Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    ভারতীয় নৌবাহিনীতে আসছে আরও এক ‘নিউক্লিয়ার জায়ান্ট’! INS Arisudan-কে ঘিরে বাড়ছে কৌশলগত শক্তির নজর

    58 minutes ago

    বাংলাহান্ট ডেস্ক: সমুদ্রে নিঃশব্দে বাড়ছে INS Arisudan। ভারতের (India) সমুদ্রভিত্তিক পরমাণু প্রতিরোধ ক্ষমতা আরও শক্তিশালী করার পথে বড় অগ্রগতি। অরিহন্ত শ্রেণির তৃতীয় পারমাণবিক শক্তিচালিত ব্যালিস্টিক মিসাইল সাবমেরিন INS Aridhaman ইতিমধ্যেই ভারতীয় নৌবাহিনীতে (Indian Navy) অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এবার নজর অরিহন্ত শ্রেণির পরবর্তী এবং শেষ সাবমেরিন S4-এর দিকে, যেটি সম্ভাব্য ভাবে INS Arisudan নামে পরিচিত হবে। প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, সাবমেরিনটি ২০২৪ সালের অক্টোবরে জলে নামানো হয়েছে এবং বর্তমানে সমুদ্র পরীক্ষার পর্যায়ে রয়েছে।

    ভারতীয় নৌবাহিনীতে আসছে আরও এক ‘নিউক্লিয়ার জায়ান্ট’ INS Arisudan

    প্রায় ৭ হাজার টনের এই সাবমেরিনকে আগের INS Arihant ও INS Arighaat-এর তুলনায় আরও উন্নত সংস্করণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ২০১৬ সালে নৌবাহিনীতে যুক্ত হয়েছিল INS Arihant, আর INS Arighaat কমিশন করা হয় ২০২৪ সালে। চলতি বছরের এপ্রিলেই INS Aridhaman যুক্ত হওয়ায় ভারতের হাতে প্রথমবারের মতো তিনটি পারমাণবিক শক্তিচালিত ব্যালিস্টিক মিসাইল সাবমেরিন এসেছে। নতুন S4 যুক্ত হলে সমুদ্রভিত্তিক কৌশলগত প্রতিরোধ ক্ষমতা আরও মজবুত হবে বলে মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা।

    আরও পড়ুন: দিনে ১২ ঘণ্টা অ্যাম্বুলেন্স চালিয়ে রাতে পড়াশোনা! বারবার ব্যর্থতার পর এবার ISRO-তে নদিয়ার দেবজিৎ

    INS Arisudan-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলির একটি হল এর পারমাণবিক শক্তিচালিত প্রপালশন ব্যবস্থা। অরিহন্ত শ্রেণির সাবমেরিনগুলি দীর্ঘ সময় জলের নীচে অবস্থান করতে সক্ষম, ফলে প্রচলিত ডিজেল-ইলেকট্রিক সাবমেরিনের তুলনায় দীর্ঘমেয়াদি টহল ও কৌশলগত দায়িত্ব পালনে এগুলি বেশি উপযোগী। প্রকাশ্যে আসা তথ্য অনুযায়ী, এই শ্রেণির নতুন সাবমেরিনগুলির ওজন প্রায় ৭ হাজার টন এবং এগুলিতে উন্নত পারমাণবিক রিঅ্যাক্টর ব্যবস্থার ব্যবহার করা হয়েছে। তবে সাবমেরিনের নির্দিষ্ট প্রযুক্তিগত ক্ষমতা এবং অস্ত্রবিন্যাসের বেশিরভাগ তথ্যই সরকারি ভাবে প্রকাশ করা হয়নি।

    অস্ত্র ব্যবস্থার দিক থেকেও S4* নিয়ে বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এই সাবমেরিন K-15 এবং দীর্ঘ পাল্লার K-4 সাবমেরিন-লঞ্চড ব্যালিস্টিক মিসাইল বহনে সক্ষম হতে পারে। K-4-এর পাল্লা প্রায় ৩,৫০০ কিলোমিটার বলে বিভিন্ন প্রতিরক্ষা সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে কতগুলি মিসাইল বহন করবে বা নির্দিষ্ট অস্ত্রবিন্যাস কী হবে, সে বিষয়ে সরকারি ভাবে পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। সমুদ্রের গভীরে লুকিয়ে থেকে ব্যালিস্টিক মিসাইল ব্যবহারের সক্ষমতাই SSBN-গুলিকে ভারতের নিউক্লিয়ার ট্রায়াডের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ করে তুলেছে।

    Another ‘nuclear giant’, INS Arisudhan, is set to join the Indian Navy.

    আরও পড়ুন: ব্রাজিল ম্যাচের প্রস্তুতি নিতে বিশ্বকাপ খেলা এই দেশের বিরুদ্ধে খেলবে ভারত! বড় চ্যালেঞ্জ খালিদ জামিলদের সামনে

    এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল INS Arisudan-এর সমুদ্র পরীক্ষা। এই পরীক্ষায় সাবমেরিনের প্রপালশন, নেভিগেশন, যোগাযোগ, সেন্সর এবং অন্যান্য অপারেশনাল ব্যবস্থার কার্যকারিতা যাচাই করা হবে। আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা বিশ্লেষণ অনুযায়ী, S4 বর্তমানে এই পরীক্ষার পর্যায়েই রয়েছে এবং ২০২৭ সালে সেটি কমিশন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই সাবমেরিন নৌবাহিনীতে যুক্ত হলে ভারতের সমুদ্রভিত্তিক দ্বিতীয়-প্রহারের সক্ষমতা আরও শক্তিশালী হবে। একই সঙ্গে অরিহন্ত শ্রেণির এই ধারাবাহিক উন্নয়ন ভবিষ্যতের আরও বড় ও আধুনিক SSBN তৈরির ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা জোগাবে।

    Click here to Read More
    Previous Article
    বেড বেড়ে ২০০০, সেপ্টেম্বরেই ‘আদানি আরোগ্য নিকেতন’র ভুমিপুজো, আদানিকে চিঠি মুখ্যমন্ত্রীর
    Next Article
    বাংলা ফেরা পরিযায়ী শ্রমিকদের ১০০% কাজ দেবে ‘রোজগার গ্যারান্টি কার্ড’, জারি হল নির্দেশিকা

    Related ভারত Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment