Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    খুনের পর ওই বাড়িতেই মাদক সেবন করে স্নান অভিযুক্তদের! বাংলাদেশে হিন্দু পরিবার হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য

    1 day ago

    বাংলাহান্ট ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) রংপুর (Rangpur) শহরে একই পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শনিবার রাতে কমলক্ষণ এলাকার একটি তিনতলা বাড়ি থেকে অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী এবং ১২ বছরের ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরিবারের সঙ্গে বৃহস্পতিবার রাতের পর থেকে যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না। পরে আত্মীয়রা বাড়িতে গিয়ে কোনও সাড়া না পেয়ে সন্দেহ করেন। জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে ঘরের জিনিসপত্র এলোমেলো অবস্থায় দেখতে পান তাঁরা। খবর দেওয়া হয় পুলিশে। রাতের দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে পুলিশ এবং ভোরে বাড়ির বিভিন্ন জায়গা থেকে চারটি দেহ উদ্ধার করা হয়। মা ও মেয়ের দেহ সিঁড়ির কাছ থেকে, গণপতির দেহ ছাদ থেকে এবং তাঁর ছেলের দেহ খাটের নীচে পাওয়া যায় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

    বাংলাদেশে (Bangladesh)’হিন্দু পরিবার হত্যাকাণ্ডে প্রকাশ্যে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

    পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, ঘটনার সূত্রপাত হতে পারে বাড়ির ছাদে ইয়াবা সেবনকে কেন্দ্র করে। তদন্তকারীদের দাবি, বৃহস্পতিবার মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ নামে দুই যুবক পাশের একটি বাড়ি থেকে গণপতিদের ছাদে উঠেছিলেন। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল সেখানে ইয়াবা সেবন করা। বিষয়টি টের পেয়ে গণপতি ছাদে গিয়ে তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন এবং সেখানে মাদক সেবনে আপত্তি জানান বলে পুলিশের বক্তব্য। অভিযোগ, এরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ কমিশনারের দাবি, দুই যুবক গামছা দিয়ে গণপতির গলা টিপে ধরেন এবং তাঁর মৃত্যু হয়। শব্দ শুনে স্ত্রী প্রীতিলতা ছাদে গেলে তাঁকেও সিঁড়ির কাছে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ। পরে পরিবারের বাকি দুই সদস্যকেও হত্যা করা হয়েছে বলে তদন্তকারীরা মনে করছেন। অভিযুক্তদের সঙ্গে পরিবারের পরিচয় থাকায় নিজেদের পরিচয় প্রকাশ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থেকেই এমন ঘটনা ঘটতে পারে বলে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান (।

    আরও পড়ুন: শুধু মহাকাশে পৌঁছনোই নয়! ভারত হয়ে উঠবে ‘গ্লোবাল স্পেস হাব’, কী বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী?

    ঘটনাটিকে আরও রহস্যজনক করে তুলেছে হত্যাকাণ্ডের পর অভিযুক্তদের আচরণ নিয়ে পুলিশের দাবি। তদন্তকারীদের বক্তব্য, চারজনকে হত্যার পর ওই দুই যুবক সঙ্গে সঙ্গে বাড়ি ছেড়ে পালায়নি। বরং প্রায় ছয় থেকে সাত ঘণ্টা তারা বাড়ির মধ্যেই ছিল বলে জানা গিয়েছে। পুলিশের দাবি, সেই সময়ে তারা ফের ইয়াবা সেবন করে এবং বাড়ির ফ্রিজ থেকে খেজুর ও শসা বের করে খায়। এমনকি পরে তারা গোসলও করে বলে তদন্তে উঠে এসেছে। বাড়ি থেকে বেরোনোর আগে আলমারি ও ড্রয়ার খুলে জিনিসপত্র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রাখা হয়েছিল বলেও পুলিশ জানিয়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, ঘটনাটিকে ডাকাতির মতো দেখানোর জন্যই ঘরের জিনিসপত্র এ ভাবে এলোমেলো করা হয়ে থাকতে পারে। শুক্রবার নামাজের সময় এলাকার রাস্তাঘাট তুলনামূলক ফাঁকা থাকায় সেই সুযোগে অভিযুক্তরা বাড়ি ছেড়ে যায় বলে পুলিশের দাবি।

    গণপতি চক্রবর্তী গত বছরের শেষ দিকে রংপুর জেলা স্কুল থেকে অবসর নিয়েছিলেন। সেখানে তিনি হিন্দু ধর্মতত্ত্ব পড়াতেন। তাঁর মেয়ে সম্প্রতি কারমাইকেল কলেজ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি শেষ করেছিলেন এবং ছেলে একই স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির পড়ুয়া ছিল। পরিবারটি প্রায় চার বছর ধরে ওই বাড়িতে থাকছিল। প্রতিবেশীদের অনেকেই তাঁদের শান্ত ও ভদ্র পরিবার হিসেবেই চিনতেন। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ না হওয়ায় প্রথমে আত্মীয়দের সন্দেহ হয়। গণপতির বোন পূজা চক্রবর্তী জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রাতেও তাঁর দিদির সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছিল। কিন্তু শনিবার ফোন করলে একাধিক নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়। এরপরই তিনি স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে বাড়িতে পৌঁছন এবং পরিস্থিতি দেখে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশের তৎপরতায় কিছুক্ষণের মধ্যেই দুই সন্দেহভাজনকে আটক করা হয় বলে জানা গিয়েছে।

    Sensational details have emerged regarding the killing of a Hindu family in Bangladesh.

    আরও পড়ুন: কাশ্মীরে ফিরল নব্বইয়ের দশকের আতঙ্ক! কাশ্মীরি পণ্ডিতদের নাম-ঠিকানা উল্লেখ করে জঙ্গিদের হুমকি চিঠি

    তবে পুলিশের তদন্তে যে ছবি উঠে এসেছে, তা নিয়ে পরিবারের সদস্যদের মধ্যেই প্রশ্ন রয়েছে। গণপতির পরিবারের সদস্য বিশ্বজিৎ রায়ের দাবি, দুই অল্পবয়সি যুবক একসঙ্গে পরিবারের চারজনকে হত্যা করেছে—এই ব্যাখ্যা তাঁদের কাছে পুরোপুরি বিশ্বাসযোগ্য নয়। ঘটনার পেছনে আরও কিছু রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। অন্যদিকে, আটক সিদ্ধার্থের বাবা কানু দাসও জানিয়েছেন, তাঁর ছেলে মাদকাসক্ত হলেও সে এমন হত্যাকাণ্ড ঘটাতে পারে, বিষয়টি তাঁর কাছে বিশ্বাস করা কঠিন। ফলে পুলিশের তরফে প্রাথমিক ভাবে যে তত্ত্ব সামনে আনা হয়েছে, তার পাশাপাশি অন্যান্য সম্ভাবনাও তদন্তে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। রংপুরের এই ঘটনায় মাদকাসক্তি, নিরাপত্তা এবং শহরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তদন্ত এগোলেই চার সদস্যের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার সম্পূর্ণ রহস্য আরও স্পষ্ট হবে (Bangladesh)।

    Click here to Read More
    Previous Article
    সরকারি সম্পত্তি নষ্টে সুদ সহ ৩ গুণ ক্ষতিপূরণ! আজ থেকেই গুন্ডাদমন আইনের একাংশ কার্যকর, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
    Next Article
    'বাড়ি থাকলে কি আর রাস্তায় থাকতাম' ঠিক কি কি হয়েছিল সেদিন ? Parkstreet Incident | Agnimitra Paul

    Related আন্তর্জাতিক Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment