Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    অধ্যাপকদের বদলি নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত! বিধানসভায় নয়া বিল, শাসক-বিরোধীর তুমুল সংঘাত

    1 hour ago

    বাংলা হান্ট ডেস্ক : বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের বদলি নিয়ে বৃহস্পতিবার বিধানসভায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়াল। ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনিভার্সিটিজ অ্যান্ড কলেজেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড রেগুলেশন অ্যামেন্ডমেন্ট বিল ২০২৬’ (Profesor Transfer Bill) পেশ হতেই বিরোধী বেঞ্চ থেকে একাধিক প্রশ্ন ওঠে। মুস্তাফিজুর রানা, নওশাদ সিদ্দিকি-সহ বিরোধী বিধায়কদের একাংশের অভিযোগ, এই আইনের মাধ্যমে শিক্ষাক্ষেত্রে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের রাস্তা তৈরি হতে পারে। এমনকি শিক্ষাঙ্গনে গৈরিকীকরণের চেষ্টার অভিযোগও সামনে আসে।

    অধ্যাপক বদলি বিল (Professor Transfer Bill) নিয়ে স্পষ্ট বক্তব্য মুখ্যমন্ত্রীর

    এদিন বিধানসভায় এই বিল নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট করেন কেন অধ্যাপকদের বদলির জন্য এই ধরনের আইনি কাঠামো প্রয়োজন। ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বিরোধীদের উদ্দেশে বলেন, “বদলের চাকরি, বদলি হয়ে যান। অসুবিধা থাকলে চাকরি ছেড়ে দিন। ঝোলা নিয়ে হোলটাইমার হয়ে যান।” শিক্ষাব্যবস্থাকে কোনও একটি রাজনৈতিক মতাদর্শের নিয়ন্ত্রণে না রাখার কথাও এদিন জোর দিয়ে জানান তিনি।

    গৈরিকীকরণের অভিযোগ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, “বিরোধীরা বলছেন শিক্ষায় গেরুয়াকরণের চেষ্টা হচ্ছে। কিন্তু এই শব্দবন্ধ নিয়ে আপত্তি রয়েছে। আমরা এটা করব না। সিপিএম অনিলায়ন করেছিল। মমতা মমতায়ন করেছিল। আমরা তা করব না।”
    শিক্ষাক্ষেত্রে সরকারের বৃহত্তর পরিকল্পনার কথাও বিধানসভায় তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু অধিকারীর কথায়, “এক শিক্ষানীতিতে রাজ্য চলবে। তাই শিক্ষাবিদদের যুক্ত করেছি। সমস্ত স্তরের ছাত্ররা সরকারি সাহায্য নিয়ে উচ্চশিক্ষায় প্রতিষ্ঠিত হবে সেটা চাই। তারা সমাজের দায়িত্ব পালন করুক।”

    উল্লেখ্য, নতুন বিলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীদের স্থানান্তর সংক্রান্ত ব্যবস্থা। দীর্ঘ সময় ধরে কলকাতা কিংবা অন্যান্য বড় শহরের পুরনো বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরতদের প্রয়োজনে রাজ্যের অপেক্ষাকৃত নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠানোর সুযোগ তৈরি হবে। শিক্ষাকর্মীদের ক্ষেত্রেও একই ধরনের ব্যবস্থা কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে। এই প্রস্তাব সামনে আসার পর থেকেই শিক্ষামহলে মূল প্রশ্ন উঠেছে বদলির পদ্ধতি নিয়ে।

    বিশ্ববিদ্যালয়গুলি স্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হওয়ায় সেখানকার অধ্যাপক, আধিকারিক বা শিক্ষাকর্মীরা সরাসরি সরকারি কর্মচারী নন। তাই তাঁদের স্থানান্তরের ক্ষেত্রে সরকারের ক্ষমতা কতটা থাকবে, সেটিই এখন বড় আলোচনার বিষয়। বদলি কি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সম্মতির ভিত্তিতে হবে, নাকি প্রশাসনিক সিদ্ধান্তেই একজন শিক্ষক বা শিক্ষাকর্মীকে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠানো সম্ভব হবে—তা নিয়েও তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। পরবর্তী সরকারি নির্দেশিকার মাধ্যমে এই বিষয়গুলি পরিষ্কার হওয়ার কথা।

    CM Suvendu Adhikari about the university professor transfer bill

    আরও পড়ুন : পুজোর আগে লক্ষ্মীলাভ! অক্টোবরে কত বেশি বেতন পাবেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা? হিসাব বুঝুন

    সরকারের মতে, রাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের অভিজ্ঞতা ভাগ করে দেওয়া এবং তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলিকে আরও শক্তিশালী করাই এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য। তবে বিরোধীদের আপত্তি, এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বশাসন কতটা অক্ষুণ্ণ থাকবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।এই বিল বিশ্ববিদ্যালয়গুলির প্রশাসনিক কাঠামোয় কতটা প্রভাব ফেলবে, সেদিকেই নজর রয়েছে শিক্ষা মহলের।

    Click here to Read More
    Previous Article
    রক্ষাকবচ খারিজ! অভিষেকের বাড়িতে হানা দিয়ে আপ্তসহায়ক সুমিতকে গ্রেফতার করল CID

    Related পশ্চিমবঙ্গ Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment