Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    ‘ভারতে হিন্দুদের সংখ্যাগুরু বলা যাবে না’, বিস্ফোরক দাবি করে পরিসংখ্যান জানালেন মুসলিম ধর্মগুরু

    1 hour ago

    বাংলাহান্ট ডেস্ক: ‘ভারতে হিন্দুরা সংখ্যাগুরু নয়’! বিস্ফোরক মন্তব্য অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ডের সদস্য মৌলানা সাজ্জাদ নোমানির (Sajjad Nomani)। জনসংখ্যার গঠন ও ধর্মভিত্তিক জনবিন্যাস নিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক বিতর্ক নতুন নয়। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ একাধিকবার জনবিন্যাসের পরিবর্তন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রসঙ্গকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলে আলোচনা ও বিতর্ক চলেছে। সেই আবহেই এবার নতুন বিতর্কের জন্ম দিলেন সাজ্জাদ নোমানি। তাঁর একাধিক মন্তব্য ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে ব্যাপক চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে।

    ‘ভারতে হিন্দুদের সংখ্যাগুরু বলা যাবে না’, বিস্ফোরক মন্তব্য সাজ্জাদ নোমানির (Sajjad Nomani):

    এক সাম্প্রতিক বক্তব্যে মৌলানা নোমানি (Sajjad  Nomani) দাবি করেছেন, দীর্ঘ প্রায় ৩০ বছর ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ঘোরাঘুরি এবং সমাজের নানা স্তরের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের অভিজ্ঞতা থেকে তিনি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন যে, হিন্দুরা আর ভারতের প্রকৃত সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠী নয়। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, হিন্দু সমাজকে একক সত্তা হিসেবে দেখার পরিবর্তে যদি বিভিন্ন সম্প্রদায়, গোষ্ঠী ও সামাজিক পরিচয়ের ভিত্তিতে আলাদা করে বিবেচনা করা হয়, তাহলে জনসংখ্যার চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন হয়ে দাঁড়াবে। তিনি দাবি করেন, সেই পরিস্থিতিতে মুসলিমদের সংখ্যা হিন্দুদের তুলনায় বেশি বলে প্রতীয়মান হতে পারে।

    আরও পড়ুন:চাঁদ নয়! গোটা বিশ্বকে চমকে দিয়ে পৃথিবীর এই ‘উপগ্রহে’ পদার্পণ করতে চলেছে চিন

    নিজের বক্তব্যকে জোরালো করতে গিয়ে নোমানি বলেন, “আমি পবিত্র কাবা শরিফের হাজির-এ-আসওয়াদে হাত রেখে বলতে পারি, এই দেশে হিন্দুরা সংখ্যাগুরু নয়। কোনও অবস্থাতেই হিন্দুদের সংখ্যাগুরু বলা যাবে না।” তাঁর যুক্তি, ভারতে শিখ, বৌদ্ধ, লিঙ্গায়েত, জাট বা বিভিন্ন আঞ্চলিক ও সামাজিক সম্প্রদায়কে অনেক সময় হিন্দু পরিচয়ের আওতায় ধরা হলেও বাস্তবে তারা নিজেদের আলাদা পরিচয়ে বিশ্বাস করে। এমনকি তফসিলি জাতি ও তফসিলি উপজাতির একাংশকেও তিনি পৃথক সামাজিক সত্তা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর মতে, এই সমস্ত গোষ্ঠীকে একত্রে হিন্দু হিসেবে গণনা করাই জনসংখ্যার প্রকৃত চিত্রকে আড়াল করে।

    তবে শুধু জনসংখ্যার অঙ্ক নিয়েই থেমে থাকেননি মৌলানা নোমানি। তিনি হিন্দু সমাজকে ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ এবং ‘ফ্যাসিস্ট’— এই দুই ভাগে বিভক্ত করে আরও বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। তাঁর দাবি, অতীতে মুসলিম সমাজের একাংশ মনে করত যে ধর্মনিরপেক্ষ হিন্দুরা সংখ্যালঘুদের জন্য হুমকি নন। কিন্তু বর্তমানে তিনি মনে করেন, দুই শ্রেণির হিন্দুই মুসলিমদের জন্য সমানভাবে ক্ষতিকর। তাঁর অভিযোগ, যাঁদের উপর মুসলিম সমাজ দীর্ঘদিন ভরসা করেছিল, সেই তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষ অংশও শেষ পর্যন্ত দেশের রাজনৈতিক ক্ষমতা এমন শক্তির হাতে তুলে দিয়েছে, যাদের তিনি ‘ফ্যাসিস্ট’ বলে অভিহিত করেছেন।

    Hindus cannot be called the majority in India' explosive remark of Sajjad Nomani

    আরও পড়ুন: মেসির পাশে দেখা গিয়েছিল, অভিষেক ঘনিষ্ঠ সেই অদিতিকে খুঁজছে CID, কী সম্পর্ক সাংসদের সঙ্গে?

    মৌলানা নোমানির (Sajjad Nomani) এই মন্তব্যগুলি সামনে আসার পর বিভিন্ন মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। সমালোচকদের মতে, তাঁর বক্তব্য ধর্মীয় বিভাজনকে আরও উসকে দিতে পারে এবং সামাজিক সম্প্রীতির পক্ষে তা অনুকূল নয়। অন্যদিকে, তাঁর সমর্থকরা বলছেন, তিনি কেবল জনবিন্যাস ও সামাজিক পরিচয় নিয়ে নিজের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছেন। যদিও সরকারি জনগণনা অনুযায়ী এখনও হিন্দুরাই দেশের বৃহত্তম ধর্মীয় সম্প্রদায়, তবু নোমানির এই মন্তব্য নতুন করে জনসংখ্যা, পরিচয় এবং সংখ্যাগরিষ্ঠতার ধারণা নিয়ে বিতর্কের দরজা খুলে দিয়েছে। রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলের একাংশের মতে, আগামী দিনে এই মন্তব্য ঘিরে আরও বিস্তৃত আলোচনা এবং পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেখা যেতে পারে।

    Click here to Read More
    Previous Article
    আয়ুষ্মান ভারতের সুবিধা পেতে হলে কোন রেশন কার্ড লাগবে? কোন কার্ডে সুবিধা মিলবে না জানুন
    Next Article
    'রান ফর যোগা' ম্যারাথন-এর সূচনা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    Related ভারত Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment