি বাড়ানো এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পথ আরও সহজ হবে বলে মনে করছে নিরাপত্তা মহল। কেন্দ্রের দাবি, জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদের আর্থিক ও সাংগঠনিক কাঠামো ভেঙে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং আগামী দিনেও এই ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে (India)।

    Click here to Read More
    Previous Article
    E20 পেট্রোলের পর এবার ডিজেলে আইসোবিউটানল মেশানোর পরিকল্পনা! কী জানালেন নিতিন গড়করি?
    Next Article
    Channdrima Bhattacharya: আপনি ঋতব্রত শিবিরে যোগদান করলেন? প্রশ্নে কি জবাব চন্দ্রিমার

    Related ভারত Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment