Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    মহুয়ার মন্তব্যে ঝড়! গুজরাটিদের কাছে নিজে ক্ষমা চাইলেন মমতা, কারণটা কী?

    3 hours ago

    বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভোটের আবহে হঠাৎই নতুন বিতর্কে জড়াল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের সাংসদ মহুয়া মৈত্র গুজরাটি সম্প্রদায়কে নিয়ে মন্তব্য করতেই শুরু হয় তীব্র প্রতিক্রিয়া। বিশেষ করে ভবানীপুরে থাকা গুজরাটি ভোটারদের মধ্যে অসন্তোষ ছড়ায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে শেষমেশ নিজে সামনে এসে ক্ষমা চান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।

    মহুয়ার হয়ে ক্ষমা চাইলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)

    কলকাতায় ভোটের মহুয়া মৈত্রের মন্তব্য ঘিরে অস্বস্তিতে পড়েছে তৃণমূল শিবির (Trinamool Congress)। ওই মন্তব্য সামনে আসার পর ভবানীপুরের গুজরাটি সম্প্রদায়ের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতিতে দলের ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অসীম বসু প্রকাশ্যে মহুয়ার মন্তব্যের বিরোধিতা করেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এই ধরনের মন্তব্য দলের অনুমোদিত নয়। একইসঙ্গে তিনি জানান, কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র দলের সঙ্গে আলোচনা না করেই ওই মন্তব্য করেছিলেন। গুজরাটি সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে ক্ষমাও চান তিনি। শুধু তাই নয়, যাতে বার্তাটি সবার কাছে পৌঁছয়, তার জন্য হিন্দি, ইংরেজির পাশাপাশি গুজরাটি ভাষাতেও ওই বার্তা তুলে ধরা হয়।

    এদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও (Mamata Banerjee) এই বিতর্কে হস্তক্ষেপ করেন। তাঁর পক্ষ থেকে একটি বার্তা পাঠানো হয়, যেখানে তিনি বলেন, গুজরাটি ভাই-বোনেদের কাছে তিনি ব্যক্তিগতভাবে দুঃখ প্রকাশ করছেন। তিনি আরও জানান, এই ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য দল (Trinamool Congress) সমর্থন করে না এবং বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট সাংসদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে।

    কি থেকে ঘটনার সূত্রপাত?

    ঘটনার সূত্রপাত তিন দিন আগে। তৃণমূল ভবনে এক সাংবাদিক বৈঠকে মহুয়া মৈত্র স্বাধীনতা আন্দোলনে বাঙালিদের ভূমিকার প্রসঙ্গ তুলতে গিয়ে গুজরাটিদের অংশগ্রহণ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি দাবি করেন, আন্দামানের কালাপানির জেলে বন্দিদের মধ্যে বেশিরভাগই বাঙালি ছিলেন এবং গুজরাটিদের সংখ্যা খুবই কম। পাশাপাশি তিনি বীর সাভারকারের প্রসঙ্গও টানেন, যা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়।

    এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক উত্তেজনা শুরু হয়ে যায়। ভবানীপুরের ৭০ নম্বর ওয়ার্ডে, যেখানে গুজরাটি সম্প্রদায়ের বাস বেশি, সেখানে এই মন্তব্য ভালভাবে নেয়নি অনেকেই। উল্লেখ্য, এই ওয়ার্ডটি ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত, যেখানে প্রার্থী স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। দলের অন্দরেই অনেকে মনে করছেন, যখন পুরনো ভোটারদের ফের কাছে টানার চেষ্টা চলছে, তখন এই ধরনের মন্তব্য উল্টো প্রভাব ফেলতে পারে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বিরোধী বিজেপি এই ইস্যুকে হাতিয়ার করতে পারে ওই এলাকায়।

    Vishwa Hindu Parishad filed FIR against Mamata Banerjee.

    আরও পড়ুনঃ বড় সিদ্ধান্তের পথে রাজ্য! ৪৮ মাসের DA বকেয়া নিয়ে শুরু হিসাব সংগ্রহ

    এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল (Trinamool Congress) যে দ্রুত ক্ষতি সামাল দিতে চাইছে, তা স্পষ্ট। তাই কাউন্সিলরের মাধ্যমে সরাসরি গুজরাটি সম্প্রদায়ের উদ্দেশ্যে মমতার (Mamata Banerjee) বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

    Click here to Read More
    Previous Article
    তৃণমূলের সবাই চর্চার মধ্যেই থাকতে চায় ভাইরাল হয়, ট্রোল হয় এগুলো ভাল লাগে : রোহন মিত্র
    Next Article
    তড়িঘড়ি বৈঠক ডাকলেন প্রধানমন্ত্রী! নতুন কোন সিদ্ধান্ত নিতেন চলেছেন মোদী?

    Related পশ্চিমবঙ্গ Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment