Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    ‘অভিষেককে বাদ দিয়ে চললে আমি আছি’, ‘যুবরাজের’ ঔদ্ধত্য নিয়ে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন কল্যাণ

    1 hour ago

    বাংলা হান্ট ডেস্ক : তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে মতবিরোধের সুর ক্রমশ প্রকাশ্যে চলে আসছে। দলের সাংগঠনিক ভবিষ্যৎ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন বহু নেতাই। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন দলের প্রবীণ সাংসদ ও আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee)। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি অবস্থান নিয়ে তিনি এমন কিছু মন্তব্য করেছেন, যা রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোড়ন তৈরি করেছে।

    অভিষেকের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন কল্যাণ(Kalyan Banerjee)

    বিধায়কদের স্বাক্ষর জালিয়াতি সংক্রান্ত মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হয়ে আদালতে লড়ার কথা ছিল কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কিন্তু শেষ মুহূর্তে তিনি সেই দায়িত্ব থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন। এরপর সংবাদমাধ্যমের সামনে ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, তাঁকে যথাযথ মর্যাদা দেওয়া হয়নি এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে তাঁকে অন্ধকারে রাখা হয়েছে।

    কল্যাণের দাবি, আদালতে মামলার দ্রুত শুনানির জন্য তিনি ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগী হয়েছিলেন। তাঁকে না জানিয়ে অন্য আইনজীবীকে মামলায় আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে অসম্মানিত হয়েছেন বলেও জানান কল্যাণ। এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে কল্যাণ বলেন, “আমি অভিষেকের মামলা ছেড়ে দিয়েছি। কী ঔদ্ধত্য রে বাবা! কাল (বুধবার) আমি ওর মামলার কথা আদালতে উল্লেখ করলাম। মমতাদির বাড়িতে সিআইডি-র যাওয়ার বিষয়টিও তুললাম। অভিষেকের মামলাটা কোনও কারণে কাল কোর্ট শোনেনি। আমরা বিচারপতি কৌশিক চন্দকে বলি, এটা জরুরি ভিত্তিতে শুনুন। আজ শুনানি হত।”

    এখানেই থামেননি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, তিনি আরও বলেন,”কাল রাত সাড়ে ১২টায় আমার ছেলেকে ফোন করে বলা হয়েছে, জুনিয়রস্য জুনিয়র অয়ন এই মামলায় সওয়াল করবে। আমাকে ডাস্টবিনের মতো ব্যবহার করা হচ্ছে। আমি বলে দিয়েছি এর (অভিষেক) সঙ্গে থাকব না। এই পেশায় ৪৫ বছর আছি। এই উদ্ধত মনোভাব মেনে নেব না। আমি মমতাদিকে বলব, হয় অভিষেককে রাখুন, আমাদের ছেড়ে দিন। নয় আমাদের রাখুন, অভিষেককে সরান।” শুধু আইনি বিষয় নয়, দলের বর্তমান পরিস্থিতির জন্যও অভিষেককে দায়ী করেছেন কল্যাণ।

    কল্যাণের মতে, নেতৃত্বের কিছু সিদ্ধান্তের কারণেই তৃণমূলের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং দলের কর্মী-সমর্থকদের নানা অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে। সেই প্রসঙ্গে তিনি বলেন,”আমি পশ্চিমবঙ্গের এক নম্বর সৎ রাজনীতিক। ওর জন্য আমাদের চোর-চোর স্লোগান শুনতে হচ্ছে।”

    একইসঙ্গে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি নিজের আনুগত্যের কথাও স্পষ্ট করেন কল্যাণ। তবে অভিষেকের আচরণ নিয়ে তাঁর আপত্তি যে চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে, তাও বুঝিয়ে দেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, “আমি সবসময় দিদির পাশে আছি। কিন্তু তার পরেও যদি অভিষেক এই রকম ঔদ্ধত্য দেখায়, আমাদের কর্মচারী মনে করে, তা হলে করার কিছু নেই। মমতাদিকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে, তিনি অভিষেককে নিয়ে থাকবেন, না কি আমার মতো যারা অভিষেকের বিরুদ্ধে, তাদের নিয়ে থাকবেন।”

    Kalyan Banerjee expresses anger over Abhishek's arrogance

    আরও পড়ুন :আয়ুষ্মান কার্ড আছে? আপনার জেলার কোন হাসপাতালে মিলবে ফ্রি চিকিৎসা, মোবাইলে এই ভাবে দেখে নিন

    দলনেত্রীর সঙ্গে দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার প্রসঙ্গ তুলে তিনি আরও বলেন, “অভিষেকের সঙ্গে দিদির রক্তের সম্পর্ক। ওঁর ভাইপো। কিন্তু আমার মতো মানুষের সঙ্গে রক্তের সম্পর্ক নেই। কিন্তু আমরা ৪০ বছর দিদির কাছে কাজ করেছি, লড়েছি। এখন দিদিকে বেছে নিতে হবে, কাকে উনি রাখবেন। অভিষেক পদে থাকলে দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি আমাকে চলে যেতে হবে।” তৃণমূলের অন্দরে এই প্রকাশ্য মতবিরোধ এখন নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিস্ফোরক মন্তব্যের পর দলীয় নেতৃত্ব কী অবস্থান নেয় এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেন, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

    Click here to Read More
    Previous Article
    তৃণমূলে ভাঙনের ঝড়! বিদ্রোহী শিবিরে যাচ্ছেন বাবুল সুপ্রিয়? জল্পনার মাঝেই বড় বার্তা সাংসদের
    Next Article
    রাজ্যের সব সরকারি অফিসে আসছে বড় বদল! জরুরি নির্দেশিকা জারি অর্থ দফতরের

    Related পশ্চিমবঙ্গ Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment