Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    গলা পর্যন্ত ঋণে ডুবে রয়েছে পাকিস্তান! ফের সাহায্য করল বিশ্ব ব্যাঙ্ক

    2 weeks ago

    বাংলাহান্ট ডেস্ক: অর্থনৈতিক সংকটের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই লড়াই করছে পাকিস্তান (Pakistan)। বৈদেশিক ঋণের চাপ, রাজস্ব ঘাটতি, মূল্যবৃদ্ধি এবং জ্বালানি খাতের নানা সমস্যার মধ্যে এবার কিছুটা স্বস্তির খবর এল ইসলামাবাদের জন্য। বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক পর্ষদ পাকিস্তানের বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থা উন্নত করতে ৩৭৫.৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থায়নের অনুমোদন দিয়েছে। এই অর্থ দেশের গ্রিড স্থিতিশীলতা উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যয় করা হবে। মূল লক্ষ্য, বিদ্যুৎ সঞ্চালন নেটওয়ার্ককে আরও আধুনিক ও নির্ভরযোগ্য করে তোলা, বিদ্যুৎ সরবরাহে ঘনঘন বিঘ্ন কমানো এবং ক্রমবর্ধমান চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশের বিদ্যুৎ পরিকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করা। দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুৎ ঘাটতি ও সঞ্চালন ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে পাকিস্তানের শিল্প ও সাধারণ মানুষের যে ভোগান্তি তৈরি হয়েছে, এই প্রকল্প সেই সমস্যার সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলেই আশা করা হচ্ছে।

    অর্থনৈতিক সঙ্কটে জর্জরিত পাকিস্তানকে (Pakistan) ফের ঋণ দিয়ে সাহায্য করল বিশ্ব ব্যাঙ্ক

    বিশ্বব্যাংকের অনুমোদিত এই প্রকল্পটি পাকিস্তানের (Pakistan) ‘বেস্ট-পাক’ বা ব্যাটারি শক্তি সঞ্চয় ও সঞ্চালন কর্মসূচির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রায় ১০ বছর মেয়াদি এই কর্মসূচির মাধ্যমে ধাপে ধাপে দেশের বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ করা হবে। শুধু নতুন পরিকাঠামো নির্মাণই নয়, বিদ্যমান গ্রিডের সক্ষমতা বাড়ানো, বিদ্যুৎ অপচয় কমানো এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে ভবিষ্যতের বিদ্যুৎ ব্যবস্থার সঙ্গে আরও কার্যকরভাবে যুক্ত করার দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, উন্নত বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থা গড়ে উঠলে শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে, ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে এবং দেশের সামগ্রিক জ্বালানি নিরাপত্তাও অনেকটাই শক্তিশালী হবে। ফলে এই প্রকল্প শুধু বিদ্যুৎ খাতেই নয়, অর্থনীতির অন্যান্য ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

    আরও পড়ুন: অবশেষে মিলল নোটিসের জবাব! ‘ইউজারনেম’ ফিচারের প্রসঙ্গে কেন্দ্রকে কী জানাল WhatsApp-Telegram?

    আন্তর্জাতিক আর্থিক সহায়তার ক্ষেত্রে পাকিস্তানের সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের সম্পর্ক বহু দশকের। ১৯৫০ সাল থেকে সংস্থাটি পাকিস্তানকে ৫১.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে। বর্তমানে দেশটিতে বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় ৫২টি প্রকল্প চলমান রয়েছে, যেখানে মোট ১৬.৯ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। এই প্রকল্পগুলির মধ্যে জ্বালানি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা, কৃষি এবং সামাজিক উন্নয়নের মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র অন্তর্ভুক্ত। পাকিস্তানের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য এই ধরনের আন্তর্জাতিক অর্থায়ন অবকাঠামো উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। তবে সেই অর্থের সঠিক ব্যবহার এবং প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নই শেষ পর্যন্ত প্রকৃত ফল নির্ধারণ করবে।

    বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর বলোর্মা আমগাবাজারের মতে, এই অর্থায়নের ফলে বিদ্যুৎ সঞ্চালন ব্যবস্থার দক্ষতা বাড়বে, প্রযুক্তিগত ত্রুটি ও অপচয় কমবে এবং সাধারণ গ্রাহকরা আরও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পরিষেবা পাবেন। তাঁর মতে, নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে শিল্প উৎপাদন বাড়বে, নতুন বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরি হবে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগও বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা অর্জনের ক্ষেত্রেও এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। বিশেষ করে শিল্পাঞ্চলগুলিতে বিদ্যুৎ বিভ্রাট কমে গেলে উৎপাদন ব্যয় কমবে এবং দেশের রপ্তানি সক্ষমতাও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদদের একাংশ।

    The World Bank has again provided financial help to Pakistan

    আরও পড়ুন: অস্ট্রেলিয়ার সিদ্ধান্তের প্রশংসা করলেন মোদী! ভারতেও কম বয়সীদের জন্য নিষিদ্ধ হবে সোশ্যাল মিডিয়া?

    তবে অর্থনীতিবিদদের মতে, শুধুমাত্র আন্তর্জাতিক আর্থিক সহায়তা পেলেই পাকিস্তানের (Pakistan) অর্থনৈতিক সংকট কাটবে না। বর্তমানে দেশটি বিপুল বৈদেশিক ঋণ, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, রাজস্ব ঘাটতি এবং সীমিত বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের মতো একাধিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। তাই এই নতুন অর্থায়নের প্রকৃত সুফল নির্ভর করবে প্রকল্পগুলি নির্ধারিত সময়ে সম্পন্ন হওয়া, অর্থের স্বচ্ছ ও কার্যকর ব্যবহার এবং সরকারের বিস্তৃত অর্থনৈতিক সংস্কারের ওপর। কর ব্যবস্থা শক্তিশালী করা, জ্বালানি খাতে সংস্কার আনা, বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত করা এবং আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার মতো পদক্ষেপ সমানভাবে জরুরি। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘমেয়াদে টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে বাহ্যিক ঋণের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ কাঠামোগত সংস্কারই হবে পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

    Click here to Read More
    Previous Article
    ভারতের EV ভবিষ্যতের দিকে বড় পদক্ষেপ, লিথিয়াম-আয়ন প্ল্যান্টে ১,৪০০ কোটি ঢালছে Exide
    Next Article
    একাধিক বিয়ে করলেই যাবে সরকারি চাকরি, নারী ক্ষমতায়নে বড় পদক্ষেপ অসমের মুখ্যমন্ত্রীর

    Related আন্তর্জাতিক Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment