Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    শিক্ষক মহলের উদ্বেগ বাড়ছে, প্র্যাকটিক্যাল খাতা নিরাপত্তা ও নম্বর নিয়ে কী বলছে সংসদ

    3 hours ago

    বাংলা হান্ট ডেস্ক: যিনি পরীক্ষা নেন তিনি খাতায় নম্বর দেন। ‌ আবার সেই খাতা থেকে যায় তারি গেছে। এই প্রাপ্ত নম্বর যাচাই করার একদিকে যেমন কোন উপায় থাকে না পড়ুয়াদের। পাশাপাশি তেমনি খাতার হদিস থাকে না উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদে (WBCHSE)। আর এর ফলে নানারকম প্রশ্নের বৃষ্টি হয়েছে শিক্ষা মহলে।

    প্র্যাকটিক্যাল খাতা নিয়ে সংশয়, নম্বর নিয়েও উদ্বেগ—সংসদের অবস্থান কী (WBCHSE)

    শিক্ষকদের দাবি, ২০২০ সাল থেকে উচ্চমাধ্যমিকে প্রাকটিক্যাল পরীক্ষার এই নিয়ম শুরু করা হয়েছে। যেখানে শুক্রবার সমাজ মাধ্যমে বেশ কিছু খাতার প্রথম ছবি ছড়িয়ে পড়তে এই বিতর্ক মাথা তুলেছে। যে ওই খাতা উচ্চ মাধ্যমিকে পদার্থবিদ্যা প্র্যাকটিক্যাল খাতা বলেই দাবি করেছেন শিক্ষকেরা (WBCHSE)। এছাড়াও এই বিষয়ে সংসদের তরফ থেকে সংসার প্রকাশ করা হয়েছে। আদৌ ওই খাতা উচ্চ মাধ্যমিকের কিনা তা নিয়ে।

    WBCHSE doubts over practical books concerns over marks

    আরও পড়ুন: সপ্তাহান্তে যাত্রীদের জন্য দু: সংবাদ! হাওড়া-বর্ধমান মেইন সহ একাধিক লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ

    তবে শিক্ষকদের একাংশের দাবি, প্যাট্রিক্যাল পরীক্ষার নামে আসলে পরীক্ষার্থীদের প্রহসন চলছে। তাদের দাবি এই খাতার সুরক্ষার দায়িত্ব সংসদ কে নিতে হবে। যদিও শিক্ষকেরা জানিয়েছেন, ২০২০ সালের আগে প্রাকটিক্যাল পরীক্ষা নিতে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরাই। সেখান থেকেই তারা নম্বর দিতেন। তারপর সেই নম্বর সেন্টার ইনচার্জ তার সই সম্বলিত খাতা পৌঁছে দিত প্রধান পরীক্ষকের কাছে।

    তিনিসের খাতাগুলো যাচাই করে প্রাপ্ত নম্বর মিলিয়ে দেখে নিতেন। তারপর সেই নম্বর ও খাতা সংশোধনের কাছে এই জমা পড়ত। তবে পড়ুয়া যে প্রাপ্ত নম্বর যেমন যাচাই করা হতো। তেমনি পরীক্ষার সেই খাতাগুলি সংরক্ষণ করতে সংসদ। কিন্তু বর্তমানে শিক্ষকেরা জানাচ্ছেন, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, জীববিদ্যা, পুষ্টিবিজ্ঞান, ভূগোল, কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশনের মতো বিষয়ের প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষা হয় সংশ্লিষ্ট স্কুলেই। তাই এই পরীক্ষার জন্য ৩০ নম্বর ধার্য থাকে। যিনি পরীক্ষক তিনিই খাতা দেখেন। এছাড়াও নিয়ম অনুযায়ী প্রধানশিক্ষক বা সেন্টার ইনচার্জের সই বা স্ক্যান করা সই থাকার কথা খাতায়।

    যেহেতু সেই খাতার ফের কোনও যাচাই হয় না বা, সংসদের কাছেও সেটা ফেরতও আসে না। সে কারণে বহু ক্ষেত্রেই সেই খাতা থেকে যায় শিক্ষকের কাছে। শুক্রবার যে খাতার ছবি প্রকাশ্যে এসেছে, সেখানে কোনও সেন্টার ইনচার্জের সই নেই বলে দাবি সংসদের। তাই খাতা আদৌ উচ্চ মাধ্যমিক প্র্যাকটিক্যালের কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কর্তৃপক্ষ।

    পাশাপাশি ওই খাতা শিক্ষকের কাছেই থেকে যাচ্ছে। যে খাতার ছবি সমাজমাধ্যমে দেখা গিয়েছে, তা কোথাকার খাতা, কী ভাবে তার ছবি ফাঁস হল, তা নিয়ে দ্রুত তদন্তের দাবিও তুলেছেন তিনি। পাশাপাশি বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল জানান, আগে প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষা স্কুলে হলেও একজন পরীক্ষক আসতেন বাইরের কোনও স্কুল থেকে। এখন আর আসেন না। অনেক ক্ষেত্রে অভিযোগ ওঠে, পরীক্ষা ছাড়াই পড়ুয়াকে স্কুলে ডেকে নম্বর দিয়ে দেওয়া হচ্ছে (WBCHSE)।

    Click here to Read More
    Previous Article
    মঙ্গলবার পর্যন্ত চলবে ঝড়-বৃষ্টি, আজ দক্ষিণবঙ্গের কোন কোন জেলায় সতর্কতা? আবহাওয়ার খবর
    Next Article
    গোটা এপ্রিল জুড়ে চলবে স্পেশাল ট্রেন, ভোটারদের যাতায়াতে বাড়তি সুবিধা

    Related পশ্চিমবঙ্গ Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment