Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    ভরসা পুরোনোতেই! মদন মিত্রের কাঁধে বড় দায়িত্ব দিলেন মমতা

    2 days ago

    বাংলা হান্ট ডেস্ক : রাজ্যের রাজনৈতিক অন্দরে ফের চর্চার কেন্দ্রে মদন মিত্র(Madan Mitra)। তৃণমূলের কঠিন সময়ে যখন একের পর এক নেতা দলের বিরুদ্ধে মুখ খুলছেন, তখন বরাবরের মতোই নেতৃত্বের পাশে থেকেছেন কামারহাটির বিধায়ক। আর সেই আনুগত্য ও দীর্ঘদিনের সম্পর্কেরই যেন পুরস্কার মিলল এবার। দলের সাংগঠনিক রদবদলে মদন মিত্রকে বড় দায়িত্ব তুলে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    মদন মিত্রের (Madan Mitra) কাঁধে বড় দায়িত্ব

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক লড়াইয়ের বহু পুরনো সঙ্গী মদন মিত্র। কংগ্রেস আমল থেকেই দুজনের রাজনৈতিক পথচলা একসঙ্গে। পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করলে তিনিও যোগ দেন ঘাসফুল শিবিরে। এবার দলের ‘দুঃসময়ে’ সেই বিশ্বস্ত সৈনিককেই বাড়তি দায়িত্ব দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। নবগঠিত দমদম সাংগঠনিক জেলার সভাপতির পদে বসানো হল মদন মিত্রকে।

    উল্লেখ্য, এর আগে তৃণমূলের আলাদা করে দমদম সাংগঠনিক জেলা ছিল না। তৃণমূল নেতৃত্ব এবার নতুন করে সাংগঠনিক কাঠামো সাজিয়ে দমদম সাংগঠনিক জেলা তৈরি করেছে। আর সেই জেলার দায়িত্বই তুলে দেওয়া হয়েছে কামারহাটির বিধায়কের হাতে।

    ২০১১ সালে রাজ্যে পালাবদলের নির্বাচনে কামারহাটি কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিলেন তিনি। যদিও ২০১৬ সালের ভোটে পরাজয়ের মুখ দেখতে হয়েছিল তাঁকে। পরে ২০২১ সালে আবারও সেই কেন্দ্র থেকেই জিতে বিধানসভায় ফেরেন। এবার বিধানসভা নির্বাচনে দলের ভরাডুবির আবহেও নিজের আসন অক্ষুণ্ণ রাখতে সক্ষম হয়েছেন মদন। শুধু নির্বাচনী লড়াই নয়, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও দলের পাশে সক্রিয়ভাবে দেখা গিয়েছে তাঁকে। যখন তৃণমূলের অন্দরেই ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ্যে এসেছে, তখন মদন মিত্র রাস্তায় নেমে আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন। হকার উচ্ছেদের প্রতিবাদেও তাঁকে সরব হতে দেখা গিয়েছে।

    দীর্ঘদিনের সেই রাজনৈতিক সহযোদ্ধার উপরেই এবার আরও বেশি আস্থা রাখলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এতদিন ব্যারাকপুর-দমদম সাংগঠনিক জেলার অন্তর্গত ছিল কামারহাটি বিধানসভা কেন্দ্র। আলাদা দমদম সাংগঠনিক জেলা নামে কোনও ইউনিট ছিল না। এবার সেই নতুন সাংগঠনিক জেলা গঠন করে তার দায়িত্ব দেওয়া হল মদন মিত্রকে।

    Mamata Banerjee gives a big responsibility to Madan Mitra

    আরও পড়ুন : ফলতা উপনির্বাচনে বিজেপির দাপট, পিছিয়ে তৃণমূল-কংগ্রেস দু’পক্ষই

    বিধানসভায় ধাক্কার পর এবার লোকসভাকে পাখির চোখ করেছে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল। আর দমদম লোকসভা কেন্দ্র নিজেদের দখলে রাখতেই কি পুরনো বিশ্বস্ত সঙ্গী মদন মিত্রের উপরেই ভরসা রাখলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত, বিজেপির বাংলায় যেমন ৪২টি সাংগঠনিক জেলা রয়েছে এবং প্রায় প্রতিটি লোকসভা কেন্দ্র ধরে সংগঠন সাজানো হয়েছে, তেমনই কি এবার তৃণমূলও একই পথে হাঁটতে চলেছে, তা নিয়েও জল্পনা বাড়ছে।

    Click here to Read More
    Previous Article
    স্বাস্থ্যসাথীর ৬ কোটি উপভোক্তাই কী পাবে আয়ুষ্মান কার্ড? জানাল রাজ্য সরকার
    Next Article
    সব কথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করার দায়িত্ব আমার শুভেন্দু অধিকারীর

    Related পশ্চিমবঙ্গ Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment