Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    ভারতে ভয়াবহ হামলা চালিয়ে পাকিস্তানে গা-ঢাকা হিজবুল জঙ্গির! বড় পদক্ষেপ ইন্টারপোলের

    2 weeks ago

    বাংলাহান্ট ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীরের বারামুল্লা জেলার তারজু এলাকায় ২০১৩ সালে ঘটে যাওয়া প্রাণঘাতী জঙ্গি হামলার এক দশকেরও বেশি সময় পরে তদন্তে বড় পদক্ষেপ ইন্টারপোলের (Interpol)। ওই হামলার অন্যতম পলাতক অভিযুক্ত হিজবুল মুজাহিদিনের জঙ্গি ইমতিয়াজ আলি কান্দুর ওরফে ফয়াজের বিরুদ্ধে রেড কর্নার নোটিস জারি করেছে ইন্টারপোল। দীর্ঘদিন ধরেই ভারতীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি তার খোঁজ চালিয়ে আসছিল। সম্প্রতি জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টারপোলের কাছে আনুষ্ঠানিক আবেদন জানায়। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোল এই নোটিস জারি করেছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, বহু বছর আগেই ইমতিয়াজ কাশ্মীর উপত্যকা ছেড়ে পাকিস্তানে পালিয়ে গিয়ে আত্মগোপন করেছে। রেড কর্নার নোটিস জারির ফলে বিভিন্ন দেশের আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার কাছে তার অবস্থান চিহ্নিত করা এবং প্রয়োজনে গ্রেপ্তারের পথ আরও সহজ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    বারামুল্লা জঙ্গি হামলার ঘটনায় বড় পদক্ষেপ ইন্টারপোলের (Interpol)

    বারামুল্লার ওই হামলা জম্মু ও কাশ্মীরে জঙ্গি কার্যকলাপের অন্যতম উল্লেখযোগ্য ঘটনাগুলির একটি হিসেবে বিবেচিত হয়। ২০১৩ সালে সংঘটিত সেই হামলায় চারজন পুলিশকর্মী প্রাণ হারান এবং নিরাপত্তা বাহিনীর উপর বড় আঘাত নেমে আসে। তদন্তে উঠে আসে, হামলার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে যুক্ত ছিল হিজবুল মুজাহিদিনের একাধিক সদস্য। ইমতিয়াজ আলি কান্দুরকে সেই হামলার অন্যতম মূল অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ঘটনার পর থেকেই নিরাপত্তা সংস্থা ও গোয়েন্দারা তার সন্ধানে অভিযান শুরু করলেও তিনি অধরাই থেকে যান। একাধিক সূত্রের দাবি, সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানে আশ্রয় নেওয়ার পর থেকেই তিনি ভারতীয় তদন্তকারী সংস্থার নাগালের বাইরে চলে যান। যদিও এই বিষয়ে এখনও সরকারি স্তরে নির্দিষ্ট অবস্থান প্রকাশ করা হয়নি, তদন্তকারীরা বিভিন্ন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তার গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে চলেছেন (Interpol)।

    আরও পড়ুন: ভারতের ওপর ফের ১২.৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব আমেরিকার! কী বার্তা দিল নয়াদিল্লি?

    তদন্তে জানা যায়, জম্মু ও কাশ্মীরের সোপোরের বাসিন্দা ইমতিয়াজ ২০১০ সালে হিজবুল মুজাহিদিনে যোগ দেন এবং অল্প সময়ের মধ্যেই সংগঠনের সক্রিয় সদস্য ও পরে কমান্ডার হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। বিভিন্ন সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ডে তার জড়িত থাকার অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই ছিল। ২০২২ সালে ভারত সরকার তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে সন্ত্রাসবাদী হিসেবে ঘোষণা করে। অন্যদিকে, বারামুল্লা হামলার তদন্ত প্রথমে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের হাতে থাকলেও পরবর্তীকালে ২০২৪ সালে তদন্তভার সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থার হাতে যায়। নতুন করে তদন্ত শুরু হওয়ার পর বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা হয় এবং মামলায় চার্জশিটও দাখিল করা হয়। এরপরই আন্তর্জাতিক সহযোগিতার লক্ষ্যে ইন্টারপোলের দ্বারস্থ হয় ভারতীয় কর্তৃপক্ষ।

    তদন্তকারী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালের ওই হামলায় মোট ছয়জন জঙ্গির নাম উঠে আসে। তাদের মধ্যে দু’জন নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে পৃথক সংঘর্ষে নিহত হয়েছে। আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। কিন্তু ইমতিয়াজ আলি কান্দুরই ছিলেন একমাত্র পলাতক অভিযুক্ত, যিনি দীর্ঘদিন ধরেই তদন্তকারীদের ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলেন। ফলে তার বিরুদ্ধে রেড কর্নার নোটিস জারি হওয়াকে তদন্তের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। যদিও রেড কর্নার নোটিস কোনও আন্তর্জাতিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নয়, তবুও এটি সংশ্লিষ্ট দেশগুলিকে অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত ও প্রয়োজনে আটক করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আইনি সহায়তা প্রদান করে। এর ফলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ইমতিয়াজের চলাচলও অনেকটাই সীমিত হয়ে পড়তে পারে।

    Interpol takes major step regarding the Baramulla terror attack.
    হিজবুল মুজাহিদিনের জঙ্গি ইমতিয়াজ আলি কান্দু

    আরও পড়ুন: রাতেও মিলবে সূর্যের আলো! বিজ্ঞানীদের সতর্কতা অগ্রাহ্য করে মহাকাশে আয়না বসানোর অনুমতি আমেরিকার

    নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে ইন্টারপোলের (Interpol) এই পদক্ষেপ ভারতের তদন্তে নতুন গতি আনতে পারে। পাশাপাশি এটি বার্তা দিচ্ছে যে, গুরুতর সন্ত্রাসবাদী মামলায় অভিযুক্ত কেউ দীর্ঘদিন পলাতক থাকলেও তদন্ত থেমে থাকে না। আন্তর্জাতিক স্তরে সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা অব্যাহত থাকে। এখন তদন্তকারীদের মূল লক্ষ্য ইমতিয়াজের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া এবং সংশ্লিষ্ট দেশের সহযোগিতায় তাকে আইনের মুখোমুখি করা। বারামুল্লা হামলায় নিহত চার পুলিশকর্মীর পরিবারের কাছেও এই পদক্ষেপ দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ন্যায়বিচারের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    Click here to Read More
    Previous Article
    কলকাতার যানজট কমাতে বড় পরিকল্পনা রাজ্যের! রিং রোডে যুক্ত হবে ৪ জেলা
    Next Article
    ব্যক্তি আক্রমণকে কড়া নিন্দা কৌশিক সেনের

    Related ভারত Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment