Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    5G-র পর শুরু হয়ে গেল 6G-র প্রস্তুতি! আমেরিকা-সহ ২৪ টি দেশের সঙ্গে হাত মেলাল ভারত

    2 hours ago

    বাংলা হান্ট ডেস্ক: এবার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আপডেট সামনে এসেছে। মূলত, 5G-র বিরাট সাফল্যের পর, ভারত (India) এখন 6G-র দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। যদিও বিশ্বজুড়ে 5G পরিষেবা এখনও প্রসারিত হচ্ছে, এই আবহেই ভারত সরকার তার দূরদৃষ্টির পরিচয় দিয়ে 6G-র লক্ষ্যেও এগিয়ে চলেছে। সবথেকে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, ডিজিটাল বিশ্বে নিজের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে ভারত আমেরিকার (America) নেতৃত্বাধীন একটি প্রধান গ্লোবাল অ্যালায়ান্সে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটি এমন একটি পদক্ষেপ যা আগামী বছরগুলিতে দেশের টেকনোলজি সেক্টরের সম্পূর্ণ চিত্র পাল্টে দেবে। 6G নেটওয়ার্ক শুধু ইন্টারনেটের গতিই বাড়াবে না; বরং, এটি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence) থেকে শুরু করে রোবটিক্স পর্যন্ত প্রতিটি ক্ষেত্রে নতুন নজির গড়বে। মূলত, ভবিষ্যৎ যোগাযোগ বিপ্লবকে পথ দেখাতে আমেরিকা এই গ্লোবাল অ্যালায়ান্স চালু করেছে। মার্কিন বাণিজ্য দফতর অনুসারে, ভারত এখন 6G প্রযুক্তি উন্নয়নকারী আরও ২৪ টি দেশের একটি শক্তিশালী গোষ্ঠীর অংশ। আমেরিকার নর্থ ক্যারোলাইনার চ্যাপেল হিলে সম্প্রতি সম্পন্ন হওয়া জি-২০ উদ্ভাবন বিষয়ক মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। এই বিশেষ বৈঠকে ভারতের কেন্দ্রীয় বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী জিতিন প্রসাদা এবং আমেরিকার বাণিজ্য সচিব হাওয়ার্ড লুটনিকের মধ্যে একটি দীর্ঘ দ্বিপাক্ষিক আলোচনা সম্পন্ন হয়। এই আলোচনার পর এই অ্যালায়েন্সে ভারতের আনুষ্ঠানিক যোগদান চূড়ান্ত হয়েছিল।

    আমেরিকা-সহ ২৪ টি দেশের সঙ্গে হাত মেলাল ভারত (India):

    ইনোভেশন বৈঠকে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ উপস্থিতি: জানিয়ে রাখি যে, জি-২০ ইনোভেশন বৈঠকে ভারতীয় প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন প্রতিমন্ত্রী জিতিন প্রসাদা। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক (MeitY) এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগ (DST)-সহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের উচ্চ আধিকারিকরা। মার্কিন বাণিজ্য দফতর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’-এ জানিয়েছে যে, এই উদ্যোগের প্রধান উদ্দেশ্য হল যৌথ নিরাপত্তা স্বার্থ নিশ্চিত করা। এছাড়াও, এই অ্যালায়েন্স 6G ক্ষেত্রে উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করতে কাজ করবে। সম্মেলনের শেষে সবদেশের মন্ত্রীরা একটি যৌথ বিবৃতি জারি করেন। এতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, উদীয়মান নতুন প্রযুক্তি বিশ্বজুড়ে মানুষের জন্য অগ্রগতির নতুন দ্বার উন্মোচন করতে পারে। এদিকে, বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী জিতিন প্রসাদা মার্কিন সচিব হাওয়ার্ড লুটনিকের সঙ্গে শুধু 6G নিয়েই নয়; বরং, আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে গভীর আলোচনা করেছেন। সেমিকন্ডাক্টর থেকে শুরু করে, AI সম্পর্কিত ডেটা সেন্টার নিয়েও দুই নেতৃত্বের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় হয়।

    India joins hands with 24 countries including America to achieve 6G.

    উল্লেখ্য যে, বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী ইন্ডিয়া সেমিকন্ডাক্টর মিশন (ISM ২.০)-তে মার্কিন বিনিয়োগ বৃদ্ধির সম্ভাবনার ওপর আলোকপাত করেন। এছাড়া, AI প্রযুক্তির অংশীদারিত্ব জোরদার করার বিষয়েও আরও আলোচনা হয়। জিতিন প্রসাদা ‘এক্স’-এ একটি পোস্টে ব্যাখ্যা করেছেন যে, এই সমস্ত সেক্টরই উদীয়মান ডিজিটাল অর্থনীতির জন্য অপরিহার্য। নিজের পোস্টে তিনি উষ্ণ আতিথেয়তার জন্য মার্কিন জি-২০ সভাপতিত্বকেও বিশেষ ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: সেরে রাখুন প্রয়োজনীয় কাজ! সেপ্টেম্বরে ধর্মঘটের জন্য কোন কোন দিন বন্ধ থাকছে ব্যাঙ্ক? জানুন

    জানিয়ে রাখি যে, জি২০ শীর্ষ সম্মেলনটি মার্কিন বাণিজ্য দফতর এবং হোয়াইট হাউসের সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজি পলিসি তথা OSTP দ্বারা আয়োজিত হয়েছিল। এত বড় একটি মঞ্চে ভারতের উপস্থিতি বিশ্বব্যাপী দেশটির ক্রমবর্ধমান প্রভাবকে তুলে ধরে। 6G প্রযুক্তি বর্তমান 5G-র চেয়ে বহুগুণ দ্রুত ইন্টারনেট গতি প্রদান করবে। এই অভিন্ন প্ল্যাটফর্মটি প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং সাইবার নিরাপত্তা উভয় বিষয়েই একটি প্রধান ঢাল হিসাবেও কাজ করবে।

    আরও পড়ুন: টিভি শো সঞ্চালনার জন্য ক্রিকেট ছাড়তে হবে রোহিত শর্মাকে? কী বলছে BCCI-এর নিয়ম?

    ভারতের প্রযুক্তিগত ভবিষ্যতের জন্য একটি নতুন রূপরেখা: আমেরিকায় সম্পন্ন হওয়া এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকগুলি গ্লোবাল টেকনোলজি এজেন্ডা নির্ধারণে ভারতের ক্রমবর্ধমান ভূমিকা স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে। এই অংশীদারিত্বগুলি সেমিকন্ডাক্টর এবং ডিজিটাল পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স  সহ বিভিন্ন অত্যাধুনিক প্রযুক্তিকে কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে ভারতের অবস্থানকে প্রদর্শন করে। যা দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করবে। এর মাধ্যমে নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে উদ্ভাবনের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

    Click here to Read More
    Previous Article
    বিশ্বকাপ জিততে মরিয়া গম্ভীরের ভারত! বাধ্য হয়ে এই তারকা ক্রিকেটারকে দলে ফেরাচ্ছে BCCI
    Next Article
    ঢাকায় গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক! অক্টোবরেই কি ফের চালু হবে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ট্রেন পরিষেবা?

    Related টেক Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment