Search

    Select Website Language

    GDPR Compliance

    We use cookies to ensure you get the best experience on our website. By continuing to use our site, you accept our use of cookies, Privacy Policy, and Terms of Service.

    banglahunt
    banglahunt

    এখনও তালা বন্ধ ‘সেই‌’ ঘর, দেওয়ালে রক্তের দাগ, CBI অফিসারের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ অভিজিতের

    1 week ago

    বাংলা হান্ট ডেস্ক : আরজি কর কাণ্ডের (RG Kar) তদন্ত ঘিরে ফের বিস্ফোরক মোড়। সরকার পরিবর্তনের পর পুরনো এই মামলার তদন্তে নতুন করে নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। শনিবার আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে গিয়ে একাধিক গুরুতর অভিযোগ সামনে আনলেন বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly)। তদন্তে তথ্য গোপন, গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ নষ্ট এবং সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। ইতিমধ্যেই তিন আইপিএস আধিকারিককে সাসপেন্ড করা হয়েছে।

    আরজি কর কান্ড প্রসঙ্গে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly)

    শনিবার হাসপাতাল পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় জানান, আরজি কর হাসপাতালের ভিতরে এমন একটি ঘর রয়েছে, যা দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ অবস্থায় পড়ে আছে। তাঁর অভিযোগ, ওই ঘরের দেওয়ালে এখনও রক্তের দাগ রয়েছে এবং সেখানে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যপ্রমাণ লুকিয়ে থাকতে পারে। তিনি নিজে সেখানে গিয়ে দেখেছেন যে ঘরটি এখনও সিল করা অবস্থাতেই রয়েছে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়, তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই এতদিনেও সেই ঘর খোলার প্রয়োজন মনে করেনি। এই নিয়েই সরব হন প্রাক্তন বিচারপতি।

    সিবিআইয়ের তদন্ত নিয়েও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। বিশেষ করে তদন্তকারী আধিকারিক সীমা পাহুজার ভূমিকা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলেন অভিজিৎ। তাঁর অভিযোগ, তদন্ত চলাকালীন এমন কিছু তথ্য সামনে এসেছিল, যা মামলার মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারত, কিন্তু সেগুলি সামনে আনা হয়নি। কার নির্দেশে বা কার প্রভাবে এই তথ্য গোপন করা হয়েছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

    উল্লেখ্য, শনিবার দুপুরে আচমকাই আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের জরুরি বিভাগের ভবনে পৌঁছে যান বিজেপি সাংসদ। উল্লেখ্য, গত বছর এই ভবনের মধ্যেই কর্তব্যরত এক তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়েছিল। সেই ঘটনার তদন্ত ঘিরেই এখনও উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের দাবি, তিনি জানতে পেরেছেন যে তদন্তের সময় দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে ইচ্ছাকৃতভাবে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছিল।

    এর পাশাপাশি আরও এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় দাবি করেন, ঘটনার রাতে হাসপাতালের একটি সিঁড়ি দিয়ে একটি মৃতদেহ নীচে নামানো হচ্ছিল বলে সন্দেহ রয়েছে। সেই সময় হাসপাতালের এক নার্স নিজের মোবাইলে গোটা ঘটনার ভিডিও রেকর্ড করেছিলেন। পরে তদন্তকারী আধিকারিক সীমা পাহুজা সেই ভিডিওর মূল কপি নিয়ে নেন এবং নার্সকে ভয় দেখিয়ে বলেন, “আপনি আপনার মোবাইল থেকে এই ভিডিওটা এখনই সম্পূর্ণ মুছে ফেলুন, নাহলে আপনি আগামী দিনে মস্ত বড় বিপদে পড়বেন।” ভয় পেয়ে ওই নার্স নিজের ফোন থেকে ভিডিওটি মুছে ফেলেন বলেও দাবি তাঁর। এরপর সেই ভিডিও আর কখনও প্রকাশ্যে আসেনি।

    প্রাক্তন বিচারপতির আরও অভিযোগ, ওই সিঁড়িটি সরাসরি জরুরি বিভাগের সঙ্গে যুক্ত এবং সেখান থেকে একটি সরু পথ ধরে ঘটনাস্থলে পৌঁছানো সম্ভব। অথচ এই সম্ভাব্য রুট, সিসিটিভি ফুটেজ কিংবা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সিবিআই সঠিকভাবে খতিয়ে দেখেনি। যদিও তিনি স্পষ্ট করেছেন যে গোটা সিবিআই সংস্থাকে নয়, বরং তদন্তকারী আধিকারিক সীমা পাহুজার ভূমিকাকেই তিনি দায়ী করছেন।

    Abhijit Ganguly makes explosive allegations against CBI officer on RG Kar Case

    আরও পড়ুন : সংসারের অভাব থামাতে পারেনি স্বপ্নকে, উচ্চমাধ্যমিকে সাঁওতালিতে প্রথম হয়ে অনুপ্রেরণা মণিমালা

    আরজি কর কাণ্ডে নতুন করে ওঠা এই অভিযোগে ফের রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে রাজ্যে। তদন্তে গাফিলতি ও তথ্যপ্রমাণ নষ্টের অভিযোগে সীমা পাহুজাকে অভিযুক্ত করে জিজ্ঞাসাবাদের দাবি তুলেছেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর মতে, সত্য সামনে আনতে হলে এই মামলায় নতুন করে নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া অত্যন্ত জরুরি।

    Click here to Read More
    Previous Article
    চলন্ত রাজধানী এক্সপ্রেসে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড! মুহূর্তে ভস্মীভূত দুটি কোচ, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন যাত্রীরা
    Next Article
    পরীক্ষার্থীদের জন্য জরুরি খবর, প্রকাশিত হল CBSE দশম শ্রেণির ডেটশিট

    Related পশ্চিমবঙ্গ Updates:

    Are you sure? You want to delete this comment..! Remove Cancel

    Comments (0)

      Leave a comment